<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd='http://schemas.google.com/g/2005' xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804</id><updated>2011-07-08T16:53:29.381+06:00</updated><title type='text'>sawkat's blog</title><subtitle type='html'></subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default?max-results=100'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>87</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>100</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-2296035763128791992</id><published>2010-05-17T13:51:00.000+06:00</published><updated>2010-05-17T13:51:29.727+06:00</updated><title type='text'>প্রবাসের দিনরাত্রি</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S_D1ZQ7rehI/AAAAAAAAATo/mLa9zHII-vE/s1600/Rain+drop.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S_D1ZQ7rehI/AAAAAAAAATo/mLa9zHII-vE/s320/Rain+drop.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আজ সকাল থেকেই হাসানের মন খুব খারাপ। কাজে যেতে ইচ্ছে করছে না। কত কাল হয়ে গেছে দেশ ছেড়ে সে প্রবাসে পড়ে রয়েছে। এখন আর মাস বছর মনে থাকে না। পরিবারের লোকজনের চেহারাও এখন অনেকটা ঝাপসা হয়ে এসেছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;কত দিন বাবা-মা, ভাই-বোনদের দেখে না। ছোট ভাই-বোনটা কত বড় হয়েছে। হাসানের কাছে তাদের বয়স বাড়েনি। সেই অনেক কাল আগে তাদের সেই ছোট্রটি দেখে এসেছে। এখনও তার চোখে তাদের সেই ছেলেবেলাটাই ভেসে উঠে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;দেশে এখন কোন কাল চলছে। শীতকাল নাকি বর্ষা কাল। এই মরুর দেশেও মাঝে মাঝে বৃষ্টি হয়। কিন্তু সেই বৃষ্টির পানিতে দেশের বৃষ্টির মত মন আকুলি বিকুলি করে না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;শরীরটা কয়েক দিন ধরে ভাল যাচ্ছে না। থেকে থেকে জ্বর আসে। কিন্তু কাজে না গিয়ে কোন উপায় নেই। যে মালিকের কারখানায় সে কাজ করে সেই মালিক নিজের দামী হাত ঘড়িটা হারিয়ে ফেললে যেটুকু দুঃখ পাবে হাসান মারা গেলে সেটুকুও পাবে না। মালিকের কাছে তার পাসপোর্ট আটকানো রয়েছে। মালিক যতদিন না চাইবে ততদিন হাসান দেশে ফিরে যেতে পারবে না। অনেক দিন দেশের সাথে তার যোগাযোগ বন্ধ। মাস শেষে শুধু নাম মাত্র বেতন আর তিন বেলা খেতে দেয়া হয়। বাকী বেতন মালিক কেটে রেখে দেয় । মালিক যখন তাকে দেশে ফিরতে দেবে তখন তাকে তার পাওনা টাকা বুঝিয়ে দেয়া হবে। হাসান জানে বেশির ভাগ শ্রমিকের ক্ষেত্রেই মালিক তাদের কথা রক্ষা করে না। কিছু বলতে গেলে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। অবৈধ বাঙালী শ্রমিকদের সাথে এই দেশের পুলিশ জন্তুর মত আচরণ করে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;মাঝে মাঝে রাতে হাসান চুপি চুপি কাঁদে। তার তখন চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে-বাবা ও বাব আমাকে তুমি দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাও। আমি আর এখানে থাকব না। এখানে আমার দম বন্ধ হয়ে আসে। ভাল চাকরির লোভে দেশে বাবার জমিজমা মার গহনা বিক্রি করে বিদেশে এসেছে। এখন ইচ্ছে করলেও খালি হাতে দেশে ফিরে যাওয়া সম্ভব নয়। মাঝে মাঝে হাসান দেশে ফোন করলে মা ফোন ধরে কাঁদেন আর বলেন ও বাব তুই ভাল আছিস। হাসান কোন উত্তর দিতে পারে না। শুধু তার বুকের ভেতর কান্না দলা পাকিয়ে উঠে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;অনেক দেশে পোষা প্রাণীদের অধিকার সংরক্ষণের জন্যে অনেক মানবাধিকার সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু তাদের মতো অধিকার বঞ্চিত শ্রমিকদের জন্যে কেউ কি কখনও মাথা ঘামায়। তারাতো ঐ সব পোষা প্রাণীদের চেয়েও মানবেতর দিনযাপন করে থাকে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;হাসান সময় মতই অফিসে এসে পৌছে। আজ মালিক অফিসে আসেননি। প্রবাসীদের নিয়ে এখানে কি একটা অনুষ্ঠান হচ্ছে। দেশ থেকে বিভিন্ন মিডিয়া থেকে অনেক লোকজন এসেছে। পুরো অনুষ্ঠান যারা স্পন্সর করছেন, তার মধ্যে হাসানের মালিকও একজন। হাসানের মতো লোকদের ঐ সব অনুষ্ঠানে যাওয়ার সৌভাগ্য কখনই হবে না। সারাদিন অমানুষিক পরিশ্রমের পর রাতে বাড়ী ফিরে টিভিতে হাসান অনুষ্ঠানের পুনঃপ্রচার দেখতে পায়। অনুষ্ঠানের সবাই খুব আনন্দ করছে। চারদিকে চোখ ধাঁধাঁনো লেজার শো। আনন্দ শুধুই আনন্দ। হাসানের চোখ এক সময় ঝাপসা হয়ে আসে। এখন আর সে টিভিতে কিছুই দেখতে পাচ্ছে না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;প্রতি বছর প্রবাসী বাঙালীদের নিয়ে এমনি আরও অনেক অনুষ্ঠান হবে কিন্তু তার মত লোকদের ভাগ্যের কখনও কোন পরিবর্তন হবে না। কারও কাছে এত সময় নেই যারা তাদের নিয়ে মাথা ঘামাবে। তাদের হয়ে সবার কাছে দুটি কথা বলবে। সবাই আছে অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত। দর্শকদের যে কোন ভাবে একটি উপভোগ্য বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান তাদের উপহার দিতে হবে। দেশের সব টিভি চ্যানেল ব্যস্ত হয়ে পড়বে কার আগে কে ঐ অনুষ্ঠান প্রচার করবে। পত্রিকায় ফলাও করে ছাপা হবে-মরুর বুকে হয়ে গেল প্রবাসী বাঙালীদের নিয়ে আনন্দঘন এক জমকালো অনুষ্ঠান। প্রবাসীদের নিয়ে এ ধরনের অনুষ্ঠান আরও বেশী বেশী হওয়া দরকার। কারণ এরাই হচ্ছেন আমাদের দেশের চালিকা শক্তি। এদের পাঠানো কষ্টের উপার্জনের টাকা দিয়েই দেশে চলছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;** কিছুদিন পূর্বে কুয়েতে বাংলাদেশী শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর আন্দোলনের পরবর্তী ফলাফল আমরা জানি। কয়েকজন শ্রমিকের ভুল সিদ্ধান্তের দায় দায়িত্ব নিতে হয়েছে শত শত শ্রমিকদের। প্রবাসী শ্রমিকরা যখন দেশে ফেরত আসে তখন এয়ারপোর্টে তাদের নামার ছবি ছাপা হয় বিভিন্ন দৈনিকে। সেখানে শ্রমিকদের পায়ে কোন জুতা নেই। যাদের আছে তাদের দুই পায়ে দুই ধরনের জুতা। এই ছবির পর আর কিছু বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রবাসে তারা কিরকম দীন হীন অবস্থায় বাস করে এটা হচ্ছে তার নমুনা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;কুয়েত সরকার তাদের প্রতি যে অন্যায় আচরণ করেছে তখন সেখানকার বাংলাদেশী দুতাবাসের কাজ কি ছিল। তারা কেন তখন একটি কার্যকরী ভূমিকা নেয়নি। প্রবাসে কখনও বাঙালীরা কোন সমস্যায় পড়লে বাংলাদেশী দূতাবাসের খুব ভাল সহায়তা পেয়েছে বলে আমার জানা নেই। যার জন্যে একই কাজের জন্যে একজন বাঙালীকে যে অর্থ দেয়া হয় সেই একই কাজের জন্যে একজন ইন্ডিয়ান কে তার তিন গুন অর্থ দেয়া হয়। তাহলে এত অর্থ অপচয় করে বিদেশে এই সব দূতাবাস রাখার দরকার কি। তাই এদের কাছ থেকে আমরা আজ আর কোন কিছু প্রত্যাশা করি না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;মিডিয়া প্রবাসে বেশ কিছু প্রশংসনীয় কাজ করছে। প্রবাসীদের নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা বিদেশে দেশের সংস্কৃতিকে সারা বিশ্বের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি তারা যদি ঐ সব হতভাগ্য প্রবাসী বাঙালীদের কথা সমগ্র প্রবাসীদের সামনে তুলে ধরতে পারে তবে তা অনেক বড় একটা কাজ হবে। মিডিয়ার শক্তি অনেক তবে সে যদি তার শক্তিকে শুধু মাত্র ব্যাবসায়িক কাজে না লাগিয়ে যথাযথ ভাবে তার শক্তিকে মানুষের প্রয়োজনে কাজে লাগায়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-2296035763128791992?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/2296035763128791992/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=2296035763128791992' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/2296035763128791992'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/2296035763128791992'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2010/05/blog-post_17.html' title='প্রবাসের দিনরাত্রি'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S_D1ZQ7rehI/AAAAAAAAATo/mLa9zHII-vE/s72-c/Rain+drop.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-5505562351161933683</id><published>2010-05-12T14:40:00.002+06:00</published><updated>2010-05-12T14:44:40.650+06:00</updated><title type='text'>ভালোবাসার অশ্রু</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S-ppS-Uy1II/AAAAAAAAATg/eYk01BWLgbM/s1600/mother1.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S-ppS-Uy1II/AAAAAAAAATg/eYk01BWLgbM/s320/mother1.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;রিক্সাওয়ালা ছোকরার চেহারা দেখলে মনে হবে বেচারা এই মাত্র সদ্য ভুমিষ্ট হয়েছে। হাসান মনে মনে গাল দেয়-হারামজাদা। রিক্সা নয় যেন হারামজাদা হেলিকপ্টার চালাচ্ছিল। তবে হাসানই তাকে তাড়াতাড়ি চালানোর জন্যে উৎসাহ দিচ্ছিল। আনিকা তার জন্যে কলা ভবনের সামনে অপেক্ষা করছে। এমনিতেই দেরী হয়ে গেছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ছোকরা রিক্সাওয়ালা ১০-১২ বছরের ছোট একটি বাচ্চা ছেলের গায়ের উপর রিক্সা উঠিয়ে দিয়েছে। একটু সুযোগ পেলে অবশ্য হাসান কেটে পড়তে পারত। কিন্তু লোকজন এরই মধ্যে জটলা পাকিয়ে ফেলেছে। রক্তে বাচ্চাটির কাপড় চোপড় ভিজে যাচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আহারে কার বাচ্চা এমন করে এক্সিডেন্ট করল। চারদিক থেকে বিভিন্ন মন্তব্য ভেসে আসতে থাকে। তাড়াতাড়ি একে হাসপাতালে পৌঁছানো দরকার। দেখা যাচ্ছে লোকজন সবাই বেশ সহানুভুতি সম্পন্ন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;পাবলিক সেন্টিমেন্টস খুব ভয়ঙ্কর জিনিস। মারপিটের কাজ পাবলিক খুব ভাল পারে। আর পাবলিক একবার মার শুরু করলে ইন্নালিল্লাহি না পড়ে ক্ষান্ত হয় না। তাই খুব সাবধানে এগুতে হবে। চিন্তা ভাবনা করে চাল দিতে হবে। চালে ভুল হলে সর্বনাশ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;হাসান ঠাস ঠাস করে রিক্সাওয়ালা ছোকরার দুই গালে চড় বসিয়ে দেয়। ফাজিল তোকে কে বলেছিল এভাবে রিক্সা চালাতে। আমি বার বার করে তোকে সাবধান করলাম। তোরা হলি গিয়ে লাত্থি-উষ্টার মানুষ। মুখের কোন কথা তোদের ভাল লাগে না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;প্রথম পর্ব শেষ। এবার লোকজন ভাগানোর ব্যবস্থা করতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;হাসান চোখ মুখ করুন করে ফেলে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আহারে কোন মায়ের বুকের ধন। ভাইরা আসুন একটু সাহায্য করেন। একে হাসপাতালে পৌছানোর ব্যবস্থা করি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এবার কাজ হল। একজন দুইজন করে লোকজন আস্তে আস্তে কেটে পড়তে শুরু করল। শেষ পর্যন্ত হাসান আর রিক্সাওয়ালা রয়ে গেল।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;কে যায় উটকো ঝামেলাতে জড়াতে। রাস্তায় ভিড় করে এক্সসিডেন্টে আহত কোন ব্যক্তিকে দেখে আহা উহু করা এক জিনিস। এখানে যে কোন সময় কেটে পড়ার ব্যবস্থা রয়েছে। আর দায়িত্ব নিয়ে তাকে হাসপাতালে পৌছে দিয়ে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা আরেক জিনিস। এর মানেই হল বজ্র আঁটুনিতে আটকে পড়া। তার অভিভাবককে খবর দাও। বেশী আহত হলে পুলিশ এসে জেরা করবে। যত্তসব ফালতু দরবার।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;হাসান রিক্সাওয়ালা ছোকরাকে কেটে পড়তে ইশারা দিয়ে নিজেও কেটে পড়ার প্রস্তুতি নেয়। কিছুদূর গিয়ে পেছনে ফিরে দেখে ছোকরা তার গায়ের শার্ট খুলে বাচ্চাটির মাথার রক্ত মুছে দিচ্ছে। শালার মাথা খারাপ হয়ে গেছে নাকি। তাকে ঝামেলা থেকে বাচানোর চেষ্টা করছি আর সে কিনা গাধার মত কাজ করছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;হাসান হন হন করে এগিয়ে আসে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এ্যাই তুই বসে রয়েছিস কি মনে করে তাড়াতাড়ি ভাগ এখান থেকে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এ্যাইটুকু একটা বাচ্চারে এইভাবে একলা ফাল্যাইয়া চ্যইললা যামু। এরে হাসপাতালে না নিলে এতো মইরা যাইব।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;হাসানের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। ব্যাটা বলে কি। তুই হাতেম তাই এর শেষ বংশধর নাকি। এখন সমস্যা হচ্ছে রিক্সাওয়ালা ছোকরাকে কোনভাবেই নাড়ানো যাচ্ছে না। ফলে হাসানও যেতে পারছে না। কারণ এখন সে চলে গেলে সামান্য এই রিক্সাওয়ালার কাছে হেরে যেতে হবে। এটা কোন ভাবে মেনে নেয়া যায় না। কোথায় আমি হাসান একজন ইউনিভার্সিটিতে পড়া ব্রিলিয়ান্ট একজন স্টুডেন্ট আর কোথায় এই রিক্সা ড্রাইভার। যে কাজটা আমার করা দরকার তা এই ছোকরা করে ফেললে আমার তো মান সন্মান নিয়ে টানাটানি পড়ে যাবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;হাসান সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। হাসান বাচ্চাটাকে নিয়ে রিক্সার সিটে উঠে বসে। রক্তে অবশ্য হাসানের কাপড় নষ্ট হচ্ছে। কি আর করা। আনিকার সাথেও আজ আর দেখা হচ্ছে না। আজ হাসানের জন্মদিন। আনিকা তাকে উইশ করার জন্যে গিফট নিয়ে অপেক্ষা করছে। খুব রেগে যাবে। এমনিতেই আনিকা অল্পতেই রেগে অস্থির হয়ে যায়। হাসানের একবার মনে হয় সব ফেলে সে চলে যায়। কিন্তু সে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে রিক্সায় বসে থাকে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এ্যাই তুই কাছের কোন হাসপাতালে রিক্সা নিয়ে চল।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আনন্দে ছোকরার দাঁত বেরিয়ে পড়ে। মহা উৎসাহে সে রিক্সা টেনে নিয়ে চলে। হাসান বুঝতে পারছে না গর্দ্ধভটা এত খুশির কি দেখল।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সারাদিন হাসানের হাসপাতালেই কাটে। আজকাল হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসা করানোও মহা ঝামেলার ব্যাপার। কিভাবে এক্সসিডেন্টে হল। পেশেন্ট আপনার কি হয়। প্রভৃতি নানান ধরনের প্রশ্ন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বাচ্চাটির পকেটে তার স্কুলের আইডি কার্ড থাকাতে সেখান থেকে তার বাড়ির ঠিকানা নিয়ে তার মা-বাবাকে খবর দেয়া হয়েছে। তারা এসে পড়লে হাসানের ছুটি। বাকী ঝামেলা তারাই সামলাক। এর মধ্যে অবশ্য হাসান উধাও হয়ে যেতে পারত। কিন্তু বাচ্চার মা-বাবা অনুরোধ করেন তারা না আসা পর্যন্ত সে যেন হাসপাতালেই থাকে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বাচ্চার মা-বাবা চলে এসেছেন। মা থেকে থেকে চোখ মুছছেন। বাবা কয়েকটা পাঁচশত টাকার নোট হাসানের পকেটে গুজে দেন। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বাবা তুমি আমার ছেলের মত। আমাদের একমাত্র ছেলের জন্যে তুমি যা করলে তোমার এই ঋণ আমরা কখনও শোধ করতে পারব না। না হলে আজকাল কে কার জন্যে এতকিছু করে। শুধু চিকিৎসার খরচ বাবদ তোমাকে এই টাকা কটি দিলাম। ফিরিয়ে দিলে আমরা মনে খুব কষ্ট পাব।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;হাসান মনে মনে ভাবে এরা বোধ হয় জানে না তাদের ছেলে হাসানেরই রিক্সা দিয়ে এক্সসিডেন্টে করেছে। আর আসলেই তার হাসপাতালের ডাক্তার ওষুধ প্রভৃতির পেছনে অনেক টাকা চলে গেছে। তাই এই টাকা সে ফিরিয়ে দেবে এত বোকা সে নয়। তারপরও সে চেহারায় গোবেচারা একটি ভাব ফুটিয়ে তোলে যেন খুব অনিচ্ছা সত্বেও সে এই টাকা নিচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এবার বিদায়ের পালা। সৌজন্যমূলক দু একটা কথা বলে হাসান বিদায় নেয়। একটু পরে হাসান ঘাড় ফিরিয়ে দেখে মা-বাবা দু জনেই তার গমন পথের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। দু জনের চোখেই পানি টলমল করছে। সেন্টিমেন্টস জিনিসটা হাসান একদম সহ্য করতে পারে না। কিন্তু এই মুহূর্তে সব কেমন যেন এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। তাই সে তাড়াতাড়ি ঘাড় ফিরিয়ে নেয়। কারণ তাদের এই অশ্রু ভালোবাসার অশ্রু। এর দিকে বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকলে তার চোখও ভিজে আসবে। সে তার চোখের পানি কাওকে দেখতে দিতে চাচ্ছে না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বাইরে বেরিয়ে সে অবাক হয়, সেই রিক্সাওয়ালা ছোকরা এখনও রয়েছে। বাইরে বারান্দার এক কোনে বসে রয়েছে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;হাসান তাকে ধমক দিতে গিয়েও নিজেকে সামলে নেয়। রাগী গলায় বলে- কিরে তুই বসে আছিস কি মনে করে। তোরতো এমনিতেই সারাদিন কোন রোজগার হয়নি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;কেমন গাধা দেখ। ধমক শুনেও কি রকম দাঁত বের করে রেখেছে। যেন সারাদিন রোজগার না হওয়াটা কোন চিন্তার বিষয় না। হাসান ঘোর লাগা চোখে ছোকরার দিকে তাকিয়ে থাকে। এই সামান্য পুঁচকে ছোকরা নিজের অজান্তে আজ হাসানকে অনেক কিছু শিখিয়ে দিয়ে গেছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;হাসান তার পকেট থেকে পাঁচশত টাকার নোট কটি বের করে ছোকরার হাতে ধরিয়ে দেয়। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বাড়ী চলে যা। বাচ্চা ভাল আছে। তার মা-বাবা চলে এসেছেন। আর কোন চিন্তা নেই।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তাকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে হাসান হন হন করে হাঁটতে শুরু করে দেয়। একবারও সে পিছনে ফিরে তাকায় না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;** একদিন মা তার মধ্যে আরেকটি প্রাণের অস্তিত্ব অনুভব করে। ধীরে ধীরে মাতৃত্বের লক্ষণগুলি প্রকট হতে শুরু করে। মা প্রতিক্ষার প্রহরগুণে। তারপর একদিন বাবুটা পৃথিবীতে আসে। মা বাবুটাকে সর্বক্ষণ আগলে রাখে। তাকে নিয়ে মার কত স্বপ্ন। মার হাত ধরে সে হাঁটতে শিখে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;একসময় বাবুটা বড় হতে শুরু করে। দৈহিক উচ্চতায় একদিন মাকেও সে ছাড়িয়ে যায়। এখন আর মার দুর্বল হাতের তার আর কোন প্রয়োজন নাই। মা চেয়ে চেয়ে দেখে বাবুটা কত দ্রুত বদলে যাচ্ছে। দিনে দিনে দূরত্ব বাড়তে শুরু করে। এক সময় বাবুটা কেমন অচেনা হয়ে পড়ে। মা দীর্ঘশ্বাস ফেলে। দুই চোখ বেড়ে গড়িয়ে পড়ে অশ্রু। ভালোবাসার অশ্রু তার বাবুটার জন্য।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৯ মে বিশ্ব মা দিবস। আমার মনে হয় মা দিবস বলে আসলে আলাদা কোন কিছু নেই। বছরের সব দিনই হোক মায়ের জন্য। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-5505562351161933683?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/5505562351161933683/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=5505562351161933683' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/5505562351161933683'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/5505562351161933683'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2010/05/blog-post_12.html' title='ভালোবাসার অশ্রু'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S-ppS-Uy1II/AAAAAAAAATg/eYk01BWLgbM/s72-c/mother1.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-6388967873946317530</id><published>2010-05-08T14:39:00.001+06:00</published><updated>2010-05-08T14:40:11.806+06:00</updated><title type='text'>জাস্টিস!</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S-UjG_Ye7qI/AAAAAAAAATY/RuMl2c7MyYE/s1600/Justic+new.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S-UjG_Ye7qI/AAAAAAAAATY/RuMl2c7MyYE/s320/Justic+new.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১. যুক্তরাষ্ট্রের বেটি বুলক (বয়স ৬৪) নামে এক মহিলা ফুসফুস ক্যান্সারে মারা যান ২০০৩ সালে। তিনি টানা ৪৭ বছর ফিলিপ মরিস কোম্পানীর সিগারেট পান করেছেন। তিনি বুকে ব্যথা অনুভব করলে ২০০১ সালে ঐ কোম্পানীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। এর প্রেক্ষিতে লস এঞ্জেলেসের একটি আদালত ২০০২ সালে এক রায়ে ঐ কোম্পানীকে ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে বলেন। পরে কোম্পানী আপিল করলে আদালত সম্প্রতি চূড়ান্ত রায়ে ক্ষতিপূরণের অঙ্ক কমিয়ে ১ কোটি ৩৮ লাখ ডলার করেন এবং তা বুলকের মেয়েকে দেয়ার নির্দেশ দেন।– সূত্র: বিবিসি নিউজ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;২. অন্যায্যভাবে দাম নির্ধারণের জন্য যুক্তরাজ্যের ডজনখানেক সিগারেট কোম্পানী, চেইনশপ ও খুচরা বিপনন সংস্থাকে রেকর্ড পরিমাণ জরিমানা করেছে অফিস অব ফেয়ার ট্রেডিং (OFT)। প্রতিষ্ঠানটি সাত বছর ধরে তদন্ত করে দেখেছে সিগারেট কোম্পানীগুলি খুচরা বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলির সাথে গোপন কারসাজি করে বাজারে প্রতিযোগিতামূলক মূল্য ধরে রাখে। এতে মুক্তবাজার অর্থনীতির মৌল ধারনারই লঙ্ঘন হয়। এই অনৈতিক কর্মকান্ডের দায়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ২২ কোটি ৫০ লক্ষ পাউন্ড জরিমানা করেছে OFT। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১১ কোটি ২০ লক্ষ পাউন্ড জরিমানা গুণতে হয়েছে ইম্পেরিয়াল টোব্যাকো কোম্পানীকে। যুক্তরাজ্যে প্রতিবছর ১৩ বিলিয়ন ডলারের সিগারেট বিক্রি হয়। - সূত্র: গার্ডিয়ান, ১৯ এপ্রিল ২০১০।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;উপরের দুটি ঘটনার কোনটাই আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে ঘটেনি। কিন্তু সম্ভব। অনেকে হয়ত হাসিতে ভেঙ্গে পড়ছেন। যে দেশের সিগারেট কোম্পানীগুলি সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দাপটের সাথে ব্যবসা করে যাচ্ছে। মিডিয়াগুলিও যাদের বিরুদ্ধে টু শব্দ করার সাহস পায় না। তাদেরকে আবার করা হবে জরিমানা!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;নীচের নিউজ ২ টা দেখুন- &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১. কক্সবাজারের বাকশালী নদীর ফেরিঘাট বরাদ্দের টেন্ডার বাতিল করে রেট, টোল ও সীমানা নির্ধারণ করে পুনঃটেন্ডার আহবানের জন্য গত ১১ এপ্রিল হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু হাইকোর্টের এই নির্দেশ অমান্য করে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক গিয়াসউদ্দিন আহমেদ পূর্বের টেন্ডার বহাল রাখেন। আদালতের নির্দেশ অমান্য করে একাধিক আদেশ দেয়ায় গত ২০ এপ্রিল আদালত অবমাননার মামলা দায়েরের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট রুল জারি করে ও গিয়াসউদ্দিন আহমেদকে সশরীরে হাজির হবার নির্দেশ দেন। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আদালত অবমাননার অভিযোগে জেলা প্রশাসক গিয়াসউদ্দিন আহমেদকে ৩ ঘন্টা ৫ মিনিট আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। এই সময় হাইকোর্ট তাকে তীব্র ভাষায় তিরস্কার করে বলেন-তিনি আমাদের (আদালতের) একাধিক আদেশ অমান্য করেছেন। তিনি তো নিজেকে লর্ড ভাবেন। জেলা প্রশাসক জনসাধারণের গোলাম। তিনি তো জেলার মালিক নন। জনগণের সেবক। জনগণের করের টাকায় তিনি বেতন পান। এটা তাকে উপলব্ধি করতে হবে এবং আইন মেনে চলতে হবে। হাইকোর্টে আদেশ পাবার পরেও তিনি কিভাবে তা অমান্য করে ৪/৫ টি আদেশ দেন। তিনি আদালতের আদেশ অমান্য করে ধৃষ্টতার চরমে দেখিয়েছেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এ সময় গিয়াসউদ্দিন আহমেদের পক্ষের কৌসুলী বারবার ক্ষমা প্রার্থনা করলে আদালত তাকে শর্ত স্বাপেক্ষে ক্ষমা করে দেন। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধূরী ও বিচারপতি মো. দেলোয়ার হোসেনকে নিয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দেন। - সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক, ৩ মে ২০১০।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;২. পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়ায় সম্প্রতি সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনে পুরিশের নিস্ক্রিয়তার বিষয়ে ব্যাখা দিতে পুলিশ সুপার (এসপি) কে হাইকোর্ট থেকে গতকাল সকালে কোর্টে হাজির হবার নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু তিনি সে সময় না আসায় বিকেলে তাকে জরুরি তলব করে এনে কাঠগড়ায় দাঁড় করান বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি দেরোয়ার হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ।এ সময় এসপি নাফিউল তার কৃতকর্মের জন্য হাত জোড় করে ক্ষমা চাইলে আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে করা জনস্বার্থের একটি রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে এসপিকে আদালতে তলব করা হয়। মঠবাড়িয়ায় সম্প্রতি সংখ্যালঘুদের আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে তাদের নিজস্ব বাড়ি-ঘরে বসবাসে সুযোগ করে দিতে পিরোজপুরের এসপি ও মঠবাড়িয়া থানার ওসি কে গতকাল নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সূত্র: আমাদের সময়, ৭ মে ২০১০&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-যে দেশে বিচারের জন্য আদালতের পেছনে ঘুরতে ঘুরতে একটি লোক হয়ে পড়ে নিঃস্ব, তার  জীবনের বেশীরভাগ মূল্যবান সময় চলে যায় ন্যায় বিচার পাবার আশায় আশায়। সেখানে এ ধরনের খবর অবশ্যই আমাদেরকে আশাবাদী করে তোলে।  &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;** একটি দেশের আদালতের রয়েছে অফুরন্ত ক্ষমতা। কিন্তু আফসোস বিচারপ্রতিরা তা সব সময় প্রয়োগ করেন না।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-6388967873946317530?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/6388967873946317530/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=6388967873946317530' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/6388967873946317530'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/6388967873946317530'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2010/05/blog-post_08.html' title='জাস্টিস!'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S-UjG_Ye7qI/AAAAAAAAATY/RuMl2c7MyYE/s72-c/Justic+new.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-6594605122810477245</id><published>2010-05-05T16:32:00.000+06:00</published><updated>2010-05-05T16:32:04.824+06:00</updated><title type='text'>ঈশ্বরের ঠিকানা</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S-FI6wfWBqI/AAAAAAAAATQ/juVnujKJ4Og/s1600/may+flower.JPG" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S-FI6wfWBqI/AAAAAAAAATQ/juVnujKJ4Og/s320/may+flower.JPG" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;মাঝে মাঝে এই হাসপাতালের চার দেয়ালের ভিতরে কেমন দম বন্ধ হয়ে আসতে চায়। শাহেদ খুবই যুক্তিবাদী একটি ছেলে। সে কখনও প্রকৃতির মাঝে রহস্য খোঁজার চেষ্টা করেনি। প্রকৃতিতে রহস্য বলে কোন কিছু নেই। তার বিশ্বাস প্রকৃতিতে কোন কিছু এমনিতেই ঘটে না। সব কিছুর পেছনে একটি কারণ রয়েছে। যুক্তির বাইরে কোন কিছুতে সে কখনই বিশ্বাস করে না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বিশ্বব্রম্মান্ডের কোথাও কি এমন কোন শক্তি লুকিয়ে আছে যা এই মহাবিশ্বের সব কিছুকে নিয়ন্ত্রণ করছে। তার মতে এটা একদমই বাজে কথা। বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করে দেখিয়ে দিয়েছেন একটি বিন্দু থেকে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি। তারপর তা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে সৃষ্টি হয়েছে গ্রহ, নক্ষত্র আর সব কিছুর। যদিও এই থিওরি তার মনে জন্ম দিয়েছে অনেক অজানা সব প্রশ্নের। বিগব্যাং এর পূর্বে কি ছিল? প্রাণের সৃস্টি কিভাবে হল? নিজে নিজে যদি প্রাণের সৃষ্টি হয়ে থাকে তবে ল্যাবরেটরিতে কেন আমরা প্রাণ সৃষ্টি করতে পারছি না? তবে তার বিশ্বাস একদিন মানুষ এই সব প্রশ্নেরও উত্তর খোঁজে বের করে ফেলবে। তখন আর সৃষ্টির রহস্য বলে কোন কিছু থাকবে না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তার মতে ভাল মন্দের শিক্ষা দেয়ার জন্য ও সৎ জীবন যাপনের জন্য ধর্মগ্রন্থগুলি মানুষই বিভিন্ন সময়ে তৈরী করে গেছে। এখানে যে সৃষ্টিকর্তার কথা বলা হয়েছে তা শুধুই মানুষকে ভয় দেখাবার জন্য। যাতে করে তারা অন্যায় কাজ করতে ভয় পায়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ধীরে ধীরে শাহেদের জীবন রেখা সংক্ষিপ্ত হয়ে আসছে। সে ক্যান্সারে আক্রান্ত। ডাক্তার সময় বেঁধে দিয়েছেন। এগিয়ে আসছে মৃত্যু। এখন শুধু অপেক্ষার পালা। বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখিয়ে দিয়েছেন মানুষ অমর নয়, মরণশীল। শাহেদেরও তা ভাল করে জানা আছে। মরতেতো হবেই, একদিন আগে আর একদিন পরে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তারপরও মাঝে মাঝে মন বিদ্রোহী হয়ে উঠে। মনে হয় যদি এই বিশ্বব্রম্মান্ডের কোথাও কোন এক সুপার পাওয়ার থাকত, যে সব কিছুই করতে পারত তবে শাহেদ তার কাছে আরও কয়েকটা দিন সময় চাইতে পারত। ধুর, কি সব বোকা আস্তিকবাদীদের মতো সে চিন্তা ভাবনা করতে শুরু করেছে। সৃষ্টিকর্তা বলতে কোন কিছু নেই। মানুষ তার কল্পনার মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তাকে তৈরী করে নিয়েছে। সে নিজে একজন ঘোর নাস্তিকবাদী। তাহলে কেন সে এই সব যুক্তি ছাড়া জিনিস কল্পনা করবে। প্রকৃতির সব কিছু তার নিজস্ব নিয়মে চলবে। এখানে কারও ইচ্ছা অনিচ্ছায় কিছু যায় আসে না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আজ বাইরে বর্ষার প্রথম বৃষ্টি হচ্ছে। শাহেদ হাসপাতালের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকে। নিঃশ্বাসে ভেসে আসছে ভেজা মাটির ঘ্রাণ। গাছের পাতাগুলি সব বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে যাচ্ছে। আহা কত সাধারণ, কিন্তু আজ মনে হচ্ছে কি অপূর্ব একটি দৃশ্য। ইচ্ছা করলেও সে আজ বৃষ্টির পানি ছুতে পারবে না। ক্যান্সার তার সারা শরীরে বাসা বেধে ফেলেছে। এখন সে বিছানা থেকেই উঠতে পারে না। অনেক চেষ্টা করে তার হাতটুকু সামনে বাড়িয়ে দেয়। সে জানে এতদূর থেকে সে বৃষ্টি স্পর্শ করতে পারবে না। ধপ করে তার হাতটা বিছানার উপর এলিয়ে পড়ে ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;একসময় শাহেদের সব চিন্তা ভাবনা কেমন এলোমেলো হয়ে আসে। মাথায় আবার ভোতা যন্ত্রনা শুরু হয়। নিজের অজান্তেই মনে মনে বলতে থাকে-হে মহাশক্তি, আমাকে একবার শুধু ঐ জানালা পর্যন্ত পৌছার শক্তিটুকু দান কর। প্রাণপন চেষ্টা করে সে উঠে বসে। ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে থাকে জানালার দিকে। অনেক দিন পর আজ সে উঠে দাঁড়াতে পারছে। আরেকটু, তাহলেই সে পৌছে যেতে পারবে। অবশেষে সে পৌছতে পারে। শাহেদ চমকে উঠে। তাহলে কি কোন অদৃশ্য শক্তি তার মনের ইচ্ছা পূরণ করে চলেছে। শাহেদ হাত বাড়িয়ে দেয় জানালার বাইরে। কত দিন পর আজ বৃষ্টির স্পর্শ অনুভব করছে। আহ্ কি শান্তি। শাহেদের দুই চোখ ভিজে আসে। হায়! বেঁচে থাকা এত আনন্দের কেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ইস্ এখন যদি কোন মিরাকল ঘটত। ঐশ্বরিক কোন শক্তির কল্যাণে সে যদি হঠাৎ করে ভাল হয়ে যেত। তবে কি তার এত দিনের বিশ্বাসে চিড় ধরতে আরম্ভ করেছে। শাহেদ মাথা থেকে এ ধরণের চিন্তা সরিয়ে দিতে চেষ্টা করে। ঈশ্বর বলে কোন কিছুর অস্তিত্ব নেই। এ সব শুধুই মানুষের অবচেতন মনের কল্পনা। কিন্তু শাহেদের চোখ প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য অবলোকন করতে করতে কি যেন খোঁজে ফিরে। আকাশের সীমানা ছাড়িয়ে তার দৃষ্টি চলে যায় দূরে, আরো দূরে। এই বিশ্বব্রম্মান্ডের কোথাও কি তাহলে লুকিয়ে রয়েছে এমন কোন ঐশ্বরিক শক্তি বা ঈশ্বর যিনি সব কিছুকে নিয়ন্ত্রণ করছেন। যার জাদুর স্পর্শে সব কিছু বদলে যেতে পারে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;শাহেদ চোখ বন্ধ করে ফেলে। ফিস ফিস করে বলতে থাকে-হে অজানা ঐশ্বরিক শক্তি, আমাকে আর কয়েকটা দিনের আয়ু দান কর। আমি এই প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য আর কয়েকটি দিন দেখে যেতে চাই।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;শাহেদ মারা যায় এর কিছুক্ষণ পরই । একজন ক্যান্সার আক্রান্ত লোকের স্বাভাবিক মৃত্যু। কোন মিরাকল ঘটেনি । প্রকৃতিতে সব কিছু তার মত করে ঘটে। প্রকৃতি তার সব রহস্য মানুষের কাছে প্রকাশ করে না। স্রষ্টা সব সময় তার সৃষ্টি নিজের মত করে পরিচালনা করেন। স্রষ্টা তার সব ক্ষমতা মানুষকে দেখাতে পছন্দ করেন না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;(** মে ফ্লাওয়ার। শুধু মে মাসেই এই ফুল ফোটে। এই ফুলটিকে দেখে আমি হঠাৎ করে চমকে উঠি। বুঝতে পারি মে মাস এসে গেছে। এই সাইকেলের কোন ব্যতিক্রম ঘটে না। প্রকৃতি অনিয়ম পছন্দ করে না। মনে হয় যেন সামান্য এই ফুলের মাধ্যমে প্রকৃতি তার সীমাহীন ক্ষমতার একটি ক্ষুদ্র নমুনা আমাদের সামনে রেখে দিয়েছে।) &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-6594605122810477245?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/6594605122810477245/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=6594605122810477245' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/6594605122810477245'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/6594605122810477245'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2010/05/blog-post_05.html' title='ঈশ্বরের ঠিকানা'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S-FI6wfWBqI/AAAAAAAAATQ/juVnujKJ4Og/s72-c/may+flower.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-4653740899410461661</id><published>2010-05-04T13:04:00.001+06:00</published><updated>2010-05-04T13:07:43.843+06:00</updated><title type='text'>টিপস: কিভাবে অল্প সময়ের মধ্য একজন জনপ্রিয় লেখক হবেন।</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S9_GyzBg30I/AAAAAAAAATI/kJjcHqiyjdg/s1600/Evaluation.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S9_GyzBg30I/AAAAAAAAATI/kJjcHqiyjdg/s320/Evaluation.JPG" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;স্যার, আমায় চিনতে পেরেছেন?’&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ফাস্ট ইয়ার, সায়েন্স ডিপার্টমেন্ট। আমি আপনার সবগুলি ক্লাস নিয়মিত এটেন্ড করতাম।’&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-হ্যা, এই বার চিনতে পেরেছি। আমার সবগুলি পরীক্ষায় তুমি নিয়মিত ফেল মারতে। তা এখন কি করছ?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;‌এই স্যার, লেখালেখি করে পেট চালাই আরকি।‌’&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-আচ্ছা। তাহলে কেউ যদি তোমার পেটের দায়িত্ব নিয়ে নেয় তবে তুমি আর লেখালেখি করবে না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ঠিক তা নয় স্যার। আমার স্বপ্ন আপনার মত একজন জনপ্রিয় সাই-ফাই লেখক হওয়া।’&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-সাই বাবার নাম শুনে ছিলাম। সাই-ফাই আবার কি জিনিস, ঠিক বুঝলাম না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ও আল্লা! এটা আধুনিক সায়েন্স ফিকশন। সংক্ষেপে সাই-ফাই। আমার ধারণা সায়েন্সের ছাত্র হওয়াতে আমি এই লাইনে ভাল করব। তাই আপনার কাছে এসেছি একটি ভাল সায়েন্স ফিকশন নামাতে হলে কি কি লাগে তার টিপস জানতে।’&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-তোমার ধারণা বাজারের ফর্দ লেখার মত যে কেউ চাইলেই লেখালেখি শুরু করে দিতে পারে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;স্যার আমার এই স্ক্রিপ্টটা পড়লেই আপনি বুঝতে পারবেন আমি কত জাদরেল লেখক।’&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-ঠিক আছে তুমি রেখে যাও আমি সময় করে দেখব।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;স্যার আমি আপনাকে একটু পড়ে শুনাই।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এতো ভালই মুসিবতে পড়া গেল।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এক দল অভিযাত্রী উত্তর মেরু অভিযানে বের হয়েছে। জুল ভার্নের-ক্যাপটেন হ্যাটেরাস’ নামে এ রকম একটি কাহিনী আছে। আমারটা আরও ভয়াবহ। টেম্পেরেচার-২৯৯ ডিগ্রী সেঃ। যেখানে শূন্য ডিগ্রীতে পানি বরফ হয়ে যায়। তাহলে বুঝেন অবস্থা। কঠিন অবস্থা। সবার অবস্থা কেরাসিন। সব চেয়ে বেশী সমস্যা হচ্ছে পেশাব করা নিয়ে। কেউ পেশাব করতে পারছে না। পেশাব জমে বরফ হয়ে গেছে। তারপর……..’&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-থামো, আমরা ধারণা জুলভার্ন বেঁচে থাকলে তোমার এই কাহিনী শুনে নির্ঘাত সুইসাইড করার চেষ্টা করতেন। পদার্থ বিদ্যার সূত্র অনুযায়ী -২৭৩ ডিগ্রীর নীচে টেম্পেরেচার পৌছতে পারে না। সেখানে টেম্পেরেচার-২৯৯ ডিগ্রী সেঃ তুমি কোথায় পেলে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;স্যার, এবার তাহলে আরেকটা শুনাই। এবার একদল অভিযাত্রী মহাকাশ পর্যবেক্ষণে বের হয়েছে। নভোযান পৃথিবীর সীমা ছাড়িয়ে পৌছে গেল মহাকাশে। আমি জুলভার্নের- এ জার্নি টু দ্যা মুন’ গল্পটিকে কাট ছাট করে চালিয়ে দেব। কেউ ধরতে পারবে না। অভিযাত্রীদের মধ্যে রয়েছে এক পাড় মাতাল। এক মুহূর্ত এ্যালকোহল না হলে তার চলে না। পকেট থেকে একটু পর পর বোতল বের করে চুমুক দিচ্ছে। তারপর তারা নামল চন্দ্র পৃষ্টে। চাঁদে হাঁটা খুব কষ্টকর। একেক জনের পা যেন দশ মণ ভারী হয়ে রয়েছে। উঠতেই চায় না।’&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-স্টপ। লেখক চিৎকার দিয়ে উঠেন। আরে আগেতো সায়েন্স, তারপর না ফিকশন। মহাশূন্যে গিয়ে কেউ চুমুক দিয়ে তরল পান করছে এটাতো আমি বাপের জন্মে শুনিনি। কোন নভোযান যখন পৃথিবীর অভিকর্ষ বলকে অতিক্রম করে যাবে তখন মহাশূন্যে থাকা অবস্থায় ইচ্ছা করলেও বোতল থেকে উপুড় করে পানি ঢালা যাবে না। আর চন্দ্র পৃষ্টেও একই জিনিস ঘটবে। অভিকর্ষ বলের কারণে মানুষ তার ওজন হারাবে। অভিযাত্রীরা এমনিতেই নিজেদের ওজনশূন্য অনুভব করবেন। সেই জায়গায় পা দশ মণ ভারী হয়ে আছে-যত্তসব।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;স্যার তাহলে আরেকটা শুনাই।’&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আমাকে এবার মুক্তি দাও। আর তুমি অন্য লাইনে চেষ্টা কর।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;স্যার প্লীজ, এই লাস্ট। এবারের কাহিনী অতি আধুনিক । মেট্রিক্স ছবিতো আপনি নিশ্য়ই দেখে থাকবেন। অনেকটা তার ছায়া অবলম্বনে লেখা। আমার গল্পের নায়ক পুলিশ অফিসার ক্রিমিনল ধরতে ছুটে বেরাচ্ছে। পরনে তার বিশেষ পোশাক। নীল প্যান্ট, নীচে লাল আন্ডারওয়্যার দেখা যাচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-এক মিনিট। প্যান্টের নীচে তুমি কিভাবে আন্ডারওয়্যার দেখতে পেলে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এটা আধুনিক স্বচ্ছ পলিমারের প্যান্ট। আর আগের সুপারম্যান প্যান্টের উপরে আন্ডারওয়্যার পরত। কিন্তু আমার আধুনিক সুপার হিরো এত আবুল নয়। পাঠক যখন ভাবতে শুরু করে দিয়েছে পুলিশ ক্রিমিনাল ধাওয়া করছে এ আর এমন নতুন কি। তখনই আমি আসল চমক দেখাব। কারণ আমার হিরো কোন মানুষ নয়। মানুষের মত দেখতে একটি নবম স্কেলের রোবট।’&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-থামো। তুমি এই মুহূর্তে তোমার স্ক্রিপ্ট নিয়ে এখান থেকে বিদায় হবে। তুমি আর কিছুক্ষণ থাকলে আমাকেও জুলভার্নের মত অকালে বিদায় নিতে হবে। নীল প্যান্টের নীচে, লাল আন্ডারওয়্যার। রঙ্গীন কাপড়ের নীচে অন্য কোন রঙ্গীন কাপড় কাল দেখাবে। আর তুমি দেখছ লাল। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তুমি এই কঠিন লাইনে চেষ্টা বাদ দিয়ে প্রথমে হালকা মানের লেখা দিয়ে শুরু কর। যেমন- বাচ্চাদের ছড়া। প্রেমের কবিতা ইত্যাদি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ঠিক আছে স্যার, আমি পরবর্তীতে আরও ভাল স্ক্রীপ্ট নিয়ে আপনার কাছে আসব। আমাকে একজন ভাল সাই-ফাই লেখক হতেই হবে। ’&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এক বছর পর। এই লেখক এখনও পুরো দমে তার লেখালেখি চালিয়ে যাচ্ছেন। এখন তিনি বাংলা সিনেমার কাহিনী লেখেন। এখানে যুক্তি-অযৌক্তিক এর কোন বালাই নেই।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;নায়িকা রোড এ্যাকসিডেন্টে আহত। হাসপাতালে নেবার সময় নেই। রক্ত দরকার। নায়ক পকেট থেকে নেশা করার সিরিঞ্জ বের করে নিজের শরীরের রক্ত টেনে বের করে নায়িকার শরীরে ঢুকাতে শুরু করল। ব্লাড মেচিং এর কোন দরকার নেই। ভালোবাসার মাঝে রক্তের গ্রুপ কোন সমস্যা নয়। একটু পর নায়িকা চোখ মেলল। চৈত্রের ভর দুপুরে শুরু হল বৃষ্টি। আর তারসাথে বৃষ্টি ভেজা হেভী জোসীলা নাচ-গান।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;নায়ক গেয়ে উঠল- নেশা আছে হেরোইনে, নেশা আছে প্যাথেডিনে&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তারচাইতেও অধিক নেশা কইন্যা তোমার যৌবন সুধাতে…এ…এ…এ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;নায়িকা গেয়ে উঠল- আমার আঁচল উড়াইয়া নিল মরার বাতাসে &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আমার যৌবন ভাসিয়া গেল বৃষ্টির জলে….এ….এ….এ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এখানে একটি তিন ঘন্টা ছবি চলার মত কাহিনী হলেই চলে। আর কাহিনীরও তেমন কিছু নেই। কয়েকটি হিন্দী-ইংরেজী ছবির কাহিনী কাট-পেস্ট করে দিলেই চলে। বর্তমানে তিনি এখন জনপ্রিয় একজন কাহিনী লেখক।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;** সমস্ত ঘটনা কাল্পনিক। বাস্তবতার সাথে এর মিল খুঁজতে চাইলে যে কেউ নিজ দায়িত্বে তা করতে পারেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;(আইজাক আসিমভ একজন জাদরেল সায়েন্স ফিকশন লেখক। ‌ফাউন্ডেশন’ উনার বিশ্ব বিখ্যাত একটি উপন্যাস। বইটি কিনেছিলাম বহু আগে কিন্তু আজ পর্যন্ত শেষ করে উঠতে পারিনি। সম্ভবত এর কঠিন সব টেকনিক্যাল ব্যাপার স্যাপারের কারণে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আর্থার সি ক্লার্ক আরেকজন জাদরেল সায়েন্স ফিকশন লেখক। বর্তমানে বাস করছেন শ্রীলঙ্কায়। উনার বেশ কিছু চমৎকার গল্প রয়েছে কিন্তু বেশীরভাগ লেখাই আমার বোধগম্যের বাইরে। এটা লেখকের সমস্যা না, আমার সমস্যা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সায়েন্স ফিকশন এর সব পাঠকতো আর সায়েন্স এর বিষয়গুলি খুব ভাল ভাবে বোঝেন এমন নয়। তাহলে এই লেখাগুলি কি সাধারণ পাঠকদের জন্য নয়?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;জুল ভার্নের বেশীর ভাগ লেখাই আমি এক নিঃশ্বাসে পড়ে গিয়েছি। তিনি এডভেঞ্চার গল্পের ফাঁকে ফাঁকে সায়েন্স এর বিষয়গুলি বর্ণনা করে গেছেন। জাফর ইকবালের সায়েন্স ফিকশন বুঝতে খুব একটা কষ্ট করতে হয় না। সায়েন্স ফিকশন এর মধ্যে তিনি সাধারণ মানুষের মানবিক দিকগুলি ফুটিয়ে তুলেছেন। অথচ এই লেখাগুলিকে বিশ্ব বিখ্যাত সায়েন্স ফিকশনের সাথে এক কাতারে না ফেলে কোন উপায় নেই।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সম্ভবত বোদ্ধাদের মাঝে এই ধারণা চালু আছে যত কঠিন করে লেখা হবে সায়েন্স ফিকশন ততই উন্ততমানের হবে। পাঠক বুঝুক বা নাই বুঝুক। বাচ্চারা এটা তোমাদের জন্য নয়।)&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-4653740899410461661?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/4653740899410461661/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=4653740899410461661' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/4653740899410461661'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/4653740899410461661'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2010/05/blog-post_04.html' title='টিপস: কিভাবে অল্প সময়ের মধ্য একজন জনপ্রিয় লেখক হবেন।'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S9_GyzBg30I/AAAAAAAAATI/kJjcHqiyjdg/s72-c/Evaluation.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-189626676858479987</id><published>2010-05-03T16:11:00.003+06:00</published><updated>2010-05-04T13:18:05.819+06:00</updated><title type='text'>অন্ধকারের যাত্রী</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তুহিন তুই বোস, তোর ট্রেন তিন ঘন্টা পর আসবে- আমি আসছি।'&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আসলাম সেই যে উধাও হল এখন র্পযন্ত কোন খবর নেই।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তুহিনের মেজাজ ক্রমশ খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এই ভুতূড়ে স্টশেনে ট্ট্রেনের জন্যে কতক্ষণ বসে থাকতে হবে কে জানে। কয়েক দিন ধরে এমনিতেই তার দম ফেলার সময় নেই। তারপরও আসলামের বোনের বিয়েতে এক দিনের ছুটি নিয়ে এই মফস্বলে আসতে হয়েছে। আজই ঢাকা ফিরে যেতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এমনিতেই স্টেশনে তেমন লোকজন নেই তারপর মাথার উপরে টিমটিম করে যে স্বল্প পাওয়ারের বাল্ব জ্বলছে তাতে করে রাতের এই অন্ধকার তেমন দূর হচ্ছে না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সবচেয়ে অদ্ভূত ব্যপার হচ্ছে স্টেশনের বেঞ্চে তার পাশে বাইশ-তেইশ বছরের এক মেয়ে বসে রয়েছে। সম্ভবত এই ট্রেনেরই যাত্রী হবে। প্রথমে তুহনি ভূত ভেবে ভয় পেয়েছিল। নাহ্ ভূতের পা উল্টা হয়। এর পা ঠিকই আছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ভয়ে ভয়ে তুহিন জিজ্ঞেস করে, ‌আপনি কি ট্রেনের জন্যে অপেক্ষা করছেন? ট্ট্রেন তিন ঘন্টা লেট। আপনি একা আপনার সাথে কি আর কেউ নেই।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আপনার কোন অসুবিধা আছে। আর একা কই, আপনে আছেন না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তুহনি কিছুই বুঝতে পারে না। এই মেয়ের সমস্যা কি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;কি ব্যপার আপনে এই ভাবে তাকাই আছেন কেন? কোন সময় মেয়ে মানুষ দেখেন নাই।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আপনি এ রকম বাজে ভাবে কথা বলছনে কেন?-তুহিন অবাক হয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আমি বাজে মেয়ে, এই জন্যে বাজে ভাবে কথা বলছি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তুহিন হতভম্ব। কোন কথা বলতে পারে না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আপনে কি করেন? - মেয়েটি একটু পর জানতে চায়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আমি সফটওয়্যার বিক্রি করি। আর আপনি কি করেন?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আমি আত্না বিক্রি করি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বুঝলাম না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বেশী বুইঝা লাভ নাই। আপনের ঐ জিনিস কি ওয়্যার বিক্রি কইরা প্রতিদিন কত পান?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বিশ-পঞ্চাশ হাজার টাকার নীচে কোন সফটওয়্যার আমরা বানাই না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;মেয়েটির চোখে মুখে বিস্ময় ফুটে উঠে। জানেন আত্না বিক্রি কইরা প্রতিদিন আমি মাত্র ১০০-২০০ টাকা পাই।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আমি বুঝতে পারছি না আপনি কি বলছেন?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আপনে ভদ্রলোক তো তাই বুঝতে পারছনে না। আপনার মত ভদ্রলোকরা প্রতিদিন আমার কাছে আসে, তারার নোংরা হাত আমার গায়ে রাখে তারপর ঘন্টা হিসাব কইরা তারা আমার আত্না কিননা নেয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;হঠাৎ করে তুহিনের মনে হয় চারদিকে এতো খোলা বাতাস তারপরও সে ঠিক মতো নি:শ্বাস নিতে পারছে না। অনেক্ষণ পর জিঞ্জেস করে-তুমি এরকম এক অন্ধকার জীবন কেন বেছে নিলে?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;মেয়েটির মুখে বিষন্ন হাসি দেখা দেয়। কেউ কি আর ইচ্ছা কইরা এই জীবন বাইছা নেয়। সৃষ্টিকর্তা আমার ভাগ্যে এইটা রাখছেন। প্রতদিনি সকালে যখন আয়নায় নিজের চেহারা দেখি তখন খুব লজ্জা হয়। নিজেকে ঘৃণা করতে ইচ্ছা করে। তারপর আবার সব কিছু ভুইলা যাইতে হয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;দুনিয়াতে খাওয়ার কষ্ট সবচাইতে বড় কষ্ট। এর জন্যেই আপনে সফটওয়্যার বেচেন, আর আমি বেচি আত্না। দুইটাই ব্যবসা। পার্থক্য শুধু, একটা আলো আর একটা আঁধারের।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সৃষ্টিকর্তাকে দোষারোপ করছ কেন? তিনি তো কারো অমঙ্গল চান না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;শুনছি পরকালে দোজখে একটা লোকের বার বার মৃত্যু ঘটব, তারপর তারে বার বার জীবিত কইরা শাস্তি দেয়া হইব। আর এইখানে প্রতদিনি আমার আত্নার মৃত্যু ঘটে। এইটা সৃষ্টিকর্তার কেমন বিচার।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তুহিন কোন কথা বলতে পারে না। নিজের ভেতরে এক ধরনের শূন্যতা অনুভব কর। এটা কি এই মেয়ের জন্য? সে জানে না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;দীর্ঘশ্বাস ফেলে তুহনি বলে- আমি যদি তোমাকে ঢাকা নিয়ে যেতে চাই তবে কি তুমি আমার সাথে যাবে? অন্তত চেষ্টা করে দেখতে দোষ কি, নতুন ভাবে আবার সব কিছু শুরু করা যায় কিনা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ঢাকা তো আমি এই ট্রেনেই আপনার সাথে যাচ্ছি, কিন্তু তারপর আমি যাব আমার রাস্তায় আর আপনি আপনার পথে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;দেখ তুমি চাইলে আমি ঢাকাতে তোমার জন্যে কাজের ব্যবস্থা করে দিতে পারি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;উপরে তাকায় দেখেন ভোর হইয়া আসছে। ভোরের আলোয় রাতের অন্ধকারের কোন কথা আপনার মনে থাকব না। কারো থাকে না। মেয়েটির মুখে চাপা হাসি ফুটে উঠ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ভোররে আলো আঁধারের মাঝে তুহিনের মনে হয়, এ রকম র্স্বগীয় হাসি সে অনেক দিন দেখেনি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;(** একবার একজনের মন্তব্যে আমি খুব আহত হয়েছিলাম। উনার কথা ছিল সেক্স ইন্ডাস্ট্রি বিলিয়ন ডলারের ইন্ডাস্ট্রি। এটাকে কখনই পুরোপুরি বন্ধ করা যাবে না। সমাজে এর প্রয়োজনীয়তাও রয়েছে। সুতরাং এটা বন্ধ করা নিয়ে অযথা লাফালাফি করার কোন দরকার নাই।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আমি উনাকে শুধু একটা কথাই বলেছিলাম- ধরুন আপনার পরিবারের কেউ সেখানে রয়েছে তারপরও কি আপনি এই কথাই বলবেন। তিনি আরেকটু হলেই আমার উপর ঝাপিয়ে পড়তেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ফ্রান্সে বোরকা পড়লে ১০০০ ডলার জরিমানা। সম্প্রাত বেলজিয়ামেও রাস্তায় বোরকা পড়ে বের হবার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বোরকার পড়ার কারণে নাকি নারীদের স্বাধীনতা খর্ব হচ্ছে। একজন মুসলিম মহিলা যদি তার ধর্মীয় আবেগ থেকে কোন শালীন পোষাক বেছে নেয় তাহলে সমস্যা কোথায়। এমনতো না যে সেখানে মহিলাদের জোর করে বোরকা পড়তে বাধ্য করা হচ্ছে। স্বোচ্ছায় তারা এটাকে বেছে নিয়েছেন। তাহলে স্বাধীনতা খর্বের প্রশ্ন আসছে কোথা থেকে। আর যারা এই আইনটি পাশ করেছেন তারা এটা করার আগে কতজন মুসলিম মহিলার মতামত নিয়েছেন?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;হায় সভ্য দেশ! সভ্য দেশের আইন! বোরকা পড়লে নারীদের স্বাধীনতা, অধিকার খর্ব হয়। আর বিলিয়ন ডলারের সেক্স ইন্ডাস্ট্রি থাকলে কোন সমস্য নাই। এটাতে নারীদের অধিকার খর্ব হচ্ছে না।) &lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-189626676858479987?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/189626676858479987/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=189626676858479987' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/189626676858479987'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/189626676858479987'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2010/05/blog-post.html' title='অন্ধকারের যাত্রী'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-2132302800649568593</id><published>2010-04-20T14:44:00.004+06:00</published><updated>2010-04-20T17:24:50.722+06:00</updated><title type='text'>জনপ্রিয় ব্লগার হবার টিপস !</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S81peEGCubI/AAAAAAAAAMg/WGfCeKCvsOY/s1600/untitledd.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S81peEGCubI/AAAAAAAAAMg/WGfCeKCvsOY/s320/untitledd.JPG" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;‘স্যার, আমি কিভাবে আপনার মত একজন জাদরেল ব্লগার হতে পারব? অল্প দিনের মধ্যেই আপনার পেইজের হিটের সংখ্যা এক লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে। একটি গাধার আত্ন কাহিনী লিখে ব্লগে ছেড়ে দিলেও হিটের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যায়। শ দুয়েক মন্তব্য চলে আসে। বেশীর ভাগ ব্লগারের প্রিয় পোস্টের লিস্টে আপনার পোস্ট শোভা পায়। এটা কিভাবে সম্ভব হয়েছে?’&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-তুমি কি অল্প সময়ের মধ্যে একজন জনপ্রিয় ব্লগার হতে চাও?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;'জ্বী স্যার, কিন্তু আমি তো ভাল লেখতে জানি না।'&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-তোমাদের নতুন ব্লগারদের এই একটি সমস্যা। চট করে একটি কমেন্টস করে বসবে। তোমাকে কে বলেছে যে ভাল ব্লগার হতে হলে ভাল লেখালেখি জানতে হবে। এই পদ্ধতিতে আগালে কয়েক বছর লেগে যাবে তোমার কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌছাতে। আমার পলিসি হচ্ছে অল্প সময়ে অধিক মুনাফা অর্জন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;'স্যার, আমাকে তাহলে দয়া করে কিছু টিপস দিয়ে দেন।'&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-১ম টিপস: লগ ইন টা জরুরী। আমি অনেক সময় টানা কয়েক দিন লগ ইন অবস্থায় থাকি। তবে মনে করো না যে লগ ইন করে থাকা মানে তোমাকে সারাক্ষণ কম্পিউটারের সামনে বসে থেকে খাওয়া ,বাথরুম সেখানেই সারতে হবে। লগ ইন করে তুমি হাওয়া হয়ে গেলে কেউতো আর তোমাকে দেখতে পাচ্ছে না। কিছু ব্লগ সাইটে ঢুকলে কিছু ব্লগারকে তুমি সব সময় লগ ইন অবস্থায় পাবে। তোমার মনে নিশ্চয়ই প্রশ্ন জাগছে এরা তাহলে ঘুমায় কখন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-২য় টিপস: তোমার কয়েকটা নিক থাকতে হবে। মানুষের যেমন কয়েকটি নাম থাকে। অফিসে এক নাম, বাড়ীতে এক নাম, গার্লফ্রেন্ড এর কাছে এক নাম। একটি পোস্ট দিবে তারপর নিজের অন্য একটি নিক থেকে সেই পোস্টে মন্তব্য করবে। মন্তব্য আর কিছুই নয়: + পিলাস দিলাম। এখানে আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার করলে হৃদয়ের টান বাড়ে। সবশেষে পোস্ট নিয়ে যাবে প্রিয় পোস্টের তালিকায়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-৩য় টিপস: আস্তিক নাস্তিক বিষয়ক পোস্ট। আস্তিক বিষয়ক পোস্ট হলে ড. জাকির নায়েকের কিছু বক্তব্য তুলে ধরা যেতে পারে। ইউ টিউব থেকে নিয়ে আসলেই হবে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আর নাস্তিক বিষয়ক পোস্ট হলে আরজ আলী মাতুব্বর এর নাস্তিকের ধর্ম কথা থেকে কিছু অংশ তুলে ধরতে হবে। জাস্ট, কপি পেস্ট করে দিলেই হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-৪র্থ টিপস: ধর্ম বিষয়ক পোস্ট। বাজার থেকে অখ্যাত কিছু মৌলানাদের সম্পাদিত হাদিসের সংকলন সংগ্রহ করা যেতে পারে। এর মধ্য থেকে যে সব হাদিস নিয়ে বেশী বিতর্ক রয়েছে সেগুলি দেয়া যেতে পারে। যেমন- ইসলামে পর্দা প্রথা, নারীর অধিকার, মাজার প্রসঙ্গ ইত্যাদি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-৫ম টিপস: ১৮ + কৌতুক। এ ব্যাপারে তোমার আদর্শ হতে পারেন সাবেক সাপ্তাহিক হায় হায় ম্যাগাজিনের সম্পাদক। তিনি সেক্সকে রীতিমতো শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যেতে সমর্থ হয়ে ছিলেন। আর না হলে নেটে এ্যাডাল্ট জোকস এরতো কোন কমতি নেই সেখান থেকে দুই একটা মেরে দিলে কেউ বুঝতে পারবে না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;'স্যার, আমি এভাবে জনপ্রিয় ব্লগার হতে চাই না। একজন ব্লগার এখানে লেখবে তার আনন্দের জন্য। একজন মমতা নিয়ে একটি পোস্ট দিবে অন্যরা সেখানে মন্তব্য করবে। ভাল লাগলে ভাল বলবে, নতুবা খারাপ লাগার কারণ ব্যাখা করবে। অবশ্যই তা শালীন এবং যৌক্তিক ভাবে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;জঙ্গলে একটি হরিণ সব সময় হিংস্র প্রাণীদের ভয়ে আতংকগ্রস্থ হয়ে থাকে। এই বুঝি কোন বাঘ তার ঘাড়ে লাফিয়ে পড়ল। অরণ্যের যে একটু নিজস্ব সৌন্দর্য রয়েছে একটি হরিণ কখনই তা উপলব্ধি করতে পারে না। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তেমনি আমাদের মত নতুন ব্লগাররা আপনার মত ব্লগারদের কারণেই এখানে লেখালেখি করতে ভয পায়। এই বুঝি কোন একটা পোস্ট বা মন্তব্যে আমি কোন ভুল করে ফেললাম। আর বিন্দুমাত্র দেরী না করে সবাই আমার উপর ঝাপিয়ে পড়ল। ব্লগের যে একটা নিজস্ব চমৎকার পরিবেশ রয়েছে আপনাদের কারণে আমরা তা উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হই। আমরা ভুলে যাই প্রত্যেকেই আমরা এখানে মায়ার এক অদৃশ্য বন্ধনে আবদ্ধ। আবার এমন ব্লগারও এখানে আছেন যারা খুব সাধারণ একটি পোস্ট নিয়ে যে মন্তব্যটুকু করেন তা অনেক সময় হৃদয় ছুয়ে যায়। তাদের জন্যেই অনেক সময় লেখতে ইচ্ছে করে।'&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-ব্যাটা ফাজিল তুই তাহলে এতক্ষণ আমার এত সময় নষ্ট করলি কেন। তুমি জান জিন্দা লাশ, মরা গাধা, জানের দুশমন- এগুলি কাদের নিক?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;'না স্যার, আমি জানি না।'&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-তুমি কি ছাতার ব্লগার হে। কিছুই দেখি জান না। এরা সবাই বড় বড় ব্লগার। এরা আমার পদ্ধতি অনুসরণ করে অল্প সময়ের মধ্যে জনপ্রিয় ব্লগারে পরিণত হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;'স্যার, আপনি কি জানেন পরাণ ব্ন্ধু কার নিক?'&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-না, আমি জানি না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;'আপনিও দেখি কিছুই জানেন না। এটা হচ্ছে আপনার পাশের ভাড়াটিয়ার নিক।'&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-তো, এটার সাথে আমার কি সম্পর্ক?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;'আপনি যখন ব্লগে আপনার রেটিং বাড়াতে ব্যস্ত থাকেন, তখন এই ভদ্রলোক আপনার বউ এর সাথে ডেটিং এ ব্যস্ত থাকে।'&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;** এই পোস্টটি রিপোস্ট। রিপোস্ট করার কারণটি বলছি। সকাল বেলা ফোনের শব্দে ঘুম ভেঙ্গে গেল। কাঁচা ঘুম ভাঙ্গাতে মেজাজ খুব খারাপ। ফোন করেছে প্রবাসী এক বন্ধু। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বন্ধুর হুংকার-তোরা কি শুরু করেছিস।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বেচারা মরুর দেশে পড়ে আছে। আরবরা এমনিতেই বাঙ্গালীদের দেখতে পারে না। নিশ্চয়ই কোন সমস্যা হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আমি উদ্বিগ্ন গলায় জানতে চাই-কি হয়েছে?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বন্ধু অনেক্ষণ হৈ চৈ করল। সারমর্ম যা বুঝলাম- জার্মানির আন্তর্জাতিক সম্প্রচার কেন্দ্র ডয়চে ভেলে বেস্ট অফ ব্লগস বা সেরা ব্লগ প্রতিযোগিতার ষষ্ঠ আসরের চূড়ান্ত বিজয়ীদের নাম ঘোষণার পর বিভিন্ন ব্লগে যে সব উল্টা পাল্টা মন্তব্য করা হচ্ছে তাই তার রাগের কারণ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বন্ধুর পুনরায় হুংকার-আমি ভাবতাম আরবরা বর্বর অসভ্য। অথচ দেখ্ এখানে এই প্রতিযোগিতা নিয়ে তাদের কি উচ্ছাস। মিডিয়া থেকে শুরু করে সবাই ঝাপিয়ে পড়েছে কিভাবে আরবী ব্লগকে সব ভাষার ব্লগের মধ্যে শ্রেষ্ট করা যায়। প্রতিযোগিতায় কারা কারা আছে এটা তাদের কাছে মূখ্য নয়, মূখ্য হচ্ছে নিজের ভাষাটাকে যে কোন ভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। বিশ্বকে দেখিয়ে দিতে হবে আমরাও পারি। আমি তাদের এই আবেগে মুগ্ধ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আমি মিনমিন করে বলি-আমরাও উচ্ছাসিত।  &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আমার সাথে ফাজলামি করলে একটা চড় খাবি। তোদের ব্লগে যে সব আজে বাজে মন্তব্য করা হচ্ছে তোদের কি ধারণা আমরা প্রবাসীরা এইগুলি দেখে খুব আনন্দিত হচ্ছি। বিদেশীরা এমনিতেই আমাদের দেখতে পারে না। তারা যখন এইগুলি সম্পর্কে আমাদের কাছে জানতে চায় আমরা কোন উত্তর দিতে পারি না। এমনিতেই তারা আমাদের কাছে অনেক সময় জানতে চায় আমাদের দেশে ইলেকট্রিসিটি, খাবার পানি আছে কিনা। কারণ বাংলাদেশ থেকে সাহায্য চেয়ে তাদের দেশে যে সব ভিডিও পাঠানো হয় তাতে শুধু বন্যা আর জলোচ্ছাসে ঘর-দোর ভাসিয়ে নেয়ার ছবি। অথচ আমরা আবার তাদের কাছে বড় গলায় বলি বাঙ্গালী আবেগপ্রবণ জাতি। তোদের মোটা মাথায় কেন ঢুকছে না এটা করে তোরা প্রবাসী বাঙ্গালীদের বিব্রতকর অবস্থায় ফেলছিস। বাংলাকে তালিকাভুক্ত করতে দেরি হয়নি এরমধ্যেই তোদের ক্যাচাল শুরু হয়ে গেছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আমি তো তো করে বলার চেষ্টা করি-কিন্তু এদের দাবীওতো একেবারে উড়িয়ে দেয়ার মত না। তাদের মতে এমন অনেক ব্লগকে সিলেক্ট করা হয়েছে যেখানে ভিজিটর নাই, হিটের সংখ্যা নগন্য। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বন্ধু একটি গালি (সেন্সর) দিয়ে শুরু করল-সবচেয়ে বেশী হিট এবং ভিজিটরের আনাগোণা থাকে পর্ণো সাইটগুলিতে। ফাজিলের ফাজিল তোদের দরকার ছিল সেখান থেকে একটাকে বিজয়ী করা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt; &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আমি পাল্টা যুক্তি হাতড়াতে শুরু করি। তার আগেই বন্ধুর রিসিভার আছড়ে ফেলার শব্দ আমি এত দূর থেকেও স্পষ্ট শুনতে পাই।&lt;i&gt;&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;i&gt;(এটি জাস্ট একটি ফান পোস্ট। একে গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করার কোনই প্রয়োজন নাই।) &lt;/i&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-2132302800649568593?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/2132302800649568593/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=2132302800649568593' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/2132302800649568593'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/2132302800649568593'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2010/04/blog-post_20.html' title='জনপ্রিয় ব্লগার হবার টিপস !'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S81peEGCubI/AAAAAAAAAMg/WGfCeKCvsOY/s72-c/untitledd.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-6197484688544187953</id><published>2010-04-17T15:21:00.001+06:00</published><updated>2010-04-19T14:43:48.658+06:00</updated><title type='text'>শ্রেষ্ঠ বাংলা ব্লগ এবং কিছু কথা।</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S8l9XYkIgFI/AAAAAAAAAMY/qX9drrgB_rA/s1600/untitled.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S8l9XYkIgFI/AAAAAAAAAMY/qX9drrgB_rA/s320/untitled.JPG" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;‌'কি করা হয়?'&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-কিছু করা হয় না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;'এইটা কেমন কথা বললা। একজন ঝাড়ুদারওতো কিছু না কিছু করে। ঝাড়ু দিয়া আবর্জনা দূর করে।' &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-আমি ব্লগিং করি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;'এইটা আবার কোন ধান্দাবাজি।'&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-আমি লিখি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;'কোন পত্রিকায়?'&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-কোন পত্রিকায় না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;'তাইলে কি বাজারের ফর্দ লেখ।'&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-ঐ যে বললাম। আমি ব্লগে লেখি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;'বুঝাইয়া বল।'&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-ব্লগ হচ্ছে একটি ইন্টারনেট ভিত্তিক সাইট। যেখানে সবাই তাদের চিন্তা ভাবনা শেয়ার করতে পারে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;'কেমন টাকা পয়সা দেয়।'&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-কোন টাকা পয়সা দেয় না। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;'তাইলে এখানে সময় নষ্ট করার দরকার কি। বাসে কান পাকার ওষুধ বিক্রি করলেওতো কিছু পয়সা কঁড়ি পাওয়া যায়।'&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-এখানে আমরা নিজের আনন্দের জন্য লিখি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;'ভাল। পেট খালি থাকলেও যে আনন্দ করা যায় জানা ছিল না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তা কি লেখা হয়। নতুন কোন ছবি মুক্তি পাইল। কোন নায়িকা কোন নায়কের সাথে পলায়ন করিল।'&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-কোন নির্ধারিত একটি বিষয়ের উপরে এখানে লেখা হয় না। দৈনন্দিন ঘটনাবলি থেকে শুরু করে এমন কোন বিষয় নাই যা নিয়ে এখানে আলোচনা করা হয় না। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;'তাইলে পত্রিকা আর নিউজ চ্যানেলগুলি কি বইসা বইসা মাছি মারব।'&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-আপনি পত্রিকায় কোন খবর পরদিন সকালে জানতে পারছেন। আর টিভি চ্যানেলের কোন খবরের তাৎক্ষণিক কোন প্রত্রিক্রিয়া আপনি জানাতে পারছেন না। কিন্তু ব্লগে এটা সম্ভব। আপনি প্রতি মুহূর্তে বিভিন্ন ঘটনাবলি জানতে পারছেন এবং সাথে সাথে আমরা আমাদের প্রত্রিক্রিয়া জানাতে পারছি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;'ভাল। কিন্তু বিনা পারিশ্রমিকে এইসব কইরা লাভ কি।'&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-এটা একটা ভার্চুয়াল জগত। এখানে আমরা কেউ কাউকে চিনি না। তারপরও সবাই এক মায়ার অদৃশ্য বাধনে বাঁধা। মনে হয় হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যাবে। কি দেশ থেকে কি বিদেশ থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে একজন আরেক জনের সাথে বিতর্কে জড়িয়ে পড়ি। এই ঝগড়া করছি আবার পরক্ষণেই মমতামাখা হাত বাড়িয়ে দিচ্ছি। এই অনুভূতিকে কোন কিছুর সাথে তুলনা করা যাবে না। এ অনেকটা বর্ষার প্রথম ভেসে আসা ভেজা মাটির গন্ধের মত। বৃষ্টিতে ভেজা কদম ফুলের স্পর্শ। ছেলেবেলার মত বৃষ্টির পানিতে ভাসানো কাগজের নৌকার খেলা। আকাশে ভেসে বেড়ানো মেঘের খেলা। সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের সময় মায়াবী আলোর খেলা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;'ব্যাস ব্যাস আর বলতে হবে না। বুঝাই যাচ্ছে অনেক খেলাধুলা হয় এখানে। ঠিক আছে চালাই যাও। তোমার জন্য বিনা পয়সায় উপদেশ হচ্ছে-যতই তর্ক বির্তক কর না কেন সবার আগে মানুষকে শ্রদ্ধা করতে শিখ। মানুষকে ভালবাস তার মতামতকে সন্মান কর। না হলে কখনই একজন ভাল ব্লগার, সর্বোপরি একজন ভাল মানুষ হতে পারবা না।'&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;** বেস্ট অফ ব্লগস বা সেরা ব্লগ প্রতিযোগিতার ষষ্ঠ আসরের চূড়ান্ত বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করলো জার্মানির আন্তর্জাতিক সম্প্রচার কেন্দ্র ডয়চে ভেলে৷ যাতে আলী মাহমেদ-এর ব্লগ উঠে এলো শ্রেষ্ঠ বাংলা ব্লগ হিসেবে৷ &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;অভিনন্দন এই প্রতিযোগিতার সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে। যারা অংশগ্রহণ করেছেন। যারা ভালবাসার ভোট দিয়েছেন। আমি এই প্রতিযোগিতা সম্পর্কে জানতে পারি অনেক পরে। সম্ভবত আরও ব্যাপক প্রচারনার দরকার ছিল। মনিটরের পর্দায় অন্যান্য ভাষার সাথে যখন আমার বাংলা ভাষাকে ধ্রুব তরার মত জ্বল জ্বল করে জ্বলতে দেখি তখন কি এক অজানা আনন্দে বুক ভরে আসে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;একটা জিনিস আমাকে খুব আহত করছে। বিভিন্ন ব্লগে এই প্রতিযোগিতা নিয়ে কিছু ব্লগার বিরূপ মন্তব্য করছেন। এটা করে এইসব ব্লগারদের যারা ভোট দিয়েছেন তাদের ভালবাসাকে অসন্মান করা হচ্ছে। কে কোন দলের, কে কোন সাইটে লেখেন এইসব দেখেতো আর আমরা তাদের ভোট করিনি। আমার বাংলা ভাষা বিশ্বের অন্যান্য ভাষার সাথে প্রতিযোগিতা করছে এটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় কথা। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এভারেস্টের চূড়ায় অন্য দেশের পতাকার সাথে আমার দেশের পতাকাও উড়ছে। পতাকা যে বাঁশের মাথায় বাঁধা সেটা কোন ধরণের বাঁশ এটাতো আমাদের দেখার দেরকার নাই। যিনি এই পতাকা সেখানে নিয়ে গেছেন তিনি কি ঘোড়া না গাধায় চড়ে হিমালয় পাড়ি দিয়েছেন এটা নিয়েতো বিতর্ক করার কোন প্রয়োজন দেখি না। &lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;যে কাজটা আমি করতে পারিনি সেটা আরেকজন করে দেখিয়ে দিয়েছেন। &lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt; অন্য দেশের পতাকা নিয়েতো কোন বিতর্ক নাই। তবে সমস্ত বিতর্ক আমার দেশের পতাকা নিয়ে কেন। সব দেশের পতাকার সাথে আমার দেশের পতাকাও সমান তালে উড়ছে এরচেয়ে বড় আনন্দের আর কি হতে পারে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-6197484688544187953?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/6197484688544187953/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=6197484688544187953' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/6197484688544187953'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/6197484688544187953'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2010/04/blog-post_17.html' title='শ্রেষ্ঠ বাংলা ব্লগ এবং কিছু কথা।'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S8l9XYkIgFI/AAAAAAAAAMY/qX9drrgB_rA/s72-c/untitled.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-560419116830506995</id><published>2010-04-05T15:20:00.002+06:00</published><updated>2010-04-05T15:30:25.581+06:00</updated><title type='text'>টোব্যাকো</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mrPf6ipII/AAAAAAAAAJI/gwFj5IaAP2A/s1600/22.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mrPf6ipII/AAAAAAAAAJI/gwFj5IaAP2A/s320/22.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বিগত অনেক বছর যাবত প্রতি বছর বাংলাদেশে সর্ব্বেচ্চ ভ্যাটদাতা কোম্পানীর দুর্লভ সন্মান লাভ করে একটি বহুজাতিক টোব্যাকো কোম্পানী। অবস্থা দৃষ্টে মনে হয় এই সব কোম্পানীগুলিই বোধহয় দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রেখেছে। এই ভ্যাটের টাকাটা আসলে কে দিচ্ছে ঐ কোম্পানী না কি এই টাকাটা জনগণের পকেট থেকে কেটে রাখা হচ্ছে। প্রতি শলাকা সিগারেটের জন্য সরকারকে যে ভ্যাট দিতে হয় তা কোম্পানী কনজুমারদের কাছ থেকে আদায় করে নিচ্ছে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7msEJvux5I/AAAAAAAAAJQ/NRR7hHzi4BU/s1600/1.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7msEJvux5I/AAAAAAAAAJQ/NRR7hHzi4BU/s320/1.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১. জাতীয় আয়ের এক শতাংশ ব্যায় হচ্ছে সিগারেটের পেছনে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7msfCiTAjI/AAAAAAAAAJY/Xy0kHD2MbIE/s1600/3.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7msfCiTAjI/AAAAAAAAAJY/Xy0kHD2MbIE/s320/3.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;২. দেশে প্রতি বছর ধুমপান জনিত বিভিন্ন রোগে মারা যায় প্রায় ৫৭,০০০ জন। আরও প্রায় ২ লক্ষ লোক বিভিন্ন ধরণের রোগে আক্রান্ত হয়। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mskW7l3PI/AAAAAAAAAJg/OavsAlqPQf4/s1600/4.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mskW7l3PI/AAAAAAAAAJg/OavsAlqPQf4/s320/4.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৩. যত টাকা সরকারের রাজস্ব আদায় হচ্ছে তার চেয়ে বেশী টাকা চলে যাচ্ছে চিকিৎসা খাতের পেছনে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7msnpRgYoI/AAAAAAAAAJo/zWervmvsaB0/s1600/5.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7msnpRgYoI/AAAAAAAAAJo/zWervmvsaB0/s320/5.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৪. তামাক ব্যবহারের কারণে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার পেছনে খরচ হয়ে বছরে পাঁচ হাজার কোটি টাকারও বেশী। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7msqnm53NI/AAAAAAAAAJw/iDF9YELXSzc/s1600/6.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7msqnm53NI/AAAAAAAAAJw/iDF9YELXSzc/s320/6.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৫. তামাক থেকে সরকার যে রাজস্ব পায় তা বাদ দিলে বছরে বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের ফলে প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৬. বাংলাদেশে ১৯৯৪-১৯৯৫ সালে দেশে উৎপাদিত সিগারেটের পরিমাণ ছিল ১৬০০ কোটি শলাকা যা ২০০৯-২০১০ সাল নাগাদ বেড়ে দাঁড়ায় ২৫০০ কোটি শলাকা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mstTnTrnI/AAAAAAAAAJ4/jqY_hi-wumQ/s1600/7.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://4.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mstTnTrnI/AAAAAAAAAJ4/jqY_hi-wumQ/s320/7.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৭. জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ কতৃপক্ষের সূত্র অনুযাযী দেশে মোট জনসংখ্যার ৪৩.৩ শতাংশ তামাক ব্যবহার করে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7msxF4YSDI/AAAAAAAAAKA/oMOn1Q-usEs/s1600/8.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://4.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7msxF4YSDI/AAAAAAAAAKA/oMOn1Q-usEs/s320/8.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৮. তামাক চাষে ব্যবহার হয় ৪৯ হাজার হেক্টর জমি। উৎপাদিত হয় ৯৮ হাজার টন তামাক। বেসরকারী হিসাবে এর পরিমাণ অন্তত আরও তিনগুণ বেমী।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7ms0r_4k2I/AAAAAAAAAKI/FjdfT2-ksqg/s1600/9.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7ms0r_4k2I/AAAAAAAAAKI/FjdfT2-ksqg/s320/9.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৯. একজন ধূমপাযী গড়ে প্রতিদিন ৫টি সিগারেট খান। সেই হিসাবে একজন ধূমপায়ী সিগারেটের পেছনে মাসে খরচ করেন গড়ে ৩৭৮ টাকা। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7ms8Re9neI/AAAAAAAAAKQ/JclxB2JDVTY/s1600/10.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7ms8Re9neI/AAAAAAAAAKQ/JclxB2JDVTY/s320/10.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১০. রংপুর, কুষ্টিয়া, মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইলসহ দেশের অন্তত বিশটি জেলায় তামাক চাষ হচ্ছে। বিভিন্ন বিড়ি ও সিগারেট কোম্পানী চাষীদের বিনামূল্যে বীজ, সার, কিটনাশক দিয়ে সহায়তা করছে। অন্য যে কোন ফসলের চেয়ে কৃষকের তামাক চাষে তিনগুণ বেশী লাভ হয়। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7ms_dixm3I/AAAAAAAAAKY/HAXB8-3qk4k/s1600/11.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7ms_dixm3I/AAAAAAAAAKY/HAXB8-3qk4k/s320/11.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১১. বেসরকারি সংস্থা ওয়ার্ক ফর বেটার বাংলাদেশ এ সিনিয়র প্রজেক্ট অফিসার আমিনুল ইসলাম সুজন বলেন, বাংলাদেশে তামাক চাষের প্রসারের ফলে শাক-সবজির আবাদ কমায় এসব নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে। বৃহত্তর রংপুরে মঙ্গার জন্য তামাক চাষ দায়ী উল্লেখ করে তিনি বলেন-অর্তনীতিতে বিরুপ প্রভাব ফেলছে তামাক।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mtCnHlwkI/AAAAAAAAAKg/_xQ14NluL8E/s1600/12.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mtCnHlwkI/AAAAAAAAAKg/_xQ14NluL8E/s320/12.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১২. তামাক চাষীরা থাকে সবচেয়ে ঝুকির মধ্যে। ত্বকের ক্যান্সার এর মধ্যে অন্যতম। সিগারেট কোম্পানীগুলি বাড়তি মুনাফার লোভ দেখিয়ে অন্য ফসলের পরিবর্তে চাষীদের তামাক চাষে উৎসাহিত করছে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mtF7SesDI/AAAAAAAAAKo/1CsUa_4fI2A/s1600/13.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mtF7SesDI/AAAAAAAAAKo/1CsUa_4fI2A/s320/13.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১৩. সিগারেটে মোট ৩০০০ এরও উপরে বিভিন্ন ধরণের ক্ষতিকর উপাদান রয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mtIyMe35I/AAAAAAAAAKw/KPkl8KZvG2A/s1600/14.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mtIyMe35I/AAAAAAAAAKw/KPkl8KZvG2A/s320/14.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১৪. ধূমপান হার্ট এ্যাটাক, স্ট্রোক, ফুসফুস ক্যান্সার, মুখের ক্যান্সার, ব্রংকাইটিস, এর ঝুকি বাড়ায়। ধূমপায়ীদের তামাকের ধোয়ার আশে পাশে যারা থাকে তারাও সমান ঝুকির মধ্যে থাকে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mtLvYUfKI/AAAAAAAAAK4/s-6ebyf8vJw/s1600/15.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mtLvYUfKI/AAAAAAAAAK4/s-6ebyf8vJw/s320/15.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১৫. টোব্যাকো কোম্পানীগুলির মূল টার্গেট হচ্ছে ৩০ বছরের নীচের ধূমপায়ীরা। কারণ এরা হবে ভবিষ্যতের দীর্ঘমেয়াদী সম্পন্ন ভোক্তা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mtQF7G7PI/AAAAAAAAALA/IPg87kTYo-c/s1600/16.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mtQF7G7PI/AAAAAAAAALA/IPg87kTYo-c/s320/16.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১৬. World Health Organization (WHO) এর মতে ২০০৪ সাল নাগাদ বিশ্বে ধূমপানজনিত কারণে ৫.৪ মিলিয়ন লোকের মৃত্যু ঘটেছে। এই আনুপাতিক হারে বিশ শতকের মধ্যে ১০০ মিলিয়ন লোক ধূমপানজনিত কারণে মারা যাবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mtT5VYu3I/AAAAAAAAALI/rEn_NLRF52A/s1600/17.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mtT5VYu3I/AAAAAAAAALI/rEn_NLRF52A/s320/17.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১৭. ২০০০ সাল পর্যন্ত সারা বিশ্বে ধূমপায়ীর সংখ্যা ছিল ১.২২ বিলিয়ন। ২০১০ সাল নাগাদ তা বেড়ে দাঁড়ায় ১.৪৫ বিলিয়ন। ২০২৫ সাল নাগাদ তা বেড়ে দাঁড়াবে ১.৯ বিলিয়ন।  &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mtXx8-yxI/AAAAAAAAALQ/Q1pp5ZFvXwc/s1600/18.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mtXx8-yxI/AAAAAAAAALQ/Q1pp5ZFvXwc/s320/18.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১৮. ২০০২ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী সারা বিশ্বে শতকরা ২৫ ভাগ কিশোর (যাদের বয়স ১৩ থেকে ১৫ বছর) ধূমপানে আসক্ত। ৮০০০০ থেকে ১০০০০০ শিশু প্রতিদিন ধূমপানে আসক্ত হচ্ছে। এর মধ্যে অর্ধেক শিশু এশিয়ান। এর মধ্যে অর্ধেক হচ্ছে আগামী ২০ থেকে ৩০ বছরের জন্য একেক জন ভোক্তা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mta1ZbpCI/AAAAAAAAALY/a4G1RYlhVZA/s1600/19.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mta1ZbpCI/AAAAAAAAALY/a4G1RYlhVZA/s320/19.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১৯. WHO এর মতে ২০০৪ সালে ৫৮.৮ মিলিয়ন লোকের মৃত্যু ঘটে এর মধ্যে ৫.৪ মিলিয়ন লোকের মৃত্যু হয় তামাক জনিত কারণে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mtdQbDIFI/AAAAAAAAALg/lIQqKLFnLCI/s1600/20.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://4.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mtdQbDIFI/AAAAAAAAALg/lIQqKLFnLCI/s320/20.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;২০. প্রচারণার পেছনে সিগারেট কোম্পানীগুলি প্রতি বছর ১২.৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে থাকে। এর বেশীর ভাগই ব্যয় হয়ে থাকে তৃতীয় বিম্বের দেশগুলিতে যেখানে টোব্যাকো সংক্রান্ত আইনগুলি তুলনামূলকভাবে শিথিল।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mthousDqI/AAAAAAAAALo/pRdfANMgges/s1600/21.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mthousDqI/AAAAAAAAALo/pRdfANMgges/s320/21.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;২১. একজন ধূমপায়ী পুরুষ এর জীবন থেকে গড়ে ১৩.২ বছর এবং একজন ধূমপায়ী মহিলার জীবন থেকে গড়ে ১৪.৫ বছর আয়ু হারিয়ে যাচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mtqF1ppYI/AAAAAAAAAL4/Zp0MIZI21VY/s1600/Copy+.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mtqF1ppYI/AAAAAAAAAL4/Zp0MIZI21VY/s320/Copy+.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;২২. বিশ্বব্যাংক পরিচালিত এক জরিযপ দেখা ১০ শতাংশ হারে তামাকের মূল্য বৃদ্ধির ফলে উন্নত বিশ্বে তামাকের ব্যবহার চার শতাংশ কমে। আর বাংলাদেমের মত উন্নয়শীল দেশে তামাকের ব্যবহার কমে ৮ শতাংশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ কান্ট্রি অফিসের ন্যাশনাল প্রফেশনাল অফিসার ডা. এম মোস্তফা জামান এর মতে দেশে তামাকের ব্যবহার বাড়ার পেছনে অন্যতম কারণ হচ্ছে অন্য দ্রব্যের তুলনায় বিড়ি, সিগারেটের দাম বৃদ্ধি না পাওয়া। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তথ্য ষূত্র: উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন পত্রিকা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ছবি সূত্র: ইন্টারনেট।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-560419116830506995?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/560419116830506995/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=560419116830506995' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/560419116830506995'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/560419116830506995'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2010/04/blog-post_05.html' title='টোব্যাকো'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S7mrPf6ipII/AAAAAAAAAJI/gwFj5IaAP2A/s72-c/22.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-653946425891114899</id><published>2010-04-04T16:06:00.000+06:00</published><updated>2010-04-04T16:06:08.399+06:00</updated><title type='text'>আই.কিউ</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ইংলিশ মিডিয়ামে পড়া এক বাচ্চার মা গর্ব করে বলছেন- আমার বাচ্চা বংলা লেখা দেখলে জানতে চায়-মম এটা কি বাংলা। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বাবাও চোখ বড় বড় করে বলতে শুরু করেন-বাসায় আমরা বাচ্চাদের সামনে তেমন একটা বাংলা বলি না। ইংরেজীতে ভাল দখল না থাকার কারণে আমরা দিন দিন পিছিয়ে পড়ছি। ইংরেজী হচ্ছে অভিজাত একটি ভাষা। সারা পৃথিবী জুড়ে এর ব্যবহার। বাচ্চাদের ছোট বেলা থেকেই ইংরেজী শিক্ষা দিতে হবে। না হলে গোড়া দুর্বল থেকে যাবে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এই মাথা মোটাদের আমি কোন ভাবেই বোঝাতে পারি না যে, ইংরেজী হচ্ছে আর দশটা ভাষার মতই বিদেশী একটি ভাষা। আগে নিজের মার্তৃ ভাষার চর্চা তারপর কারো যদি শখ থাকে তবে সে অন্য কোন বিদেশী ভাষার চর্চা করতে পারে। নিজের ভাষা না জেনে অন্য ভাষা বলার মধ্যে কোন গৌরবের ব্যাপার নাই। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বাংলাই সম্ভবত পৃথিবীর একমাত্র ভাষা যার জন্য মানুষ প্রাণ দিয়েছে। এবং ঐ দিনটিকে আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা হিসেবে পালন করা হয়। ইংরেজরা দুইশত বছর এ দেশ শাসন করে গেছে। ফলে তাদের চিন্তাধারা এখনও আমাদের মাঝে রয়ে গেছে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ডি.জে, ভি.জে, আর.জে এই জিনিসগুলি কি আমার বুঝতে অনেক দিন সময় লেগেছে। এরা বাংলা-ইংরেজী মিশিয়ে নতুন একটা ভাষার উদ্ভাবন করছে। হাই ফ্রেন্ডস, সো ভিউয়ারস, সো লিসেনারস কি যেন বলছিলাম.... কোন এক বিচিত্র কারণে কিছুক্ষণ এদের বকবক শুনলে আমার মাথা ভার হয়ে যায়। দুই চোখ আপনিই ঘুমে বুজে আসতে চায়। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আমাদের মাথায় কোন ভাবে ঢুকে গেছে ব্রিটিশ শিশুরা আমাদের বাচ্চাদের চেয়ে টলার, স্ট্রংগার, শার্পার (সম্ভবত বেশী হরলিক্স খাবার কারণে।)। এদের সব কিছু আমাদের অনুকরণ করে যেতে হবে। আমরা অপেক্ষায় আছি কখন আমাদের বাচ্চারা ব্রিটিশ শিশুদের মত হড়বড় করে ইংরেজী বলতে পারবে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ব্রিটিশ শিশুদের আই.কিউ এর কিছু নমুনা-&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ওয়ানপোল জরিপ সংস্থা অনলাইনে ব্রিটেনের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক হাজার শিক্ষার্থীর উপর জরিপ চালায়। জরিপের ফলাফল নিম্নরূপ:&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১. প্রশ্ন: টেলিফোনের আবিস্কারক কে?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;উত্তর: শতকরা দশ জনের উত্তর ছিল:&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ক. রানী এলিজাবেথ। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;খ. চার্লস ডারউইন। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;গ. নোয়েল এন্ডমন্ডস।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;২. প্রশ্ন: চন্দ্রপৃষ্টে প্রথম পা দেয়া ব্যক্তির নাম কি?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;উত্তর: শতকরা বিশ জনের উত্তর ছিল:&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ক. স্টার ওয়ারস সিনেমার প্রধান চরিত্র লুকে স্কাইওয়াকার। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;খ. শিল্পপতি রিচার্ড ব্রানসন। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৩. প্রশ্ন: স্যার আইজাক নিউটন কি আবিস্কার করেছেন?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;উত্তর: জরিপে অংশ নেয়া এক তৃতীয়াংশের উত্তর ছিল:&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ক. স্যার আইজাক নিউটন আগুনের আবিস্কাররক।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;জরিপে অংশ নেয়া ষোল শতাংশের উত্তর ছিল:&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ক. স্যার আইজাক নিউটন ইন্টারনেটের আবিস্কারক।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ক. স্যার আইজাক নিউটন সৌর পদ্ধতি আবিস্কার করেছেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;খ. স্যার আইজাক নিউটন আমেরিকা আবিস্কার করেছেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পক্ষে প্রচারণা চালানো বার্মিংহাম সায়েন্স সিটির ড. পাম ওয়াডেল বলেছেন, জরিপের কিছু ফলাফল হাস্যকর। শিশুরা বিজ্ঞানের হিরোদের চেয়ে সিনেমার হিরোদের বেশী চেনে। বিজ্ঞানীর পরিবর্তে এরা নামকরা গায়কদের ব্যাপারে আগ্রহী বেশী। মজার ব্যাপার হচ্ছে ৯ থেকে ১০ বছরের ৭০ শতাংশ শিশু আবার বিজ্ঞানে নোবেল পাওয়ার ব্যাপারে অনেক আগ্রহী। ১১ থেকে ১৫ বছরের শিশুদের মধ্যে এই হার আবার ৩৩ শতাংশ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;পাদ টিকা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একবার লন্ডন গেছেন। ইংল্যান্ডে প্রবাসী বাঙ্গালীদের মধ্যে কাড়াকাড়ি পড়ে গেছে কে কার আগে রবি ঠাকুরের সাথে দেখা করবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এক বাঙ্গালী যুবক দীর্ঘ আট বছর ধরে লন্ডনে ব্যারিস্টারী পড়ছে। পাশ আর করা হয়ে উঠেনি। এটা নিয়ে তার কোন মাথা ব্যাথাও নেই। কারণ তত দিনে সে ইংরেজদের আদব কায়দা ভালই রপ্ত কর নিয়েছে। সে আসল রবি ঠাকুরের সাথে দেখো করতে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;প্রথম সাক্ষাতেই সে উনার সাথে ইংরেজীতে কথাবার্তা বলা শুরু করে দেয়। এবং কথায় কথায় জানিয়ে দেয় দীর্ঘ দিন এদেশে থাকার কারণে বাংলা প্রায় সে ভুলেই গেছে তারচেয়ে ইংরেজীতে সে বেশী অভ্যস্ত। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যুবকের মুখের দিকে তাকিয়ে বলেন-বাঙ্গালীর ছেলে বাংলা বলতে ভুলে গেছ, এ কথা জানাবার আগে লজ্জা বোধ করা উচিত ছিল। কিন্তু তুমিতো দেখছি ইংরেজীটাও ভাল করে রপ্ত করতে পারনি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;** রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদাহরণ দেয়ার আরেকটি কারণ হচ্ছে-ব্রিটিশ সরকার একবার সিদ্ধান্ত নিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নাইট উপাধিতে ভূষিত করা হোক। তখন সারা ভারতজুড়ে চলছিল ইংরেজ বিরোধী আন্দোলন। তাই রবি ঠাকুর ব্রিটিশদের কাছ থেকে এই উপাধি গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান। তা না হলে আজকে আমাদের বলতে হত-স্যার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।  &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তথ্য সূত্র: বিবিসি নিউজ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-653946425891114899?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/653946425891114899/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=653946425891114899' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/653946425891114899'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/653946425891114899'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2010/04/blog-post.html' title='আই.কিউ'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-7455248099377971470</id><published>2010-03-31T16:49:00.000+06:00</published><updated>2010-03-31T16:49:46.789+06:00</updated><title type='text'>বিখ্যাতদের পাঠশালা</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ছোট বেলায় দেখা সত্যজিত রায়ের অমর সৃষ্টি হীরক রাজার দেশের সেই পাগলা রাজার কথা এখনও মনে আছে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;‘জ্ঞানের কোন শেষ নাই, জ্ঞানের চেষ্টা বৃথা তাই। আজ থেকে তাই পাঠশালা বন্ধ।'&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তখন মনে হয়েছিল ইস্ যদি সত্যি সত্যি সব পাঠশালা বন্ধ হয়ে যেত তবে কত মজাই না হত। রোজ রোজ বিরক্তিকর স্কুলে যাবার কোন ঝামেলাই তাহলে আর থাকত না। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আজ অনেক বছর পর মনে হয হায় কোথায় হারিয়ে গেল শৈশবের সেই সব সোনালী দিনগুলি। যদি সুযোগ থাকত তবে আমি সৃষ্টিকর্তার কাছে যে কোন কিছুর বিনিময়ে আমার সেই সব সাদামাটা শৈশবের দিনগুলি ফেরত চাইতাম। সেই সব স্কুল পালানো দিনগুলি। সেইসব আনন্দ বেদনার মুহূর্তগুলি এখনও তাড়া করে ফেরে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;স্কুল পালানোর কথা বললেই অনেক বোদ্ধারা চোখ কোঁচকে ফেলবেন। কিন্তু অনেক বিখ্যাতদেরও রয়েছে পড়ায় ফাঁকি দেয়া, স্কুল পালানো এবং স্কুল থেকে বহিস্কারের ইতিহাস। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১. জেমস নেগল ফারসন: একজন আমেরিকান লেখক। উনাকে ফিলিপস অ্যকাডেমি থেকে বহিস্কার করা হয়েছিল। এক বদমেজাজী প্রশিক্ষককে পুকুরে ছুড়ে ফেলতে তিনি সাহায্য করে ছিলেন। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;২. অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ: বড় হয়ে হতে চেয়েছিলেন গুন্ডা, কবি, দার্শনীক। শেষ পর্যন্ত এর কোনটাই হতে পারেননি। উনার বড় বড় নরম কান দুটি ক্লাস শিক্ষকের খুব প্রিয় ছিল। তাই ছোটবেলায় স্কুলে থাকতে শিক্ষকের বেতের বাড়ির বদলে উনাকে সব সময় কান মলা খেতে হয়েছে। ক্লাসে শিক্ষক প্রবেশ করেই ফিল্মি রংবাজ স্টাইলে উনার দুই কানের উপর ঝাপিয়ে পড়তেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৩. বেনিতা মুসোলিনি: ৯ বছর বয়সে স্কুলের এক শিক্ষক তাকে স্কেল দিয়ে বাড়ি দিলে তার দিকে কালির দোয়াত ছুড়ে মারেন। সে যাত্রা রক্ষা পেলেও পরবর্তীতে এক ছাত্রের নিতম্বে ছুরি মারার অপরাধে বিদ্যালয় থেকে বহিস্কৃত হন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৪. লিও ট্রটস্কি: একজন রাশিয়ান কমিউনিস্ট নেতা। ১০ বছর বয়সে স্কুলে শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে জোরে চিৎকার করতে বন্ধুদের উৎসাহ জোগান। ফলস্বরুপ বিদ্যালয় থেকে বহিস্কার।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৫. উইলিয়াম রেগুলফ হার্স্ট: আমেরিকান পত্রিকা প্রকাশক। স্কুলের পত্যেক শিক্ষককে একটি করে প্রস্রাবের পটি পাঠান। প্রতিটি পটিতে অলংকরন করে দেন সেই শিক্ষকের নাম আর ছবি। ফলে হার্ভাড থেকে হন বহিস্কৃত।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৬. এডগার অ্যালান পো: পর পর কয়েক সপ্তাহ ক্লাস করতে অস্বীকৃতি জানান। ফলে বিদ্যালয় থেকে করা হয় বহিস্কার। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৭. বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন: ছেলেবেলায় শিক্ষকরা উনাকে লেজী ডগ বলে সম্বোধন করতেন। তাদের ধারণা এই কুঁড়ের বাদশা ছেলে বড় হয়ে কোন কাজেই লাগবে না। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৮. লেখক হুমায়ূন আহমেদ: ক্লাস ওয়ানের প্রথম ক্লাসে মারামারি করে এক ছাত্রের সামনের একটি দাঁত ভেঙ্গে ফেলেন। ফলে হেডমাস্টার সাহেব উনাকে কান ধরে সারাক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার নির্দেশ দেন। ছাত্রছাত্রীদের উপদেশ দেন-এ মহাগুন্ডা। তোমরা সাবধানে থাকবে। খুব সাবধান। পুলিশের ছেলে গুন্ডা হওয়াই স্বাভাবিক। প্রথম শ্রেণীতে যতদিন তিনি ছিলেন প্রতিদিনই কোন না কোন কারণে উনাকে কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;দ্বিতীয় শ্রেণীতে উঠার পর একদিন ক্লাসের এক সুন্দরী বালিকার কাছে গম্ভীর ভাবে জানতে চান বড় হয়ে সে তাঁকে বিযে করতে রাজী আছে কিনা। ফলে শিক্ষকের কাছে নালিশ এবং যথারীতি কপালে জোটে দুই হতে দুইটা ইট নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার শাস্তি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৯. আহসান হাবীব: প্রখ্যাত কার্টুনিস্ট। ছেলেবেলায় ভর্তি হন কুমিল্লা জিলা স্কুলে। ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষক জানতে চান-হাউ ওল্ড আর ইউ?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তিনি সগর্বে উত্তর দেন-নো আই এ্যাম নট ওল্ড।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;শিক্ষক হেসে ফেলে বলেন-বাহ তুইতো ইংরেজীতে দারুণ ভাল রে!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সংগৃহীত&lt;/span&gt;&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-7455248099377971470?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/7455248099377971470/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=7455248099377971470' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/7455248099377971470'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/7455248099377971470'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2010/03/blog-post_892.html' title='বিখ্যাতদের পাঠশালা'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-3694468134631353371</id><published>2010-03-31T10:38:00.002+06:00</published><updated>2010-03-31T10:38:38.314+06:00</updated><title type='text'>বিখ্যাতদের আরও কিছু মজার ঘটনা।</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;১. শার্লক হোমসের অমর স্রষ্টা স্যার আর্থার কোনান ডয়েল প্যারিসে বেড়াতে গেছেন। একটা ট্যাক্সিতে উঠতেই ট্যাক্সি চালক তাঁকে&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;প্রশ্ন করল-কোথায় যাবেন মিস্টার ডয়েল? &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আর্থার কোনান ডয়েল অবাক হয়ে জানতে চাইলেন-তুমি আমাকে চিনলে কি করে?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ড্রাইভার উত্তর দিল-কাগজে দেখেছিলাম লেখক স্যার আর্থার কোনান ডয়েল প্যারিসে এসেছেন। আর আপনার ডান হাতে আঙ্গুলে কালি লেগে আছে দেখে বুঝলাম যে আপনি লেখক। তাছাড়া আপনার চালচলন পোশাক দেখেই বুঝেছি যে আপনি নির্ঘাত ইংরেজ। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বাহ, তোমার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা যে আমার শার্লক হোমসের চেয়েও বেশী। সামান্য কয়েকটা লক্ষণ দেখেই তুমি আমাকে চিনে ফেললে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;অবশ্য আপনাকে চিনতে আরও একটা ব্যাপার সাহায্য করেছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সেটা কি? উৎসুক হয়ে কোনান ডয়েল জানতে চান।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আপনার হাতের ব্যাগের গায়ে বড় বড় করে আপনার নাম লেখা রয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;২.  রানাঘাটের জমিদার গোপাল চৌধুরী ছিলেন ভীষণ মোটা। একবার তিনি হাতির পিঠে চড়ে পার্শ্ববর্তী জমিদারের নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে যান। গোপাল চৌধুরীকে দেখতে লোকের ভীড় জমে যায়। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;হাসতে হাসতে চৌধুরী সাহেব বললেন-কিহে তোমাদের গাঁয়ের লোকেরা কি এর আগে কখনও হাতি দেখেনি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;প্রতিবেশী জমিদারও কম যান না। তিনি উত্তর দেন-হাতি ওরা অনেক দেখেছ্ েকিন্তু হাতির পিঠে হাতি তারা আগে কখনও দেখেনি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৩.  প্রাচীন গ্রীক কবি ফিলেমোন একদিন দুপুরে খেতে এসে দেখেন যে একটি গাধা তার জন্য রাখা সব খাবার খেয়ে নিচ্ছে। ঘটনাটি দেখে উনার ভীষণ হাসি পায়। হাসি এতই বেদম আকার ধারণ করে যে একটু পর হেচকি উঠে মারা যান দুর্ভাগা কবি। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৪. আলবার্ট আইনস্টাইন পৃথিবী বিখ্যাত বিঙ্গানী হলেও তাঁর চালচলন ছিল একেবারেই সাধাসিধে। এমনকি তিনি ট্রেনে চলাফেরা করতেন তৃতীয় শ্রেণীর কামরায়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;একবার বেলজিয়ামের রানী তাঁকে ব্রাসেলস এ নিমন্ত্রণ করলে তিনি যথারীতি সাধারণ বেশে তৃতীয় শ্রেণীর কামরায় চেপে এসে নামলেন স্টেশনে। নেমে দেখলেন বেজায় ভিড়। ভিড়ের ফাঁক-ফোঁকর গলে তিনি কোন রকমে বাইরে বেরিয়ে হেঁটে এসে পৌছালেন রানীর প্রসাদে। রানী তো হঠাৎ করে আইনস্টাইনকে এভাবে সামনে দেখে হতভম্ব। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তিনি কোন মত বললেন-প্রফেসর আইনস্টাইন, আপনি এবাবে হেঁটে আসলেন, অথচ আপনাকে আনতে আমি স্টেশনে গাড়ী আর লোকজন পাঠালাম।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;হবে হয়ত বললেন আইনস্টাইন। স্টেশনে তাহলে ভিড় বাধিয়েছিল আপনার পাঠানো লোকেরাই। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৫. প্রখ্যাত নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ তার ‘সেন্ট জোন’ নাটকের প্রথম মঞ্চায়নের রাতে উপস্থিত থাকবার জন্য স্যার উন্সটন চার্চিলকে দুটি টিকেট পাঠান। সাথে একটি চিরকুট লিখে পাঠান- একটি টিকেট আপনার আর অন্যটি আপনার বন্ধুর জন্য। তবে আদৌ যদি আপনার কোন বন্ধু থেকে থাকে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;চার্চিলও শ কে একটি চিঠি পাঠান। তাতে লেখা ছিল- মঞ্চায়নের  প্রথম রাতে উপস্থিত হতে পারছি না বলে দুঃখিত। সম্ভব হলে দ্বিতীয় রাতের জন্য টিকেট পাঠাবেন। অবশ্য আদৌ যদি আপনার নাটকের দ্বিতীয় রাত বলে কোন কিছু থেকে থাকে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৬. প্রখ্যাত ইংরেজ লেখক সমারসেট মম বৃদ্ধ বয়সে ভীষণ অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তার এক ভক্ত ফোন করে উনার কাছে জানতে চাইল-কিছু ফুল আর ফলমূল পাঠালে তিনি তা গ্রহণ করবেন কিনা। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;উত্তরে মম বলেন-ফলমূল পাঠাবার ক্ষেত্রে বলতে হয় তুমি বড্ড দেরী করে ফেলেছ। আর ফুল পাঠাবার সময় এখনও আসেনি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৭. ইউলিসিস খ্যাত লেখক জেমস জয়েস এর কাছে একদিন এক তরুণ ভক্ত এসে বলল-যে হাত দিয়ে আপনি ইউলিসিস এর মত মহৎ সাহিত্যকর্ম রচনা করেছেন সেই হাতে কি আমি একবার চুমু খেতে পারি?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;না-উত্তর দিলেন জয়েস। কারণ এই হাতে আমি অনেক মন্দ কাজও করেছি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৮. ধনাঢ্য ব্যবসায়ী জন ডেভিড রকফেলারের ব্যক্তিগত জীবন ছিল খুব সাধাসিধে। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি অর্থ উপার্জন করেছিলেন বলে অযথা অপব্যায়ে তার মন সায় দিত না। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;একবার ওয়াশিংটন ডিসিতে গিয়ে তিনি একটি হোটেলের সবচেয়ে কমদামী কক্ষটি নিজের জন্য ভাড়া করেন। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;হোটেলের ম্যানেজার একদিন বলে বসে-স্যার আপনার ছেলে যখন এই হেটেলে আসে তখন সবচেয়ে দামী কক্ষটি ভাড়া নেন। অথচ আপনি সবচেয়ে কমদামি কক্ষটি ভাড়া নিলেন কেন?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;রকফেলার জবাব দেন-কারণ আমার ছেলের বাবা পয়সাঅলা লোক। কিন্তু আমার বাব ছিলেন নিতান্তই গরীব।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৯. ভারতে জন্মগ্রহণকারী নোবেল বিজয়ী ইংরেজ লেখক রুডইয়ার্ড কিপলিং যে পত্রিকাটির গ্রাহক ছিলেন সেখানে একবার ভুলবশত কিপলিং এর মৃত’্য সংবাদ ছাপা হয়। সংবাদটি পড়ে তৎক্ষণাৎ কিপলিং পত্রিকা সম্পাদককে চিঠি লিখলেন-আপনার পত্রিকা মারফতে জানতে পারলাম যে আমার মৃত্যু হয়েছে। তাই দয়া করে আপনাদের গ্রাহক তালিকাটা  থেকে আমার নামটি বাদ দিয়ে দিবেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১০. একবার ব্রিটিশ পুলিশ এক চোরকে খুঁজে বেড়াচ্ছিল যার চেহারার সাথে তখনকার প্রধানমন্ত্রী জন মেজরের চেহারার অনেক মিল ছিল। পুলিশ চোরের ছবি দিয়ে ধরিয়ে দিন বিঞ্জাপনও ছাপিয়েছিল।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;লোকে জন মেজরকেই চোর ভেবে ভুল করতে পারে ভেবে তারা বিঞ্জাপনের নিচে লিখে দিল-প্রধানমন্ত্রী নন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সংগ্রহ: আসমার ওসমান সম্পাদিত বিখ্যাতদের সত্যি জোকস।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-3694468134631353371?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/3694468134631353371/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=3694468134631353371' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/3694468134631353371'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/3694468134631353371'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2010/03/blog-post_8439.html' title='বিখ্যাতদের আরও কিছু মজার ঘটনা।'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-6517984738685851029</id><published>2010-03-31T10:35:00.002+06:00</published><updated>2010-03-31T10:35:59.457+06:00</updated><title type='text'>কিছু নতুন পুরাতন জোকস!</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১. আমার কাছে সত্যই একটা ব্যাপার হাসির মনে হয় যখন শুনি মানুষ প্রশ্ন করে যে ভালবেসে বিয়ে করা ভাল নাকি পারিবারিক ভাবে বিয়ে করা ভাল। আমার কাছে মনে হয় একজন যেন অন্য একজনকে প্রশ্ন করছেঃ আত্মহত্যা ভাল নাকি খুন হওয়া ভাল।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;২. মাঝরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল স্ত্রীর। চোখ পিটপিট করে তাকিয়ে দেখলেন, স্বামী বিছানায় নেই। বিছানা থেকে নেমে গায়ে গাউন চাপালেন তিনি। তারপর স্বামীকে খুঁজতে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে এলেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বেশি খুঁজতে হলো না। রান্নাঘরের টেবিলেই বসে থাকতে দেখা গেল স্বামীপ্রবরকে। হাতে গরম এক কাপ কফি নিয়ে দেয়ালের দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। দেখেই বোঝা যাচ্ছে, গভীর কোনো চিন্তায় মগ্ন। মাঝেমধ্যে অবশ্য হাতের রুমাল দিয়ে চোখ থেকে পানি মুছে নিচ্ছেন, তারপর কফি খাচ্ছেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;‘কী হয়েছে তোমার?’ রান্নাঘরে ঢুকতে ঢুকতে চিন্তিতভাবে বললেন স্ত্রী। ‘এত রাতে রান্নাঘরে কেন?’&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;স্বামী তাঁর স্ত্রীর দিকে তাকালেন। তারপর গম্ভীর হয়ে বললেন, ‘হঠাৎ ২০ বছর আগের কথা মনে পড়ল। খেয়াল আছে তোমার, যেদিন আমাদের প্রথম দেখা হয়েছিল। আর তার পর থেকেই তো আমরা ডেট করতে শুরু করেছিলাম। তোমার বয়স ছিল ষোলো। তোমার কি মনে পড়ে সেসব?’&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;স্ত্রী তাঁর স্বামীর চোখের পানি মুছে দিতে দিতে জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই মনে আছে।’&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;স্বামী একটু থেমে বললেন, ‘তোমার কি মনে আছে, পার্কে তোমার বাবা আমাদের হাতেনাতে ধরে ফেলেছিলেন?’&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;‘হ্যাঁ, আমার মনে আছে।’ একটা চেয়ার নিয়ে স্বামীর কাছে বসতে বসতে বললেন স্ত্রী।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;স্বামী আবার বললেন, ‘মনে আছে, তোমার বাবা তখন রেগে গিয়ে আমার মুখে শটগান ধরে বলেছিলেন, ‘এক্ষুনি আমার মেয়েকে বিয়ে করো, নয়তো তোমাকে ২০ বছর জেল খাটাব আমি।’&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;স্ত্রী নরম সুরে বললেন, ‘আমার সবই মনে আছে।’&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;স্বামী আবার তাঁর গাল থেকে চোখের পানি মুছতে মুছতে বললেন, ‘আজকে আমি জেল থেকে ছাড়া পেতাম।’&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৩. একটা উপদেশ- সবসময় মানিব্যাগে আপনি আপনার স্ত্রীর ছবি রাখুন। যখনই বড়ো কোনো সমস্যায় পড়বেন তখন মানিব্যাগ বের করে স্ত্রীর ছবিটা দেখবেন, আর মনে করবেন এর চেয়ে বড় সমস্যা আর কিছুই হতে পারে না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৪. জামাতে ইসলামী, বিএনপি আর ঐক্যজোটের তিন র্কমী মদ্যপান করা অবস্থায় সৌদী আরবে ধরা পড়। সৌদী আরবে যেহেতু প্রকাশ্যে মদ্যপানের অপরাধ অত্যন্ত গুরুতর, তাই সেখানে এর শাস্তি হচ্ছে চাবুকের বিশ দোররা বাড়ি। আরবের শেখ যখন এই তিন কর্মীকে শাস্তির জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছিলেন, তখন শেখ বললেন, "আজ আমার প্রথম বউয়ের জন্মদিন, তাই আমি তোমাদের প্রত্যকেকে চাবুক মারার আগে একটা করে আর্জি জানাবার অনুমতি দিলাম এবং তোমাদরে আর্জি মঞ্জুর করা হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;লাইনের প্রথমে দাঁড়ানো ঐক্যজোটের কর্মী বলল, "শেখ তুমি যদি চাবুক মারার আগে পিঠের সাথে একটা বালিশ বেঁধে দিতে। তার আর্জি মোতাবকে বালিশ বেঁধে চাবুক মারা শুরু হলো। বালিশ চাবুকের বাড়ি ১০ টা র্পযন্ত নিল, তারপর বালিশ গেল ফেটে। ব্যথায় কুঁচকে রক্তাত্ব অবস্থায় তাকে সরানো হলো বিশ দোররার পর।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এর পরে লাইনে ছিল বিএনপির র্কমী। সে ঐক্যজোটের কর্মীর বেহাল অবস্থা দেখে আর্জি জানাল দু'টো বালিশ বাঁধার। তার আর্জি মোতাবকে ২টা বালিশ বেঁধে চাবুক মারা শুরু হলো। বালিশ চাবুকের বাড়ি ১৫ টা র্পযন্ত নিতে পারল, তার পর বালিশ গেল ফেটে। ব্যথায় কুঁচকে গোঙ্গানো অবস্থায় বিএনপি'র র্কমীকে সরানো হলো বিশ দোররার পর।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সবার শেষে লাইনে ছিল জামাত কর্মী। সে কোন কিছু বলার আগেই শেখ জামাত র্কমীকে বলল, "তুমি হচ্ছো গোলাম আযমের দলের লোক। তাই তুমি ২টা আর্জি রাখতে পার"। জামাতী কর্মী খুশীতে গদগদ হয়ে বলল, "হুযুর, আমি নাদানের মতো কাজ করেছি, তাই তুমি আমাকে চাবুকের ২০ দোররা না, ১০০ দোররা মার। শেখের চোখ আনন্দে জ্বলজল করে উঠল। বলল, "তার পরের আর্জি"? জামাত কর্মী ব্যথায় কুঁকড়ানো বিএনপি কর্মীকে আঙ্গুলের ইশারায় দেখিয়ে বলল, "বালিশ টালিশ না, তুমি ঐ ব্যাটারে (বিএনপি'র কর্মী) আমার পিঠের পেছনে বাইন্ধা দাও"।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৫. রাতে গাড়ি চালিয়ে ফিরছিলেন এক ভদ্রলোক। গাড়ি জ্যামে আটকে গেলে এক ভিক্ষুক এসে হাত পাতল।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;: দয়া করে কিছু দিন স্যার !&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;: তুমি মদ খাও ?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;: না স্যার।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;: তুমি ধূমপান কর ?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;: না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;: জুয়া খেল ?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;: না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;: তুমি শিগগির আমার গাড়িতে উঠ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;: যা দেবার এখানেই দিন, স্যার।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;: না, তোমাকে বাড়ি নিয়ে আমার স্ত্রীকে দেখাতে চাই যে, মদ, জুয়া, ধূমপান এ সবের সাথে না থাকলে মানুষের জীবনের কি ভয়াবহ অবস্থা হয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৬. এক দাওয়াতের অনুষ্ঠানে এক বাংলাদেশী ও এক আমেরিকান খেতে বসেছে।তো সেই দাওয়াতের অনুষ্ঠানে সোনার চামচ দেয়া হয়েছিল সবাইকে খাওয়ার সময় ব্যবহার করার জন্য।হঠাৎ আমেরিকানটা খাওয়ার মাঝখানে খুব সাবধানে নিজের প্যান্টের পকেটে একটা সোনার চামচ লুকিয়ে ফেললো।শুধু বাংলাদেশীটা এটা দেখল,কিন্তু কিছু বলল না।খাওয়া শেষে সবাই গল্প করছে।হঠাৎ বাংলাদেশীটা বলল,সে একটা ম্যাজিক দেখাবে।ম্যাজিক দেখতে সবাই তার চারপাশে এসে ভিড় করে দাড়ালো।তখন বাংলাদেশীটা একটা সোনার চামচ চাইল একজনের কাছ থেকে।সেই বাড়ির মালিকের ছেলে তাকে একটা সোনার চামচ এনে দিল।বাংলাদেশীটা সেই সোনার চামচটা তার নিজের প্যান্টের পকেটে ঢুকাল এবং আমেরিকানটাকে কাছে ডেকে এনে তার পকেট থেকে সোনার চামচ বের করল। সবাই খুব জোরে তালি দিয়ে ওঠল....আর আমেরিকানটা &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৭. এক বন্ধুর মন খুব খারাপ। অন্য বন্ধু তাই দেখে কথা বলছেঃ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১ম বন্ধুঃ কিরে দোস্ত, মন খারাপ কেন? ওঃ তোর বউ সেই যে বাপের বাড়ি গেল, এখনও আসেনি, তাই?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;২য় বন্ধুঃ নারে দোস্ত, আজকে তার ফিরে আসার কথা!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৮. একজন মানুষকে টেলিগ্রাম করা হলঃ বউ মারা গেছে, কবর দিব নাকি পুড়িয়ে ফেলব?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সেই মানুষ সাথে সাথে উত্তর পাঠালঃ কোন রিস্ক নেবার দরকার নাই; প্রথমে পোড়ান, তারপর সেই ছাই কবর দিন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;৯. স্ত্রীঃ স্বামী এবং স্ত্রীকে কখনো একসঙ্গে স্বর্গে ঢোকার অনুমতি দেয়া হয় না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;স্বামীঃ হ্যাঁ, এজন্যই এর নাম স্বর্গ। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১০. চল্লিশ বছর পার হবার হয়ে গেছে তবু বিয়ে করেনি এক লোক । একদিন একজন এর কারন জানতে চাইল ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;লোকপ্টি বলল সারা জীবন আমি একটা পারফেক্ট মেয়ের খোজ করেছি ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তা একটি ও পাননি?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;পেয়েছিলাম একটি কিন্তু সে আবার একটি পারফেক্ট ছেলের অপেক্ষায় ছিল।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১১. প্রশ্ন: রাজাকার আর এক বালতি গোবরের মধ্যে পার্থক্য কোথায়?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;উত্তর: ঐ বালতিটা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১২. কোনো মহিলা যখন গলার স্বর নামিয়ে কথা বলে তখন বুঝতে হবে তিনি কিছু চাইছেন ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আর যখন গলা চড়া করে কথা বলে তখন বুঝতে হবে তিনি যা চেয়েছিলেন তা পান নি । &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১৩. এক ভদ্রলোক একটা মোটর গাড়ী দুঘটনার একেবারে চুরমার হয়ে গেছে । তিনি তার গাড়ী যেখানে বীমা করেছিলেন সেখানে গিয়ে টাকার দাবী করলেন । কোম্পানীর ম্যানেজার বললেন যে আপনাকে তো টাকা দেয়া হবে না । আপনাকে গাড়ীর বদলে একটা নতুন গাড়ী দেয়া হবে । ভদ্রলোক তো আৎকে ঊঠলেন । আরে আমার স্ত্রীর নামে বীমা করা , সে মরে গেলে কি আপনারা একই ব্যবস্থা করবেন ?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-6517984738685851029?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/6517984738685851029/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=6517984738685851029' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/6517984738685851029'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/6517984738685851029'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2010/03/blog-post_31.html' title='কিছু নতুন পুরাতন জোকস!'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-27531963647940785</id><published>2010-03-24T14:58:00.001+06:00</published><updated>2010-03-24T15:50:09.978+06:00</updated><title type='text'>জোঁক!</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S6nUHOumqYI/AAAAAAAAAGY/lnjGRvu4OKw/s1600/Picture+004.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S6nUHOumqYI/AAAAAAAAAGY/lnjGRvu4OKw/s320/Picture+004.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আমির আলির ছেলে আতংকে পেছন থেকে চেঁচিয়ে উঠে-বাবা জোঁক। আমির আলি তাকিয়ে দেখে তার পায়ে অনেকক্ষণ ধরে একটি জোক প্যাঁচিয়ে আছে। রক্ত খেয়ে একবারে ঢোল হয়ে আছে। ছেলের দিকে তাকিয়ে আমির আলী অভয়ের হাসি হাসে। ব্যাটা ভয় নাইরে। জমিতে কাজ করতে হইলে এমুন কিছু জোঁকের কামড় সহ্য করতে হয়। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সে টান দিয়ে জোঁকটি পা থেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করে। একেবারে কামড় দিয়ে ধরে আছে। অনেক্ষনের চেষ্টার পর ছাড়াতে পারে। ছেলে অবাক হয়ে বাবার দিকে তাকিয়ে আছে। তার বাবা কত সাহসী। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সারাদিনের অমানুষিক পরিশ্রমের পর বাপ ছেলে ঘরে ফিরে আসে। এই সময়টুকুর জন্য আমির আলি সারাদিন অপেক্ষা করে থাকে। বাবুর মা না খেয়ে তাদের দুইজনের জন্য ভাত বেড়ে বারান্দায় বসে থাকবে। তারা সবাই মিলে একসাথে খেতে বসবে। খাবার মাঝে টুকটাক সাংসারিক আলাপ চলবে। আহ, পরিবারের এই ভালবাসার কাছে সারাদিনের ক্লান্তি কত তুচ্ছ হয়ে পড়ে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ঘরে এসে আমির আলি অবাক হয় অনেক লোকজন দেখে। এরা সব এসেছে ব্যাংক থেকে। পর পর কয়েকটি কিস্তির টাকা বাকী পড়াতে তারা তার গোলা থেকে ধান, ঘরের চালা সব খুলে নিয়ে যাচ্ছে। যাবার সময় শাসিয়ে দিয়ে যাচ্ছে বাকী টাকা কালকের মধ্যে শোধ না হলে পুলিশ দিয়ে তাকে ধরিয়ে দেয়া হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আমির আলি ক্লান্তিতে ঘর্মাক্ত দেহ নিয়ে মাটিতে বসে পড়ে। অনেক দিন ধরে সংসারে টানাটানি যাচ্ছে। যা আয় হয় তার সব টাকাই ব্যংকের কিস্তি শোধ করতেই চলে যায়। এ বছর ভাল ফসল হয়েছে। ভেবে ছিল এবার হয়ত ব্যাংকের টাকা শোধ করে দিতে পারবে। কিন্তু সেই সময়টুকু আর সে পেল না। বাবুর মা বাবুকে কোলে নিয়ে নিরবে কাঁদছে। বারান্দার দাওয়ায় বাড়া ভাত তেমনিই পড়ে আছে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ছেলে তাকিয়ে দেখে বাবার গাল বেয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে। সে খুব অবাক হয়। তার বাবা কত সাহসী, কত বড় জোঁকটাকে কিভাবে টেনে পা থেকে টেনে ফেলে ছিলেন। তাহলে এই লোকগুলিকে তার বাবা কিছু বলছে না কেন। ধানগুলি সারা বছর ধরে তারা দুইজনে মিলে কত কষ্ট করে গোলায় তুলেছিল। লোকগুলি সব নিয়ে যাচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আমির আলি ছেলের চোখের দিকে তাকিয়ে চোখ ফিরিয়ে নেয়। সে আজ আর ছেলেকে কোন অভয় বাণী দিতে পারে না। ছেলেকে সে কিভাবে বুঝাবে জমির জোঁক থেকে মুক্তি পাওয়া যায় কিন্তু এখন সামনে মানুষরূপী যে জোঁকগুলি দাড়িয়ে আছে তাদের হাত থেকে মুক্তির কোন উপায় তার জানা নাই। সত্যিকারের জোঁক কয়েক ফোটা রক্ত খেয়েই থেমে যায়। কিন্তু এই জোঁকগুলি অনবরত মানুষের রক্ত খেয়েই চলে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ছেলে অনবরত ডেকেই চলেছে-বাবা, ও বাবা। আমির আলি লজ্জায় ছেলের দিকে মুখ তোলে তাকাতে পারছেন না। আজ তিনি জীবন যুদ্ধে পরাজিত এক ভীতু বাবা।  &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;(স্যার ফজলে হাসান আবেদ বিশ্বের সবচেয়ে বড় এনজিও ব্র্যাক এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। ১৯৭১ সালে লন্ডন থেকে দেশে ফিরে তিনি ব্র্যাক, কালক্রমে যা দেশের সবচেয়ে বড় বেসরকারি সংস্থায় পরিণত হয়। দেশের বাইরে এশিয়া এবং আফ্রিকার ৮টি দেশে ব্র্যাক এর কার্যক্রম বিস্তৃত। কাজের স্বীকৃতি হিসাবে পেয়েছেন রেমন ম্যাগসাসে পুরস্কার, ইউএনডিপি পুরস্কার, ক্লিনটন গোবাল সিটিজেন পুরস্কার এবং সবশেষে এ বছরই পেলেন ব্রিটেনের রাজপরিবার থেকে নাইট উপাধি। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আহ্ একটা মানুষের জীবনে এর চেয়ে বেশী আর কিইবা চাইবার থাকে। আমাদের এই সবুজ দেশটাকে বিশ্ব দরবারে তিনি নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। এর জন্য আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ নাই। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;কিন্তু স্যার আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন ব্র্যাক এর শাখাগুলি কর্মীদের জন্য মোটা অংকের বেতন আর ঝা চকচকে জৌলুস নিয়ে কিভাবে বেড়ে উঠছে। একমাত্র উচ্চহারের সুদের কারণেই এটা সম্ভবপর হয়েছে। ঋণ আদায়ের নামে আপনার লোকেরা দরিদ্র পরিবারগুলির উপর কি পরিমাণ অত্যাচার করে আপনার কি কোন ধারণা আছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এর পেছনে যে কত অসহায় পরিবারের কান্না লুকিয়ে আছে তা কি আপনি কখনও অনুভব করেছেন। আপনি কি রাতে একজন সাধারন লোকের মতই ঘুমাতে পারেন। অসহায় মুখগুলি কি দুঃস্বপ্ন হয়ে আপনাকে তাড়া করে ফেরে না। চোখ বন্ধ করলে কি এদের কান্নার শব্দ আপনার কানে ভেসে আসে না। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ধুর কি সব ফালতু সেন্টিমেন্টস নিয়ে কথা বলছি। এতসব দেখলে কি আর আপনার চলবে। আপনার যে এখনও নোবেল প্রাইজ পাওয়া বাকী। দরিদ্র লোকগুলির জীবিত লাশ পাড়ি দিয়ে আপনাকে যে এখনও হাঁটতে হবে অনেক অনেক দূরের পথ। পেছনে ফিরে তাকালে কি আর একজন সফল মানুষ হওয়া যায়।)&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-27531963647940785?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/27531963647940785/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=27531963647940785' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/27531963647940785'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/27531963647940785'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2010/03/blog-post_24.html' title='জোঁক!'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S6nUHOumqYI/AAAAAAAAAGY/lnjGRvu4OKw/s72-c/Picture+004.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-8423787620087545869</id><published>2010-03-21T16:29:00.000+06:00</published><updated>2010-03-21T16:29:20.983+06:00</updated><title type='text'></title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S6X09rNs7WI/AAAAAAAAAGQ/JzNC6_qyrOE/s1600-h/sleep+pic.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S6X09rNs7WI/AAAAAAAAAGQ/JzNC6_qyrOE/s320/sleep+pic.JPG" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;একটি গল্প ও একটি পোস্ট&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;একটি গল্প&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এক নৈশ প্রহরী রাজার বাড়ী পাহাড়া দিত। একদিন সে স্বপ্ন দেখল রাজা একটি গ্রাম পরিদর্শনে গিয়েছেন। হঠাৎ ভূমিকম্পে রাজা সহ সেই গ্রামের সব লোক মারা গেল। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;পরদিন দেখা গেল রাজা সত্যি সত্যি স্বপ্নে দেখা গ্রাম পরিদর্শনে যাচ্ছেন। নৈশ প্রহরী রাজাকে রাতে দেখা স্বপ্নের কথা বর্ণনা করে না যাবার অনুরোধ করল। ঐ দিন দুপুরে ভূমিম্পে ঐ গ্রামের অনেক লোক মারা গেল।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;রাজা ঐ নৈশ প্রহরীকে ডেকে এনে খুশি হয়ে অনেক বখশিস দিলেন এবং তাকে চাকুরি থেকে বরখাস্থ করলেন। নৈশ প্রহরী অবাক হয়ে জানতে চায়- মহারাজ আমি আপনার প্রাণ বাচিয়েছি তাই খুশি হয়ে আপনি আমাকে বখশিস দিয়েছেন কিন্তু পুনরায় আবার চাকরি থেকে বের করে দিচ্ছেন। এটা কেমন বিচার। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;রাজা উত্তর দেন-বখশিস দিয়েছি কারণ তুমি আমার প্রাণ বাচিয়েছ। আর চাকরি থেকে তোমাকে ছাটাই করেছি কারণ তুমি কর্তব্য পালনে অবহেলা করেছ। রাতে পাহারা দেবার বদলে তুমি সারা রাত ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখে কাটিয়েছ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;গল্পের ব্লগীয় রূপান্তর&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;একবার এক সাইটে মুসলিমদের কোরআন শরীফে লেখা একটি সংখ্যা নিয়ে ভুল ব্যাখা প্রদান করা হয়। বলা হয় ধর্মগ্রন্থে ঐ সংখ্যাটির যে অর্থ করা হয়েছে তা সঠিক নয়। এই সংখ্যাটি মূলত হিন্দু বেদ গ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে এবং মুসলমানরা নিজেদের অজ্ঞতার কারণে এতদিন এর ভুল ব্যাখা প্রদান করে আসছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এক ব্লগার একটি পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য একটি ব্লগ সাইটে সবার কাছে প্রকাশ করে দেয়। তার মূল উদ্দেশ্য ছিল মুসলমান সম্প্রদায়কে আসন্ন ধর্মীয় বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করা। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;কিন্তু সবাই তাকে ভুল বুঝল। কেউ বুঝার চেষ্টা করল না যে এর পেছনে তার কোন অসৎ উদ্দেশ্য নাই। তারা ধরে নিল এটা ঐ পেস্টদাতার নিজস্ব মতামত। তার মনে নিশ্চয়ই কু রয়েছে। ফলে সবাই ইয়া আলি বলে তার উপর ঝাপিয়ে পড়ল। কেউ তাকে ছাগল, কেউ তাকে গাধা উপাদিতে ভূষিত করল। সন্মিলিত আক্রমণের কাছে ঐ ব্লগার কোণঠাসা হয়ে পড়ল এবং এক পর্যয়ে সেও সবাই কে তুই তুকারি করা শুরু করে দিল। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ইয়া মাবুদ- তুমি মানবকূলকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা, আমাদের সবার শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। আমিন।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-8423787620087545869?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/8423787620087545869/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=8423787620087545869' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/8423787620087545869'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/8423787620087545869'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2010/03/blog-post_21.html' title=''/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S6X09rNs7WI/AAAAAAAAAGQ/JzNC6_qyrOE/s72-c/sleep+pic.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-4146983458914913683</id><published>2010-03-09T17:13:00.004+06:00</published><updated>2010-03-10T11:43:01.498+06:00</updated><title type='text'>আমি আবার আসিব ফিরে</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ফাদার মারিনো রিগন এর জন্ম ইটালির ভেনিসের অদূরে ভিচেন্সার ভিল্লাভেরলা গ্রামে। ১৯৫৩ সালের ৭ জানুয়ারী কলকাতা হয়ে বেনাপোল সীমান্ত পথে এ দেশে আসেন। সেই থেকে আজ অবধি বাংলাদেমের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে তিনি ধর্ম প্রচার করে চলেছেন। এখন স্থায়ী ভাবে বাস করছেন সমুদ্রবন্দর মংলা পৌর এলাকার শেলাবুনিয়ায়। সেখানে তিনি গড়ে তুলেছেন সাধুপলের গীর্জা। ১০০ টির মত বাংলা বই তিনি ইটালি ভাষায় অনুবাদ করেছেন। তিনি এ দেশে বসবাস করছেন প্রায় ৫৮ বছর ধরে। ২৬ বছর বয়সে তিনি ফাদার পদে অভিষিক্ত হওয়ার দুই বছর পর এ দেশে চলে আসেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তিনি ছিলেন বানিয়ারচর গ্রামের ক্যাথলিক গির্জার প্রধান যাজক। দিনের বেলায় গির্জা, রাতের বেলায় তিনি গির্জাটাকে বানিয়ে ফেলতেন হাসপাতাল। ১৯৭১ সালে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ফরিদপুর অঞ্চলের সাব সেক্টর কমান্ডার হেমায়েত উদ্দিন বীর বিক্রমসহ অনেক মুক্তিযুদ্ধাকে চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন জীবনের ঝুকি নিয়ে।হাজার হাজার শরণার্থী ও মুক্তি যোদ্ধাদের দিয়েছেন আশ্রয়, খাদ্য সবোর্পরি খ্রিস্টীয় মিশনের ছত্রছায়ায় নিরাপদে বিভিন্ন স্থানে পৌছে দেয়ার সুযোগ। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ফাদার মারিনো রিগন ২০০৮ সাল পর্যন্ত বারবার আবেদন করেছেন তাঁকে এ দেশের নাগরিকত্ব দেয়ার জন্য অথচ তাঁকে নাগরিকত্ব দেয়া হয়নি। অবশেষে, ২০০৯ সালে তিনি এ দেশের নাগরিত্ব পান। এর জন্য উনাকে অপেক্ষা করতে হয় দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে। কিন্তু তারপরও মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ দেশের সন্মানসূচক নাগরিকত্ব প্রাপ্তিকে তিনি স্মরণ করেন পরম কৃতজ্ঞতার সাথে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;দীর্ঘ ৩৮ বছরে এটা নিয়ে কথা বলার মত কেউকি আমাদের দেশে ছিলেন না? আমাদের দেশে এত সব বুদ্ধিজীবিরা রয়েছেন। যারা স্বাধীনতা, বিজয় দিবসের মাস এলেই ধবধবে সাদা পাঞ্জাবী গায়ে দিয়ে টিভি পর্দায় উপস্থিত হন। মুক্তিযুদ্ধের আবেগে উনাদের গলা কাঁপতে শুরু করে। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে কাঁপতে থাকে টিভি পর্দা। এদের অনলবর্ষী বক্তব্যে কাঁপতে থাকি আমরাও। আফসোস এদের মুখ দিয়ে যে ভাবে আগুন নির্গত হতে থাকে দেখে মনে হয় আহারে লোকটা কেন ড্রাগন হয়ে জন্মাল  না। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আমার খালি মনে হয় এটা কি করে সম্ভব হয়। বিদেশী একটি মানুষ কিভাবে একটি দেশকে সেই দেশের মানুষকে এভাবে ভালবাসতে পারেন। এই অসম্ভব হৃদয়বান মানুষটাকে আমরা কি দিয়েছি। এরকম অনেক ফাদার মারিনো রিগন রয়েছেন আমাদের দেশে। আমরা মুক্তিযুদ্ধে এদের অসামান্য অবদানের কথা জানি না। মুক্তিযুদ্ধের কথা আসলে শিয়ারের কুমিরের বাচ্চা দেখানোর মত করে গুটিকতক মানুষের চেহারাই আমরা বার বার ঘুরে ফিরে দেখি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ফাদার মারিনো রিগন এর মনে কি এই প্রজন্মের প্রতি কি কোন ক্ষোভের সঞ্চার হয় না। নিশ্চয়ই না। কারণ এই জন্যেই উনার মত মানুষেরা অসাধারণ আর আররা অতি সাধারণ। কি পেলাম আর কি হারালাম তা দেখার জন্য উনার মত মানুষেরা কখনও পেছনে ফিরে তাকান না। না হলে তিনি এভাবে বলতে পারতেন না- &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;গতবছর তিনি জটিল অপারেশনের জন্য ইতালী যাওয়ার আগে গির্জার লোকজনকে বলে গিয়েছিলেন, ইতালীতে তাঁর মৃত্যু হলে তাঁকে যেন বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়, এখানেই সমাহিত করা হয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;যাওয়ার আগে তিনি বলে গিয়েছিলেন কবি জীবনানন্দের ভাষায়- আবার আসিব ফিরে এই বাংলায়, এই ধানসিঁড়ি নদীর তীরে...।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;মাঝে মাঝে মনে হয় একবার গিয়ে দেখে আসি আজ এত বছর পর কেমন আছেন ফাদার মারিনো রিগন নামের ৮৪ বছরের অশিতপর লোকটি। জানি আমার সীমাবদ্ধ জীবনের গন্ডিতে এই কাজটি হয়ত কখনও করা হয়ে উঠবে না। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তারপরও যদি কখনও সুযোগ আসে তাহলে আমি উনার কাছে জানতে চাইব- ফাদার, আপনি আপনার জীবনের শ্রেষ্ট সময়টুকু এই দেশ এই দেশের লোকদের দিয়ে দিয়েছেন। কখনও কি আপনার নিজের দেশ ইতালি, নিজের গ্রাম যেখানে আপনি আপনার শৈশবের শ্রেষ্ট সময়টুকু কাটিয়েছেন, সেই গ্রামের মানুষের জন্য মন কাঁদে না। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;হয়ত ফাদার উত্তর দিবেন-মাই সান, আমার মনও তাদের জন্য কাঁদে বৈকি। কিছু চোখের পানি আছে যা দেখা যায়, কিছু আছে দেখা যায় না- এইটুকুই খালি যা পার্থক্য।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S5YtFJeUXUI/AAAAAAAAAGI/yWZutuZOA_Y/s1600-h/Picture+009.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S5YtFJeUXUI/AAAAAAAAAGI/yWZutuZOA_Y/s320/Picture+009.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তথ্য ঋণ: ১. দৈনিক ইত্তেফাক (০৭.০৩.২০১০)&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;২. &lt;a href="http://www.ali-mahmed.com/2009/01/blog-post_7597.html"&gt;click the link&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-4146983458914913683?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/4146983458914913683/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=4146983458914913683' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/4146983458914913683'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/4146983458914913683'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2010/03/blog-post.html' title='আমি আবার আসিব ফিরে'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S5YtFJeUXUI/AAAAAAAAAGI/yWZutuZOA_Y/s72-c/Picture+009.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-623191965316907882</id><published>2010-02-25T13:28:00.000+06:00</published><updated>2010-02-25T13:28:55.698+06:00</updated><title type='text'>কবি আপনিও!!!</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;লোকটাকে প্রথম দেখে আমি চমকে উঠি। আরে ইনি যে অনেকটা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মত দেখতে। মুখে লম্বা দাড়িঁ। চোখে চশমা। হাঁটেন মাথা নীচু করে। স্বল্পভাষী লোকটা সব সময় কি যেন চিন্তা করেন। অনেকটা আপন খেয়ালে মগ্ন। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;পরে জানতে পারলাম ইনি কবি নির্মলেন্দু গুণ। কবিতা আমি বুঝি না। কিন্তু কবি নির্মলেন্দু গুণ কি এক অজানা কারণে আমাকে আকৃষ্ট করতেন। হয়ত উনার সাধাসিধা চলন। হয়তবা উনার ব্যক্তিত্ব। আমি ঠিক জানি না। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;‘আবদুল গাফফার চৌধুরী ও নির্মলেন্দুগুণের দৃষ্টিতে জয়নাল হাজারী’-তরফদার প্রকাশনী। বইটি একুশের বই মেলায় পাওয়া যাচ্ছে। দাম ২০ টাকা। আমি বিস্মিত হইনি। এখন আর আমি কোন কিছুতে তেমন একটা বিস্মিত হই না। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বইটি আমি পড়িনি, পড়ার কোন আগ্রহও নেই। বইয়ে কি লেখা আছে আমার জানা নাই। কিন্তু আমি যেটা জানি সেটা হচ্ছে-প্রতিনিয়ত আমরা দানবীয় শক্তির কাছে কত সহজেই না পরাজিত হচ্ছি। কিন্তু তারপরও বুকের মাঝে কেমন এক চাপা কষ্টের অনুভূতি এসে ভিড় করে। মন বিদ্রোহ করে উঠে। কেন এমন হয়। এত সহজে কেন আমরা হার মানি। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;শুধু দীর্ঘ শ্বাস ফেলে ভাবি গুণ দা শেষ পর্যন্ত আপনিও.......&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S4YmoG07ZXI/AAAAAAAAAGA/-bxR0r2v0g0/s1600-h/Picture+010.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://4.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S4YmoG07ZXI/AAAAAAAAAGA/-bxR0r2v0g0/s320/Picture+010.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ছবি সূত্র: কালের কন্ঠ, ২২.০২.২০১০&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-623191965316907882?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/623191965316907882/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=623191965316907882' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/623191965316907882'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/623191965316907882'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2010/02/blog-post_25.html' title='কবি আপনিও!!!'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S4YmoG07ZXI/AAAAAAAAAGA/-bxR0r2v0g0/s72-c/Picture+010.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-7720881003788711318</id><published>2010-02-23T12:07:00.004+06:00</published><updated>2010-02-23T12:11:25.696+06:00</updated><title type='text'>দেশ কাঁপানো এক দিন।</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;গ্রামীণ ফোন এর দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট। মিডিয়া পার্টনার প্রথম আলো, চ্যানেল আই। পুরো দুনিয়াকে  এরা কাঁপাতে পেরেছেন কিনা জানি না। তবে মিডিয়াকে ভাল ভাবেই কাঁপাতে পেরেছেন।  এদের শ্রদ্ধা প্রদর্শনের &lt;a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/tinkutravelar/29102764-%20"&gt;নমুনা-&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;মোবাইল কোম্পানীগুলি টয়লেটে কোন টিস্যু পেপার ব্যবহার করে প্রতিকাওয়ালারা এটাও ফলাও করে প্রকাশ করে। কিন্তু এই খবরটি বেমালুম হজম করে ফেলেছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বিদেশী বহুজাতিক কোম্পানীগুলি থেকে শুরু করে দেশীয় আলকাতরা কোম্পানী কেউই পিছিয়ে নেই। পত্রিকা টিভিতে অনেক টাকা খরচ করে এদের একেক জনের ঢাউস সাইজের বিজ্ঞাপন-ভাষা আন্দোলনের সকল সৈনিক ও অমর শহীদদের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;শহীদ মিনারে ভোর বেলায় খালি পায়ে কার আগে কোন দল ফুল দেবে তা নিয়ে রীতিমতো মারামারি লেগে যায়। একজন বুদ্ধিজীবি টিভিটে সাক্ষাতকার দিচ্ছেন-আজকাল একুশের চেতনা সবার মাঝেই ছড়িয়ে পড়েছে। আমার কাজের মেয়েটি বলছে-স্যার কাইল আমারে ছুটি দেন। শহীদ মিনারে ফুল দিতে যামু।  &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিশিষ্ট ব্যক্তি বর্গরা (সবাই নন) সেখানে তাদের বক্তব্য পেশ করেন। টিভিতে শহীদ দিবসের নাটক, অনুষ্ঠান প্রচারের ধুম পড়ে যায়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;চা-পান-সিগারেটের দোকানগুলিতে সারাদিন বাজতে থাকে-আমার ভাই এর রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এরকম এক আবেগপ্রবণ জাতি আমরা। একজন বাঙালী হিসেবে আমাদের আর এর বেশী কিই বা চাইবার থাকতে পারে।  &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সারা বছর আমরা ঘুমিয়ে থাকি শুধু বিশেষ বিশেষ দিনগুলিতে আমরা হঠাৎ করে ঘুম থেকে জেগে উঠি।  ঐ এক দিনেই দুনিয়া না হোক দেশকে অন্তত আমরা কাঁপিয়ে ফেলি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১৯৫২ এর ২১ ফেব্রুয়ারিতে শহীদ আবুল বরকতের ছোট ভাই এর ছেলে আলাউদ্দিন বরকত বলেন- চাচা শহীদ হবার পর আজ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে একুশের অনুষ্ঠানে কিংবা বই মেলায় আমাদের কেউ কোন দিন ডাকেনি। ডাকা হয় না জেলা পর্যায়ের কোন অনুষ্ঠানেও। যাঁদের আত্নত্যাগ নিয়ে এত আয়োজন তাঁদের পরিবারের সদস্যদের শহীদ দিবসের জাতীয় অনুষ্ঠানে ডাকা হয় না। এ বছরও প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শহীদদের ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে চেয়েছিলেন বরকতের পরিবারের সদস্যরা। যোগাযোগও করেছিলেন বাংলা একাডেমীর কর্তৃপক্ষের সাথে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার জন্য হুমকি বিবেচনা করে তাদের সেখানে যাবার অনুমতি দেয়া হয়নি।  (তথ্য সূত্র: দৈনিক কালের কন্ঠ)&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আমরা বাঙালীরা সব কিছুতেই ব্যবসা খুজে ফিরি। একজন দেহপসারিণী তার দেহ বিক্রি করে। কিন্তু আমরা বিক্রি করি জন্মভূমি দেশকে, মায়ের ভাষা কে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তারপরও দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি বুকের কোথায় যেন এক ধরণের বেদনার অনুভব হয়। যারা নিঃস্বার্থ ভাবে প্রাণ দিয়ে এ দেশকে দেশের ভাষাকে রক্ষা করেছেন তারাও এ দেশেরই &lt;a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/shamseerblog/29103104"&gt;সন্তান। &lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/shamseerblog/29103104"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-7720881003788711318?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/7720881003788711318/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=7720881003788711318' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/7720881003788711318'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/7720881003788711318'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2010/02/blog-post_23.html' title='দেশ কাঁপানো এক দিন।'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-8047567317617015374</id><published>2010-02-20T11:41:00.000+06:00</published><updated>2010-02-20T11:41:55.787+06:00</updated><title type='text'>একটি গাধার আত্নজীবনী</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ফেনীর গড ফাদার জয়নাল হাজারী তার আত্নজীবনী ‘জয়নাল হাজারী বলছি’ এই বারের বই মেলায় প্রকাশ করতে যাচ্ছেন আর এর মোড়ক উন্মোচন করবেন প্রখ্যাত কলামিষ্ট আববদুল গাফফার চৌধুরী। আপনিও আমন্ত্রিত।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;কিছু দিন পূর্বে জেনেছি হাজারী সাহেব সিনেমায় মাফিয়া ডন এর ভূমিকায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন। ছেলেবেলা থেকেই নাকি উনার অভিনয়ের শখ। এইবার জানলাম তিনি একজন লেখকও বটে। হায় এত গুণের অধিকারী এই লোকটি এত দিন কোথায় লুকিয়ে ছিলেন। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বইয়ের মোড়ক উন্মোচন জিনিসটা বই মেলায় প্রথম কে চালু করেছেন আমার জানা নাই। লেখক প্রকাশক সবাই ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়ে দাড়াবেন। একজন বিশিষ্ট ব্যক্তির হাতে মোড়ক আবদ্ধ বইটি ধরিয়ে দেয়া হবে। তিনি ধীরে ধীরে নববধূর অবগুন্ঠন উন্মোচনের মত বই এর মোড়ক খুলবেন। ক্লিক ক্লিক করে ক্যামেরার ফ্লাশ ঝলসে উঠবে। বিশিষ্ট ব্যক্তিটি কাপা কাপা গলায় লেখক আর তার বই এর গুণগান করতে শুরু করে দেবেন। সেই বিশিষ্ট বেচারা জানেও না যে বই এর ভিতরে কি আছে। এটা দেখার উনার সময়ই বা কোথায়। পরক্ষণেই উনাকে আরেক বই এর মোড়ক উন্মোচনের জন্য ছুটতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;প্রখ্যাত কলামিষ্ট আববদুল গাফফার চৌধুরী। উনাকে এই টাইটেল কে দিয়েছেন? তিনি প্রখ্যাত না অখ্যাত সেই বিতর্কে আমি যেতে চাচ্ছি না। আমি খালি সবিনয়ে জানতে চাই, স্যার আপনার রেইট কত? কলগার্লদের সাথে আগে ভাগে দর দাম ঠিক না করে রাখলে পরে সমস্যায় পড়তে হয়। স্যার আপনি মাইন্ড করবেন না। এটা অন্য প্রসঙ্গে বলা। আপনার সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। আপনার জন্য নীচে আমার একটি অফার রয়েছে-&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আমরা আত্নজীবনী ‘আমি গাধা বলছি’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের জন্য আকর্ষনীয় প্যাকেজে একজন প্রখ্যাত কলামিস্ট প্রয়োজন। আগ্রহীরা অতিসত্বর যোগাযোগ করুন। সময় সীমিত।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;না এইবারের বই মেলায় আমার কোন বই যাচ্ছে না। আমি লেখক নই। তবে যে হারে সবাই বই লেখা শুরু করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে জয়নাল হাজারী সেখানে আমিই বা পিছিয়ে থাকি কেন। চেষ্টা করতেই বা দোষ কোথায়। এই বার সম্ভব না হলে আগামী বছর ইনশাল্লাহ। আর বিশিষ্ট কলামিষ্টরাতো বই এর মোড়ক উন্মোচন করার জন্যতো মুখিয়েই থাকেন। আর কাউকে না পাওয়া গেলে প্রখ্যাত কলামিষ্ট আববদুল গাফফার চৌধুরীতো রয়েছেনই। কারণ উনিতো আবার কাউকে না বলতে পারেন না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ছবি সূএ: দৈনিক কালের কন্ঠ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;০৭.০২.২০১০&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S392Eb_EcCI/AAAAAAAAAF4/QEisiwQ1CKw/s1600-h/Kaler+kantha-07.02.2010.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S392Eb_EcCI/AAAAAAAAAF4/QEisiwQ1CKw/s320/Kaler+kantha-07.02.2010.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-8047567317617015374?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/8047567317617015374/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=8047567317617015374' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/8047567317617015374'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/8047567317617015374'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2010/02/blog-post_369.html' title='একটি গাধার আত্নজীবনী'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S392Eb_EcCI/AAAAAAAAAF4/QEisiwQ1CKw/s72-c/Kaler+kantha-07.02.2010.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-5242041205547384496</id><published>2010-02-20T11:38:00.000+06:00</published><updated>2010-02-20T11:38:00.303+06:00</updated><title type='text'>এপিটাফ</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;কত দিন এখানে আসা হয় না। চারদিকে কেমন ঘাসের জঙ্গলে ছেয়ে গেছে। চারদিকে কুয়াশার চাদর ভেদ করে সূর্যের আলো উকি ঝুকি মারছে। ঘাসের ডগায় ফোটা ফোটা শিশির জমে রয়েছে। রোদ পড়ে কেমন ঝলমল করছে। কাব্য হাত দিয়ে ছোযার চেস্টা করে। শিশির ফোটা কেমন হাত বেয়ে গড়িয়ে পড়ে যাচ্ছে। তার বাবার এপিটাফের লেখাগুলি কালের বিবর্তনে অস্পষ্ট হয়ে পড়েছে । কাব্যের লজ্জা লাগে। হাত বাড়িয়ে এপিটাফের উপর জমে থাকা ধুলা পরিস্কার করতে চেষ্টা করে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ছেলে বেলায় বাবার সাথে কাটানো অসংখ্য স্মুতি মনের পর্দায় এক সাথে এসে ভিড় করে। কাব্যের গাল বেয়ে চোখের পানি গড়িয়ে পড়ে। কাব্য মুছার কোন চেষ্টা করে না। কারো সমাধির সামনে দাড়িয়ে নাকি চোখের পানি ফেলতে নেই। কেন এই কথা বলা হয়েছে কাব্যের জানা নাই। সে কেমন করে হারিয়ে যাওয়া অসম্ভব ভাল লাগার স্মুতিগুলি তার মন থেকে মুছে ফেলবে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;নিজেকে তার কেমন স্বার্থপর মনে হয়। আজ কত দিন পর সে এখানে এসেছে। খুব ছোট বেলায় সে যখন হাটতে পারত না তখন বাবার হাত ধরে দাড়াতে চেষ্টা করত। বাবা তার হাত কখনও ছাড়েননি। আজ যখন তাকে তার বাবার সবচেয়ে বেশী প্রয়োজন সে কত অবলিলায় তার বাবার হাত ছেড়ে দিয়েছে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;মৃত্যুর সাথে সাথেই কি একটা মানুষের সব কিছু শেষ হয়ে যায়। সমস্ত স্মৃতি, ভাল লাগা, মন্দ লাগার সমস্ত অনুভূতি। তার সামনে বাবার নামের সেই মানুষটা নাই। বিপদে পড়লে আজ আর সেই মানুষটা তাতে আগলে দাড়াবে না। বলবে না- খোকা ভয় নেই আমি আছি।  কিন্তু আর সব কিছুতো ঠিকই রয়ে গেছে। এই যে সে তার বাবার সামনে দাড়িয়ে রয়েছে তার বাবাতো তাকে দেখতে পাচ্ছেন। এখনই বুঝি ধরা গলায় বলে উঠবেন-কিরে খোকা, কত কাল পরে এলি। এত দিন পরে বুঝি বাবার কথা মনে পড়ল। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;কাব্য ধীরে ধীরে হাত বাড়িয়ে তার বাবার সমাধিটা ছোয়ার চেষ্টা করে। ধরা গরায় বলে উঠে-বাবা আমি তোমার অপরাধী। ভুল মানুষকে নিয়ে তুমি স্বপ্ন দেখেছ। কই কোন স্বপ্নইতো আমি তোমার পূরণ করতে পারলাম না। কেন তবে ছেলে বেলায় শুনিয়েছ ঘুম পাড়ানির গান। কেন স্বপ্ন দেখেতে শিখিয়েছ। তা না হলেই বুঝি ভাল ছিল। আজ বুকের মাঝে এক কষ্ট অনুভব হত না। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;কাব্য যখন ধীরে ধীরে বড় হতে শুরু করে তখন বাবার ছেলে মানুষী কান্ডে খুব লজ্জা পেত। রাস্তা পার হবার সময় বাবা হাত ধরে রাখতেন, ছেলে দিলেই বুঝি কাব্য হারিয়ে যাবে। বাবা বুঝতেন না সে এখন বড় হয়ে গেছে।  হাত ধরে রাখার এখন আর দরকার নেই। রাস্তার লোকজনরাই বা কি বলবে। দেখ দেখি কত বড় ছেলে বাবার হাত ধরে হেটে যাচ্ছে। বাবা কতই না বোকা ছিলেন। আজও কাব্য সেই ছেলে মানুষী লজ্জা অনুভব করে। বাবার উপর এক রাশ অভিমান এসে জমা হয়। বাবা কেন তুমি আমার হাত ছেড়ে দিলে। এখনও যে তোমার সেই ভালবাসার হাতখানি আমার বড়ই প্রয়োজন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;কাব্য এপিটাফটাতে হাত বুলায়। বাব তোমার কানে কানে বলি-আবার আমাদের দেখা হবে। যেখানেই তুমি থাক, যতই দূরে। তোমার হাত ধরে ছেলেবেলার মত আমরা দুইজনে আবার রাস্তা ধরে হেটে যাব। এখনও যে আমাদের অনেক পথ হাটা বাকী। বিদায় বাবা, ভাল থেকো।    &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-5242041205547384496?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/5242041205547384496/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=5242041205547384496' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/5242041205547384496'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/5242041205547384496'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2010/02/blog-post_740.html' title='এপিটাফ'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-5477502446017471367</id><published>2010-02-20T11:34:00.002+06:00</published><updated>2010-02-20T11:34:29.675+06:00</updated><title type='text'>টুকরো খবর।</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;খবর-১&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;চারদিনের ভারত সফর শেষ করে গতকাল প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলেন। আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন স্তরের জনগণ বিমানবন্দরে উনাকে সংবর্ধনা জানায়। সংবর্ধনা দিতে আসা রাস্তার দুই পাশের মানুষ ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানায়। বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়ী বহর প্রধান সড়কে আসলে আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে পুরো এলাকা। প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দিতে দুপুর থেকেই পুরো বিমানবন্দর এলাকা লোকেলোকারণ্য হয়ে উঠে। নেত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে বিমান বন্দরে ট্রাক-বাসে করে আসা নেতাকর্মীরা সঙ্গে নিয়ে আসে ব্যান্ড পার্টি আর মাইক। ট্রাকের উপর নেচে গেয়ে তারা আনন্দ প্রকাশ করে। শুভেচ্ছাবার্তা সম্বলিত ব্যানারে ছেয়ে যায় পুরো বিমান বন্দর এলাকা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;অনেক দিন পর এমন আনেন্দর সংবাদ পড়লাম ভাল লাগল। আরও ভাল লাগল দেশের মানুষ প্রধানমন্ত্রীকে এত ভালবাসে জেনে। কিন্তু তারপর নিচের খবরটি আর ভাল লাগল না-&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;খবর-২&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;গতকাল নগরবাসীকে দীর্ঘ যানজটের দুভোর্গ পোহাতে হয়েছে। পুরো এলাকায় ভয়াবহ জানজটের সৃষ্টি হয়। একদিকে শীতের তীব্রতা আর অপর দিকে ভয়াবহ যানজট। বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পর্যন্ত ২ ঘন্টা সড়কের একদিকে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় এর প্রভাব রাত ১১ টা পর্যন্ত বিরাজ করে। হাজার হাজার নেতাকর্মীদের পদচারণায় উত্তরা থেকে মহাখালী পর্যন্ত যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়।  অন্য দিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমনের পোনে এক ঘন্টা আগেই যানচলাচল বন্ধ করে দেয় ডিএমপির প্রোটেকশন বিভাগ। এতে ঘরমুখী মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। ঘন্টার পর ঘন্টা বাস স্ট্যান্ডে দাড়িয়ে থেকে যাত্রীরা বাস পায়নি। যারা বাসে চরতে পেরেছেন যানজটের কারণে তাদের গাড়ীগুলি ঠায় দাড়িয়ে থাকে। অনেকেই বাধ্য হয়ে বাস থেকে নেমে বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা দেন। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;** আমার বক্তব্য হচ্ছে গতকাল কি সরকারী ছুটি ছিল। যদি না হয়ে থাকে তাহলে সারাদিন কাজ করে কর্মজীবি মানুষরা কিভাবে বাড়ী যাবেন এটা ভেবে দেখার মত কোন লোক কি সরাকারের ডিপার্টমেন্টে ছিলেন না। আর প্রধানমন্ত্রী কি এই প্রথম বিদেশ থেকে দেশে আসলেন। তাহলে হঠাৎ করে এত বিশাল আয়োজনের কি দরকার ছিল। উনার নেতাকর্মীদের যদি আনন্দ করার এতই ইচ্ছে থেকে থাকে তাহলে উনারা বিমানবন্দরের কাছাকাছি কোন খালি মাঠে গিয়ে নাচ গান করতে পারতেন, রাজপথে কেন। প্রধানমন্ত্রী নিশ্চয়ই পত্রিকা পড়েন সেখান থেকে তিনি জনগণের কালকের দুর্ভোগের কথা জানতে পারবেন। তা থেকে তিনি কি ভবিষ্যতের জন্য উনার কর্মীদের সতর্ক করবেন নাকি তাদের সুরেই সুর মিলাবেন। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে ঐ দিন তিনি যেন ঢাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে দেন। কারণ আমি নিজেও গতকালকের দুর্ভোগের একজন ভোক্তভূগী। পুনরায় আর এর পুনরাবৃত্তি কামনা করি না।  &lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-5477502446017471367?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/5477502446017471367/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=5477502446017471367' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/5477502446017471367'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/5477502446017471367'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2010/02/blog-post_3270.html' title='টুকরো খবর।'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-2963476530435620228</id><published>2010-02-20T11:33:00.000+06:00</published><updated>2010-02-20T11:33:11.274+06:00</updated><title type='text'>গ্রাহকসেবা</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সিটিসেল মোবাইল থেকে SMS পাঠিয়েছে- এই শীতে আপনার ত্বকের যত্ন নিয়ে ভাবছেন? সিটিসেল নিয়ে এর শীতকালীন বিউটি টিপস। ডায়েল করুন ২৫২৫ আর জেনে নিন বিউটি টিপস। গুরুত্ব বুঝাতে একই ম্যাসেজ দুই বার পাঠানো হয়েছে। যাতে কোন ভাবে মিস না হয়ে যায়।&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আহা মোবাইল কোম্পানীগুলির তাদের গ্রাহকদের প্রতি কত সজাগ দৃষ্টি। গ্রাহকদের সেবা দিতে দিতে এখন গ্রাহকের ত্বকের যত্ন নিয়েও উনারা মাথা ঘামাচ্ছেন। এ রকম এক মোবাইল কোম্পানীর গ্রাহক হতে পেরে আমি গ...গ....গর্বিত। আমি আমার ত্বকের যত্নের ভার নিশ্চিত্নে সিটি সেলের উপর ছেড়ে দিয়েছি, আর আপনি?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ম্যাসেজ পেয়েই আমি আনন্দে লাফিয়ে উঠে ছিলাম। ২৫২৫ এ ডায়াল করে এক্ষুণি জেনে নিতে হবে বিউটি টিপস। কিন্তু না বল চলে গেল মাঠের বাইরে। কারণ পুরো ম্যাসেজ এখনও শেষ হয়নি। নীচে লেখা রয়েছে- প্রতি মিনিট চার্জ ২ টাকা+ ভ্যাট। ধান্দাবাজি কত প্রকার ও কি কি তা এদের কাছ থেকে শিখতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এবার সারা দেশে প্রচন্ড শীতের কারণে বহু লোকের মৃত্যু ঘটেছে। হাইতিতে ভয়াবহ ভূমিকম্পে এই পর্যন্ত লক্ষাধিক লোকের উপরে মারা গেছে। সেই জায়গায় শীতে ত্বকের যত্ন নিয়ে মাথা ঘামানোটা বোধ হয় ঠিক না। ত্বর্কবাগিশরা হয়ত বলতে পারেন আমি মাথা না ঘামালে কি এই মৃত্যুগুলি ঠেকানো যেত। আমি সেই বিতর্কে যেতে চাচ্ছি না। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;মোবাইল কোম্পানীগুলির কথাবার্তা শুনলে মনে হবে এদের মত দেশ প্রেমিক আমাদের দেশে বোধ হয় আর একটাও নেই। আরেকবার আরেকটি মোবাইল কোম্পানী আবেগময় একটি বিজ্ঞাপন বানাল পপ সম্রাট আজম খানকে নিয়ে। সাধাসিধে একজন আজম খান, ৭১-এ যার হাতে স্ট্যান গান গর্জে উঠেছিল গিটারের ধ্বনির মত। বিজ্ঞাপন এর শেষে আরেক পপ গায়ক আইয়ুব বাচ্চু পপ সম্রাটকে স্যালুট করেন-গুরু তোমায় সালাম বলে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বুকের মধ্যে এক ধরণের চিনচিনে ব্যাথা অনুভব হয়-আহা মোবাইল কোম্পানী কি চমৎকার একটি বিজ্ঞাপনই না তৈরী করেছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এর কিছু দিন পর জানা যায় পপ সম্রাট আজম খান অসুস্থ। টাকার অভাবে উনার চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছে না। সবচেয়ে কষ্ট লাগে তখন যখন কোন একজনও শিল্পী উনাকে সহযোগিতা করতে এগিয়ে আসে না। এমনকি সেই স্যালুট জনানো ব্যাক্তিটিও। প্রচন্ড ক্ষোভ জন্মে সেই মোবাইল কোম্পানীটির প্রতি। তাদের পক্ষে কি একটু সহযোগিতার হাত বাড়ানো সম্ভব ছিল না। উনারা বিজ্ঞাপন তৈরী করেই উনাদের দায় সেরেছেন। কে মরল আর কে বাঁচল তাতে তাদের কি বা যায় আসে।  &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;রাস্তায় মাঝে মধ্যে পিজা হার্ট এর মুক্তি যোদ্ধাদের ছবি সম্বলিত কিছু বিলবোর্ডে চোখ পড়বে। মুক্তি যোদ্ধের সেই সব সাহসী মানুষদের আমরা জানাই শ্রদ্ধা। আহা দেখলেই বুকের রক্ত কেমন ছলকে উঠে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;কিন্তু পিজা হার্ট আজ পর্যন্ত মুক্তি যোদ্ধাদের নিয়ে কোন কিছু করেছে বলে আমার জানা নাই। তারা পিজা বিক্রি করতেই ব্যস্ত তাদের এত সময় কোথায়। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তাও আবার যেন তেন পিজা নয়।পিজা হার্ট এর এক বিক্রয় প্রতিনিধি একবার কতগুলি পিজা কেনার কূপন নিয়ে এসে হাজির। একটি কূপন কিনলে আরেকটি ফ্রি। অর্থাৎ একটি পিজা কিনলে সাথে আরেকটি পিজা ফ্রি। আজকেই অফার শেষ। আনন্দে আমি লাফিয়ে উঠলাম। কিন্তু না পরক্ষণেই আমার আশা ভঙ্গ হল। কারণ একেকটি পিজার মূল্য হাজার টাকার উপরে। আমি তাকে যতই বিদায় করার চেষ্টা করি সে ততই চীনা জোকের আঠার মত লেগে থাকে। আমি বিনীত ভাবে ঐ প্রতিনিধিকে বোঝাতে চেষ্টা করলাম একটি পিজা কেনার পয়সা দিয়ে আমার সারা মাসের দুপুরের লাঞ্চ এর খরচ চলে। বেচারা সম্ভবত আমার কথা বুঝতে পারেনি ভাবল আমি বুঝি ঠাট্রা করছি। কারণ তাদের এই অফারে খুব সাড়া পাওয়া গেছে। অফারের সময় বাড়ানোর জন্য লোকজন তাদের অনুরোধ করছে। সভাবতই আমার এই উদাসিনতাকে সে ভাল ভাবে গ্রহণ করতে পারেনি।    &lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-2963476530435620228?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/2963476530435620228/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=2963476530435620228' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/2963476530435620228'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/2963476530435620228'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2010/02/blog-post_20.html' title='গ্রাহকসেবা'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-6769903370718201458</id><published>2010-01-13T11:58:00.000+06:00</published><updated>2010-01-13T11:58:24.823+06:00</updated><title type='text'>সভ্যতা বনাম অসভ্যতা</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;ফ্রান্স বোরকার বিরুদ্ধে একটি কঠোর আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে। যে সব নারী বোরকা পড়ে জনসমক্ষে যাবেন তাদের ১ হাজার ৮০ ডলার জরিমানা করা হবে। &lt;/span&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S01grtSDopI/AAAAAAAAAFo/VxsdzOsBzaw/s1600-h/08.01.2010.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S01grtSDopI/AAAAAAAAAFo/VxsdzOsBzaw/s320/08.01.2010.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ফরাসি পার্লামেন্টে ক্ষমতাসীন ইউএমপি দলের সভাপতি জীন ফ্রানসয়েস কোপ বলেছেন, আইনটি করা হবে নারীদের আত্নমর্যাদা রক্ষা করতে। কোপ বলেছেন বোরকা চরমপন্থাকে উৎসাহিত করে।।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ফরাসি প্রেসিডেন্ট নিকোল সারকোজি দীর্ঘদন ধরে নারীদের বোরকা পড়ার তীব্র বিরোধিতা করে আসছেন। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;জনসমক্ষে প্রকাশ্যে রাস্তায় কিংবা সরকারী ভবনগুলিতে বোরকা পরে যাওয়া যাবে না। কেবল বোরকা নয় আপাদমস্তক ঢেকে প্রকাশ্যে গেলেই তারা এই আইনের আওতায় পড়বেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সাধু সাধূ। এই আইনটি নাকি নারীদের আত্নমযার্দা রক্ষা করতে করা হচ্ছে। ফ্রান্সের কোন নারী কি কখনও ফ্রানসয়েস কোপ এর কাছে আবেদন করেছেন যে বোরকা পড়ার কারণে তাদের আত্নমর্যাদা ক্ষুন্ন হচ্ছে। তাহলে ফ্রানসয়েস কোপ এই তথ্য কোথায় পেলেন। স্বপ্নে পেয়ে থাকলে আমাদের কিছু বলার নাই। স্বপ্নে কত লোক কত রোগের অষুধ লাভ করছে আর এটাতো সামান্য জিনিস। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তার মতে বোরকা চরমপন্থাকে উৎসাহিত করে। চরমপন্থীরা কবে থেকে আবার বোরকা পড়া শুরু করে দিল। চরমপন্থীরা কোট, টাই, শার্ট প্যান্ট ও পড়ে থাকে। তাহলে অচিরেই কি আইন করা হবে রাস্তায় শার্ট, প্যান্ট পরে বের হওয়া যাবে না। তাহলেতো ভালই এই শীতে মাইনাস জিরো ডিগ্রী সেলসিয়াস টেম্পেরাচারে দিগম্বর অবস্থায় রাস্তায় বের হতে হবে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ফরাসি প্রেসিডেন্ট নিকোল সারকোজি দীর্ঘদন ধরে নারীদের বোরকা পড়ার তীব্র বিরোধিতা করে আসছেন। জনসমক্ষে প্রকাশ্যে রাস্তায় কিংবা সরকারী ভবনগুলিতে বোরকা পরে গেলেই ১ হাজার ৮০ ডলার জরিমানা করা হবে। কেন? &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;প্রত্যেক দেশের নাগরিকের কিছু নাগরিক অধিকার রয়েছে। সরকারের তাতে হস্থক্ষেপ করার কোন অধিকার নেই। ফ্রন্সের নারীদের অধিকার রয়েছে তাদের পছন্দ অনুযাযী পোশাক নির্বাচন করা। কোন নারী যদি তার ধর্মীয় মূল্যবোধ থেকে বোরকা বেছে নেয় তাহলে তাতে বাধা দেয়ার কোন অধিকার আমাদের নেই। এটা তার স্বাধীনতা। মিনি স্কার্ট পরতে যদি কোন বাধা না থাকে তাহলে বোরকা পড়াতে বাধা কোথায়। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;কোন বাঙ্গালী যদি পশ্চিমা বিশ্বের কোন দেশে যায় তবে লুঙ্গি, পাঞ্জাবী পরে সে বাইরে বের হতে পারবে না। তাতে সাহেবদের মান যায়। আবার পাশ্চাত্যের একজন লোক আমাদের এখানে তার দেশের ঐতিহ্যবাহী পোশাক কোট, টাই পরে দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে। এতে করে কিন্তু আমাদের জাত যাচ্ছে না। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সম্ভবত আমরা এখনও সভ্য হতে পারিনি। তথাকথিত ঐ সব সভ্য দেশ থেকে আমাদেরকে হয়ত আরও অনেক কিছু শেখার বাকী।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সূত্র: সিডনি মর্নিং হেরাল্ড&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-6769903370718201458?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/6769903370718201458/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=6769903370718201458' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/6769903370718201458'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/6769903370718201458'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2010/01/blog-post.html' title='সভ্যতা বনাম অসভ্যতা'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/S01grtSDopI/AAAAAAAAAFo/VxsdzOsBzaw/s72-c/08.01.2010.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-1991396779211439293</id><published>2009-12-29T12:12:00.002+07:00</published><updated>2009-12-29T12:14:52.920+07:00</updated><title type='text'>তদন্ত কমিটি</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;রোগীর আত্নীয় স্বজনরা খুবই হই চই শুরু করে দিল। বেচারার দুইটা মাত্র পা। তার মধ্যে ভুলে ডাক্তাররা ভাল পাটা কেটে বাদ দিয়ে ফেলেছে। এখন বাকী যে একটা পা রয়েছে সেটাও যদি কেটে ফেলতে হয় তবে রোগী হাঁটবে কেমন করে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সবাই মিলে হাসপাতালের জিনিসপত্র মনের আনন্দে (আসলে মনের দুঃখে হবে) ভাঙতে শুরু করে দিল। সাথে এসে যোগ দিল আরও লোকজন যারা রোগীর আত্নীয় নন এবং কখনও রোগীকে দেখেননি। কিন্তু এই ধরনের সুযোগতো আর প্রতিদিন আসে না। লক্ষ টাকা দামের যন্ত্রপাতি ভেঙে ফেল কেউ তোমাকে কিছু বলতে পারবে না। কারো হয়ত কোন পুরনো ক্ষোভ রয়েছে এদের প্রতি। এখন তার শোধ নাও।  &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;অবশেষে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সবাইকে আশ্বস্ত করলেন। তিন সদস্যের একটি তদন্ত টিম গঠন করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষী ডাক্তারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং রোগীকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;রোগী প্রতিক্ষার প্রহর গুণে। তদন্ত আর শেষ হয় না। এক দিন, দুই দিন, এক সপ্তাহ করে পার হয়ে যায় এক মাস। অবশেষে রোগী তার এক পা সম্বল করে ভয়ে ভয়ে হাসপাতারের প্রধান চিকিৎসকের দ্বারস্থ হয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-স্যার আমার কেইসটা একটু দেখবেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-তদন্ত কমিটিতো তাদের রিপোর্ট দিয়ে দিয়েছে। আপনার যে পাটা কাটা হয়েছিল সেই পায়ে গ্যাংগ্রিন ছড়িয়ে পড়ে ছিল। পা না কাটলে তা আপনার সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ত। তখন আপনাকে বাঁচানোই মুসকিল হত। আমিতো সেই তরিৎকর্মা ডাক্তারের প্রশংসা করি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-কিন্তু স্যার আমার পা কাটতে হলে তো আমার কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। আর আমার পায়ে তেমন বড় কোন সমস্যা ছিল না যে পা একে বারেই কেটে ফেলতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;- সেটাতো আর আপনি বললে হবে না। আপনিতো আর ডাক্তার নন। তারপরও আমরা ঐ ডাক্তার প্রতি ব্যবস্থা নিয়েছি। তাকে তিন দিনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে। আর আপনার জন্য ভাল খবর হচ্ছে আপনার অপারেশনের টাকা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ফেরত দিয়েছে। এখন আপনি আপনার পা নিয়ে যেতে পারেন। ফরমালিনে চুবানো একটি বড় পাত্রে করে কাটা পা ডাক্তার রোগীর সামনে এনে হাজির করেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-স্যার আমি এই পা দিয়ে কি করব। এই পা আমার কি কাজে লাগবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-সেটাতো ভাই আমি জানি না। আপনার জিনিস আপনি নিয়ে যান। আর এক মাস ধরে আপনার এই পা যত্নের সহিত সংরক্ষণ করতে গিয়ে আমাদের যে খরচ হয়েছে তার বিল আপনি দিয়ে যান।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-রোগী চোখ কপালে তুলে ফেলে। আপনাকে কে বলেছে পা রেখে দিতে। এখন আমি টাকা দেব কোথা থেকে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;-তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ততো আমরা কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। ঠিক আছে বিলের টাকা দিতে না পারলে অপারেশনের যে টাকা আপনি ফেরত পেতেন সেখান থেকে আমরা তা কেটে রাখছি। তা কেটে রাখার পরও হাসপাতাল আপনার কাছে টাকা পাওনা হয়। সেটা আমরা আপনার ক্ষতিপূরণ বাবদ মাফ করে দিচ্ছি। আমাদরেকে আপনার এখন আর কোন টাকা দিতে হবে না। কি, এবার খুশি তো।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;(আমাদের দেশে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু ঘটে। তদন্ত করার দায়িত্ব পড়ে ডাক্তারদের উপর। পুলিশের হাতে আসামির মৃত্যু হয় তদন্তের ভার থাকে পুলিশের হাতে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সম্প্রতি পর পর কয়েকটি লঞ্চ ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এখানেও তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। আমরা এই টুকুই জানি। তার পরের খবর আর পাই না। সেই তদন্ত কি কখনও আলোর মুখ দেখে আমরা জানতে পারি না। বেশীর ভাগ লঞ্চেরই ফিটনেস নেই। নেই যথাযথ প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা। যে লোকগুলি মারা গেল। যে পরিবারগুলি তাদের আপন জনদের হারাল তাদের খবর আর আমরা পরবর্তীতে নেই না। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;লঞ্চ ডুবির ছাব্বিশ ঘন্টা পর উদ্ধারকারী জাহাজ (সবেধন নীল মণি রুস্তম আর হামজা) ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌছ। মানুষ না শুধু লাশ উদ্ধার করার জন্য। বড় জাহাজ উত্তোলনের মত ক্ষমতা তাদের নেই। রাজনৈতিক নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;কয়েক দিন পত্রিকার পাতায় লেখা লেখি হবে তারপর সব হারিয়ে যাবে।  বসুন্ধরা সিটিতে আগুন লাগলে টিভিতে লাইভ টেলিকাস্ট দেখানো হয়। সব পত্রিকার সাংবাদিক কে কার আগে খবর সংগ্রহ করবেন তার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েন। আর লঞ্চ ডুবিতে বড় জোর কি হয়। কয়েকশ দরিদ্র কিছু মানুষের সলিল সমাধি ঘটে। ১৫ কোটি জনসংখ্যার দেশে এ আর এমন কি। )&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-1991396779211439293?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/1991396779211439293/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=1991396779211439293' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/1991396779211439293'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/1991396779211439293'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2009/12/blog-post_5898.html' title='তদন্ত কমিটি'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-4258824846854732341</id><published>2009-12-29T12:07:00.002+07:00</published><updated>2009-12-29T12:07:48.944+07:00</updated><title type='text'>শপথ</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;দেশে এখন শুধু শপথ এর ছড়াছড়ি। এত সব শপথ যদি আসলেই বাস্তবায়িত হত তবে বিরাট কাজের কাজ হত। এখন চলছে দেশকে দারিদ্রমুক্ত করার শপথ। সরকারী দলের লোকজনেরা এই কাজে ঝাপিয়ে পড়েছেন। চারদিকে মিটিং, মিছিল, ব্যানার আর বক্তৃতার ছড়াছড়ি। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সবাই শপথ করছেন। অনেক বুদ্ধিজীবি, মডেল, মিডিয়ার লোকজনরা রয়েছেন এই কাতারে। তবে আমি আর বাদ থাকি কেন। না হলে মান সন্মান বুঝি আর থাকে না। তাই একটি শুভ দিন দেখে আমিও শপথ করলাম-আমি দেশকে একটি দারিদ্রমুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলব। নিজেই নিজের পিঠ চাপরাতে ইচ্ছে করছে। অনেক বড় একটি কাজের কাজ হয়েছে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এখন সমস্যা হল শপথতো করলাম কিন্তু বাংলাদেশের মত একটি দরিদ্র দেশকে আমি কিভাবে ক্ষুধা ও দরিদ্রমুক্ত দেশ করব সেটাইতো জানি না। এই দেশের কত জন লোক বেকার, কত জন লোক তিন বেলা খেতে পায় না-এই পরিসংখ্যান আমার কাছে নেই। এই দেশের লোকদের গড় আয় কত, আমাদের দেশের বার্ষিক বাজেট ঘাটতি কত- সে হিসেব করতে গেলে আমার মাথা ঘুরায়। আরে বোকার দল এটাতো অর্থনীতিবিদদের কাজ, আমার এটা নিয়ে মাথা ঘামিয়ে লাভ কি। আমার দরকার ছিল শুধু মাত্র শপথ করা তা আমি দায়িত্বপূর্ণ ভাবে সম্পাদন করেছি। সবাই করেছে, আমিও করলাম- ব্যাস। ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়ে এখন বলতে পারব-আমি শপথ করেছি, আপনি করেছেন কি। মনে মনে বলব- আতলামি আর কাকে বলে রে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;চারদিকে রঙিন বেলুন আর রঙ বেরঙ এর ব্যানারে রাজপথ ছেয়ে যাচ্ছে। মিডিয়া হুমড়ি খেয়ে পড়েছে কে কার থেকে আকর্ষনীয় ভাবে সংবাদ উপস্থাপন করবেন। বিষয়- দেশকে দারিদ্রমুক্ত করার শপথ চলছে চারদিকে। যারা এই দলে যোগ দেবেন না, তারা আসলে দেশের ভাল চান না। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;চারদিক আনন্দের বন্যায় ভেসে যাচ্ছে। এক দল দরিদ্র ক্ষুধার্ত শিশু রোদের মাঝে রাস্তার পাশে দাড়িয়ে বোঝার চেষ্টা করছে-আসলে কি হচ্ছে। এরা অপেক্ষা করে আছে খাবারের জন্য, এক টুকরো রুটির জন্যে। অলোচনা শেষ হলে যদি তাদের কিছু খেতে দেয়া হয় সেই আশায়। সবার আনন্দ তাদেরকে স্পর্শ করছে না। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এই মুহুর্তে ক্ষুধাটাই হচ্ছে বাস্তব, আর সব কিছুই অবাস্তব-মেকী। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-4258824846854732341?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/4258824846854732341/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=4258824846854732341' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/4258824846854732341'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/4258824846854732341'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2009/12/blog-post_7955.html' title='শপথ'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-8168716300160189164</id><published>2009-12-29T12:02:00.000+07:00</published><updated>2009-12-29T12:02:22.753+07:00</updated><title type='text'>অমানুষ</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;div style="text-align: left;"&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SzmNK0okLAI/AAAAAAAAAFY/mTel1ZsNUms/s1600-h/Save0003.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SzmNK0okLAI/AAAAAAAAAFY/mTel1ZsNUms/s320/Save0003.JPG" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বেশ কয়েক বছর আগে দেখা জেমস ক্যামেরনের বিখ্যাত ছবি টাইটানিক এখনও মনে দাগ কেটে আছে। বিশেষ করে শেষ মুহুর্তের সেই আবেগময় দৃশ্য- জাহাজ ডুবে গেছে। ছবির নায়ক জ্যাক বরফ শীতল পানিতে ডুবে আছে। তার প্রেমিকা রোজকে বাঁচানোর জন্য প্রাণপন লড়াই করে যাচ্ছে। এক সময় জ্যাক মারা যায়, বাঁচিয়ে দিয়ে যায় তার প্রেমিকাকে। তারপর তার প্রেমিকা রোজ তার স্মৃতি নিয়ে সারা জীবন কাটিয়ে দেয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সবচেয়ে আশ্চর্য ব্যাপার হচ্ছে জাহাজের এতগুলি লোক মারা গেল তাদের জন্য আমার যতটুকু দুঃখ বোধ হয় তার চেয়ে অনেক বেশী দুঃখ হয় জ্যাক বেচারার জন্য। জাহাজের অন্য লোকজন মারা যায় যাক কিন্তু পরিচালক ব্যাটাতো জ্যাককে অন্তত রোজের জন্য বাঁচিয়ে রাখতে পারত। যদিও সিনেমা, তারপরও তখন নায়কের জন্য বুকে এক ধরনের হাহাকার অনুভব করি। ছবির আবেগময় শেষ দৃশ্যের সাথে সাথে আমাদের চোখও ভিজে আসে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;২০০৮ ডিসেম্বর কিছু হতদরিদ্র বঙ্গ সন্তান অভাবের তাড়নায় শেষ সহায় সম্বল বিক্রি করে দিয়ে ২০ থেকে ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে দালালের মাধ্যমে সমুদ্র পথে মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমায়। দিন দশেক পর থাইল্যান্ডের সমুদ্রসীমায় পৌছলে সে দেশের কোস্ট গার্ড তাদের আটক করে সাত দিন পাহাড়ের উপর খোলা আকাশের নীচে রেখে নির্যাতন চালায়। তারপর নৌকাগুলির ইঞ্জিন খুলে বড় একটি জাহাজের পেছনে দঁড়ি দিয়ে বেধে সমুদ্রে নিয়ে যায়। দুই দিন পর জাহাজ থেকে কিছু চাল, বিস্কুট , পানি দিয়ে তাদের নৌকাগুলি গভীর সমুদ্রে ছেড়ে দেয়া হয়। এরপর ৮-১০ দিন ভাসতে ভাসতে নৌকাগুলি আন্দামানে পৌছালে ভারতীয় কোস্টগার্ড স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে। সম্প্রতি দীর্ঘ ৮ মাসের নরক যন্ত্রণার পর এরা সহায় সম্বলহীন অবস্থায় দেশে ফিরতে শুরু করেছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এদের থেকে বেঁচে ফিরে আসা একজনের মর্মস্পর্শী কাহিনী ছিল অনেকটা এ রকম-&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ছোট্র একটি ট্রলারে আমরা ১১৯ জন ভাসছি। সাগর আর শেষ হয় না। তৃষ্ণা মেটানোর জন্য সাগরের লোনাপানি খেয়েছি। লোনা পানি খেয়ে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চোখের সামনে ছটফট করে আমাদের  সঙ্গের ১৯ জন মারা গেল। চেয়ে দেখা ছাড়া আমাদের কিছুই করার ছিল না। তাদের লাশ ফেলে দেয়া হয় সাগরে। এভাবে কেটে যায়  ১০-১২ দিন। গভীর সাগরে ভাসতে ভাসতে নিকোবার নামের একটি দ্বীপে গিয়ে নৌকা ভিড়ে। সেখানে পাতা সিদ্ধ করে খেয়ে কোনমতে ক্ষুধা মিটিয়েছি। এদের ভাষ্য মতে এদের দলে ৫০০ এরও বেশী লোক ছিল্। এদের মধ্যে বেশীর ভাগ মারা যায় সাগরে ডুবে। তাদের সাথে যাওয়া মোট ৩০৫ জনের মত মারা গেছে।   &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আমি কিছু দিন পূর্বে একটি প্রথম শ্রেণীর জাতয়ি দৈনিকের শেষ পাতায় খবরটি পড়ি। আমি সকালের চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে খবরটি পড়ি, আমার কোন ভাবান্তর হয় না। এই সব খবর শেষের পাতায় আসবে এটাইতো স্বাভাবিক। কারণ এই সব হতভাগ্য লোকদের করুণ কাহিনী নিয়ে আমাদের পাবলিসিটির সুযোগ কম। পাবলিক এই সব জিনিস সহজে খেতে চায় না। তারচেয়ে মিডিয়াতে কোন রান্নার রেসিপি দেখানো যেতে পারে। যেমন, মরিচের ঝাল হালুয়া। তাছাড়া এর চেয়ে অনেক বড় বড় কাজ আমাদের রয়েছে। দেশকে বদলে ফেলার কাজ। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কাজ। আরও কত্ত কি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;প্রতি বছর এ ধরণের ঘটনা ঘটতেই থাকবে আর পত্রিকার এক কোনায় এই খবর পড়ার কিছুক্ষণ পর আমরা এদের কথা ভুলে যাব। এটাই স্বাভাবিত। অথচ সিনেমায় জাহাজ ডুবি দেখে আমরা চোখের জল ফেলি। কারণ এরাতো আর সিনেমার কোন স্টার নয় যে এদের জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে। পশুদের অধিকার রক্ষায় বেশ কিছু সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে। পশুদের উপর কোন নির্যাতন হলে এরা সোচ্চার হয়ে উঠে। এতগুলি মানুষ মারা গেল, এতগুলি লোকের উপর এই অমানবিক আচরণ করা হল, আমাদের কোন বিকার নাই। কারণ এরাতো আর পশূ নয়। পশুরও অধম, এরা হচ্ছে মানুষ নামের অমানুষ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-8168716300160189164?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/8168716300160189164/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=8168716300160189164' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/8168716300160189164'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/8168716300160189164'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2009/12/blog-post_29.html' title='অমানুষ'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SzmNK0okLAI/AAAAAAAAAFY/mTel1ZsNUms/s72-c/Save0003.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-4509629865050219291</id><published>2009-12-29T11:34:00.003+07:00</published><updated>2009-12-29T11:55:18.226+07:00</updated><title type='text'>শিকার</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: left;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SzmGDQzZ8LI/AAAAAAAAAFA/gPR_hDgpV-A/s1600-h/Save.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SzmGDQzZ8LI/AAAAAAAAAFA/gPR_hDgpV-A/s320/Save.JPG" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ছেলেটির চোখে মুখে লাজুক চাহনি। চেহারায় এক ধরনের সরলতা রয়েছে। ছেলেটি যথাসম্ভব চেহারায় কাঠিন্য ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করছে। এতে করে তার ছেলেমানুষি ভাব আরও প্রকট হয়ে ফুটে উঠছে। আশরাফ সাহেব হেসে ফেলেন। ১৬-১৭ বছর বয়সের এই ছেলেটি হয়ত উনাকে কিছু বলতে চায়। নার্ভাসনেসের কারণে বলতে পারছে না।&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;খোকা তুমি কি আমায় কিছু বলবে?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ছেলেটি কোন উত্তর দেয় না। তার মুখ ফ্যাকাশে হয়ে যায়। তার একটি হাত ধীরে ধীরে ঢুকে যায় প্যান্টের পকেটে। একটু পর সে হাতটা বাইরে বের করে নিয়ে আসে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আশরাফ সাহেব বিস্ফোরিত ভাবে ছেলেটির হাতের দিকে তাকিয়ে থাকেন। ছেলেটির হাত একটু একটু কাঁপছে। তিনি নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছেন না। ছেলেটির হাতে ধরা ছোট্র একটি আগ্নেয়াস্ত্র উনার দিকে তাক করা। একটু আগের লাজুক সেই ছেলেটিকে তিনি আর এখন চিনতে পারছেন না। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ছেলেটিকে এখন আর দেবদূত বলে মনে হচ্ছে না। যেন তার ভেতর থেকে একটি দানব বের হয়ে আসার চেষ্টা করছে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ছেলেটি পর পর দুবার গুলি করে। আশরাফ সাহেব মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। উনার বিস্ময় ভাব এখনও কাটেনি। মনে হচ্ছে যেন এ সব কিছুই স্বপ্ন দৃশ্য। বাস্তবে ঘটছে না।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ছেলেটির কোন ভাবান্তর হয় না। যত কঠিন হবে বলে সে ভেবেছিল কাজটা তত কঠিন হয়নি। বস ঠিকই বলে ছিল মানুষ খুন কার আসলে খুব একটা কঠিন কাজ না। একটু সাহস থাকলেই হয়। সে কোন তাড়া অনুভব করে না। তার কাজ শেষ হয়েছে। পার্টিকে এখন জানিয়ে দিতে হবে কন্ট্রাক মত সব কাজ শেষ হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ছেলেটি ধীর পায়ে সামনে এগুতে থাকে তার দ্বিতীয় শিকারের দিকে। পকেটে হাত দিয়ে দুই হাজার টাকার অস্তিত্ব অনুভব করার চেষ্টা করে। তার প্রথম রোজগার। নিজের উপার্জনের প্রথম টাকায় গভীর মমতা মেশানো থাকে। সে কখনই সেই মমতা অনুভব করতে পারবে না। এই টাকা সে তার প্রিয়জনদের হাতে তুলে দিতে পারবে না। এই টাকায় রক্ত লেগে আছে। আর একজন ভাড়াটে খুনির কোন পরিবার কোন প্রিয় মানুষ থাকে না। মানুষ থেকে সে কখন দানবে রুপান্তরিত হয়ে পড়েছে তা নিজেও জানে না।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;(উপরের ঘটনাটি কাল্পনিক। রূপক অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু নীচের বর্ণনাটি মোটেও কাল্পনিক নয়। ২০ আগস্ট দৈনিক ইত্তেফাক থেকে নেয়া-&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;পিচ্চি আল আমিনের বয়স ১৭ বছর। নবম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ার পর অর্থের অভাবে আর পড়াশোনা করতে পারেনি। অভাবের তাড়নায় কয়েক বছর পূর্বে ঢাকায় চলে আসে। এর মধ্যে দুই বছর একটি গার্মেন্টএ কাজ করা কালে ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণকারী সন্ত্রাসীদের সঙ্গে পিচ্চি আল আমিনের সখ্যতা গড়ে উঠে। সন্ত্রাসীদের আড্ডায় গিয়ে অস্ত্র ব্যবহার করার প্রশিক্ষণ নেয় সে। এরপর পিচ্চি আল আমিন ভাড়াটে সন্ত্রাসী হিসেবে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় হত্যাকান্ড, ছিনতাই, ডাকাতিসহ শুরু করে দেয় নানা অপরাধ।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;১৫ বছর বয়স থেকে সে এই সব অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে। তার বয়সী আরও ১৫-২০ জন সহযোগী রয়েছে তার। সম্প্রতি সে রেবের হাতে ধরা পড়ে। সে জানায় তার রেট খুব বেশী নয়। মাত্র ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা দিলে সে মানুষ খুন করে। এর মধ্যে সে এক ডজন হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। এসব ঘটনায় কে বেঁচে আছে আর কে মরে গেছে এটা সে কখনো খতিয়ে দেখে না। হত্যাকান্ডে তার চরম শাস্তি মৃত্যুদন্ড হতে পারে এটা সে তোয়াক্কা করছে না। গ্রেফতার হলে সে সহজে ছাড়া পেয়ে বের হয়ে আসে। এরজন্য তার বড় ভাইয়ারা তার পেছনে রয়েছে। হত্যাকান্ড সে তাদের নির্দেশে করে থাকে। হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র তার বড় ভাইয়ারা সরবরাহ করে থাকে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ছবির ছেলেটির মায়াময় মুখ দেখলে কে বিশ্বাস করবে সে একজন প্রফেশনাল কিলার। মানুষ খুন করা যার পেশা। এসব ছেলের এখন স্কুল কলেজে পড়ার বয়স। এরা বড় হবে অনেক স্বপ্ন নিয়ে। সেই জায়গায় একেক জন একেকটি খুনি হিসেবে গড়ে উঠছে। এরা নিজেরাও জানে না এরা কি করছে, কি ভয়াবহ কাজে জড়িয়ে পড়েছে। তারা জানে না এদের কে শুধুমাত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। কোল্ড ড্রিংস খাবার পর মানুষ যেমন খালি ক্যান ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলে দেয় এদের কেও কাজ হয়ে গেলে এক সময় ছুড়ে ফেলে দেয়া হবে। কারণ এদের কাছে এরা মানুষ মারার একটি যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়।)     &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-4509629865050219291?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/4509629865050219291/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=4509629865050219291' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/4509629865050219291'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/4509629865050219291'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2009/12/blog-post.html' title='শিকার'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SzmGDQzZ8LI/AAAAAAAAAFA/gPR_hDgpV-A/s72-c/Save.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-1191347356985401175</id><published>2009-07-09T14:29:00.003+07:00</published><updated>2009-07-09T14:36:14.868+07:00</updated><title type='text'>পদক</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SlWdwjzv84I/AAAAAAAAADQ/PjuUJFGgwZs/s1600-h/madel.JPG"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 61px; height: 320px;" src="http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SlWdwjzv84I/AAAAAAAAADQ/PjuUJFGgwZs/s320/madel.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5356360789398647682" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;জানেন এই একেকটা পদক আমার কাছে নিজের সন্তানের মত। সামনে দাঁড়ানো ভাঙাচোরা লোকটি পরম মমতায় পদকগুলির গায়ে হাত বুলাতে থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্যাশ বাক্সে বসা বিশাল বপুর অধিকারী সিল্কের পাঞ্জাবী গায়ে দেয়া দোকাদারের কোন ভাবান্তর হয় না। দোকানী মনে মনে হিসেব কষতে থাকে মেডেলগুলি গলালে কতটুকু সোনা আর কতটুকু খাদ বের হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি এ্যাথলেটিকসে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে এই সোনার মেডেলগুলি পেয়েছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লোকটার কথা শেষ হয় না। দোকানী মুখ বাঁকা করে জানতে চায়-দাম চান কত। এই সব রদ্দি মালে বেশীর ভাগই স্বার্নের পানি দেয়া থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লোকটি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে- দেশ স্বাধীনের স্বপ্ন নিয়ে এক সময় যুদ্ধ করেছি। দেশ কি আমরা আসলেই স্বাধীন করতে পেরেছি। অভাবের তাড়নায় আজ আমাকে নিরুপায় হয়ে আমার সারা জীবনের সঞয় এই পদকগুলি বিক্রি করতে হচ্ছে। এ যে আমার কাছে কত কষ্ট আর লজ্জার ব্যাপার আপনি তা বুঝবেন না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নূরানী চেহারার অধিকারী দোকানী পানের পিক ফেলতে ফেলতে বলতে থাকে-এই আপনাদের আর এক সমস্যা। খালি সেন্টিমেন্টস। যুদ্ধ করছেন দেশের জন্য এর মধ্যে আবার লাভের আশা করেন ক্যান। আপনার কপালে লেখা ছিল দরিদ্র হওয়া আপনি তা হইছেন। সব আল্লাহপাকের ইচ্ছা। দোকানী কয়েকটি নোট লোকটির দিকে ছুড়ে দেয়- নেন, ভাল দাম পাইছেন। আজান হইয়া গেছে নামাজে যামু। আপনেও যান। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন আর আল্লারে ডাকেন। তিনিই বিপদের মালিক তিনিই উদ্ধারকর্তা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;(মোস্তাক আহমেদ, গ্রামের বাড়ী সিলেটের বিয়ানী বাজারে বাহাদুরপুরের বারইগ্রামে। ১৯৭০ সালে তিনি সেনাবাহিনীতে সৈনিক হিসেবে যোগদান করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে চট্রগ্রামের ৪ নং সেক্টর থেকে যুদ্ধে অংশ নেন। সর্বশেষে অনারারী ক্যাপ্টেন হিসেবে ২০০২ সালে অবসরে যান। স্বাধীনতার পর থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত এ্যাথলেটিকসে তিনি বহুবার দেশের হয়ে বিদেশে খেলেছেন। মোট ৬৯ টি স্বর্ণপদক পেয়ে বাংলাদেশের সোনার ছেলে অবিধায় ভূষিত হয়েছেন। তিনি একটানা কয়েকবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন, হয়েছেন বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই কয়েকবার বর্ষসেরা এ্যাথলেট ও মুক্তিযোদ্ধা অভাবের তাড়নায়  ১৯৮৯-৯০ সালে বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতি থেকে পাওয়া সোয়া ভরি ওজনের স্বর্ণের দুইটা হরিণ বিক্রি করে দিয়েছেন। কয়েকদিন পূর্বে আবার সিলেট থেকে ঢাকায় আসেন ১৯৭৭ সালে সেরা ক্রীড়াবিদ হিসেবে পাওয়া ১ম স্বাধীনতা পদকটি বিক্রি করার জন্য।)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*ষূত্র:  দৈনিক ইত্তেফাক, ৭ জুলাই ২০০৯&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-1191347356985401175?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/1191347356985401175/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=1191347356985401175' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/1191347356985401175'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/1191347356985401175'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2009/07/blog-post.html' title='পদক'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SlWdwjzv84I/AAAAAAAAADQ/PjuUJFGgwZs/s72-c/madel.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-5937116292766021484</id><published>2009-05-01T16:20:00.000+06:00</published><updated>2009-05-01T16:22:25.395+06:00</updated><title type='text'>আপনি কি বিখ্যাত হতে চান?</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:130%;"&gt;বিখ্যাতরা যা করেন তাই মজার কান্ড। আপনি আমি করলে তা হবে পাগলামী। নীচে এদের কিছু মজার কান্ডকীর্তি দেয়া হল। এখন আপনি চিন্তা করে বের করুন কোন কান্ডটি ঘটিয়ে আপনি ইতিহাসে এদের মত জায়গা করে নিতে পারবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১. হামদার্দ এর প্রতিষ্ঠাতা হেকিম আজমল খানের চিকিৎসক হিসেবে খুব নাম ডাক ছিল। তিনি নাকি রোগীকে না দেখেই শুধু রোগীর প্রশ্রাব দেখেই রোগ নির্ণয় করতে পারতেন। এ কথা শুনে একবার এক ব্যক্তি পরীক্ষা করার জন্য নিজের প্রশ্রাব না পাঠিয়ে উটের প্রশ্রাব পাঠালেন রোগ নির্ণয়ের জন্য। আজমল খান প্রশ্রাব পরীক্ষা করে ব্যবস্থাপত্র দিলেন-এই প্রশ্রাবের মালিককে আরও বেশী করে খড় এবং ভুষি খেতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২. নামী হস্তরেখাবিদ কিরোর পান্ডিত্য পরীক্ষা করে দেখার জন্য একবার এক লোক চিড়িয়াখানার শিম্পাঞ্জির হাতের ছাপ নিয়ে কিরোকে হাতের ছাপের মালিক সম্পর্কে কিছু বলতে অনুরোধ করেন। কিরো হাতের ছাপটি দেখে বলেন-এটি নিশ্চয়ই আপনার কোন ঘনিষ্ট আত্নীয়ের হাতের ছাপ হবে। তাকে বলবেন খাঁচা থেকে বেরিয়ে এসে আপনার সাথে থাকতে। তা হলে আপনাদের দুই জনের উন্নতি হবে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩. বিশ্ববিখ্যাত অভিনেতা চার্লি চ্যাপলিনের সুনাম তখন চারদিকে । কে কতটুকু  চার্লি চ্যাপলিনের মত অভিনয় করতে পারে এই নিয়ে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। নিজের পরিচয় প্রকাশ না করে চার্লি চ্যাপলিনও ঐ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। ফলাফল ঘোষণার দিন দেখা গেল স্বয়ং চার্লি চ্যাপলিন প্রতিযোগিতায় অভিনয় করে তৃতীয় হয়েছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪. এক ব্যাংকের কর্মকর্তার একটি চোখ নষ্ট হয়ে গেলে তিনি একটি পাথরের চোখ লাগান। এবং চোখটি এত নিখুত ছিল কেউ ধরতে পারত না কোনটা নকল চোখ। মার্ক টোয়েন একবার ঐ ব্যাংকে টাকা উঠাতে গেলে ঐ কর্মকর্তা মজা করার জন্য মার্ক টোয়েনকে বলেন আপনি যদি বলতে পারেন আমার কোন চোখটা নকল তবে আমি আপনাকে টাকা দেব।&lt;br /&gt;মার্ক টোয়েন কিছুক্ষণ লোকটির চোখের দিকে তাকিয়ে বলেন-আপনার বাম চোখটা নকল।&lt;br /&gt;লোকটি বিস্মিত হয়ে জানতে চায়-কিভাবে বুঝলেন?&lt;br /&gt;মার্ক টোয়েন উত্তর দেন- কারণ আপনার বাম চোখের মাঝেই এখনও দয়া ও করুণার কিছু আভা দেখা যাচ্ছ। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫. নামি চিত্রকর হেনরি মোশের বিমূর্ত ছবি লা বের প্রদর্শন চলছিল নিউ ইয়র্কের একটি জাদুঘরে। প্রদর্শনীতেলোকে ভিড় করে দেখতে এল ছবিটি। সবাই খুব প্রশংসা করলেন। প্রদর্শনীর সাতচল্লিশ দিনের মাথায় শিল্পী নিজে আসলেন প্রদর্শনী দেখতে। জাদুঘরের কিউরেটর জানাল- আপনার ছবিটির সবাই খুব প্রশংসা করছে।&lt;br /&gt;কিন্তু শিল্পী মোটেও খুশি হলেন না। মুখ গোমড়া করে জানতে চাইলেন-ছবিটা কি সেই প্রথম থেকেই এখাবে উল্টা হয়ে ঝুলছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৬. রুটস খ্যাত লেখক আরেক্স হ্যালি রুটস বইয়ের তথ্য সংগ্রহে জাহাজে জাহাজে ঘুরে বেড়ান। তেমনি এক জাহাজে ইউরোপিয়ান এক মহিরা উনার কাছে জানতে চান-আপনারা আফ্রিকানরা নাকি মানুষের মাংস খান?&lt;br /&gt;এমন প্রশ্ন শুনে রেগে বললেন হ্যালি-হ্যা, খাই।&lt;br /&gt;শুনে ভড়কে গিয়ে সামনে থেকে সরে পড়লেন মহিলা।&lt;br /&gt;রাতে খাবার টেবিলে ঐ মহিলার পাশের চেয়ারেই বসলেন হ্যালি। সবাইকে খাবার পছন্দ করার জন্য খাদ্য তালিকা দেয়া হল। মহিলাকে আরও ঘাবড়ে দেয়ার জন্য হ্যালি বেয়ারাকে ডেকে গম্ভীর গলায় বললেন-আমাকে জাহাজের যাত্রীদের তালিকাটি দিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৭. সকাল বেলা কাজের লোক বিজ্ঞানী নিউটনের হাতে একটি ডিম দিয়ে বলল-স্যার, আমি একটু বাজারে যাচ্ছি। চুলায় পানি ফুটতে দিয়েছি। ফুটে গেলে তাতে ডিমটা ছেড়ে দিয়ে সিদ্ধ করে নেবেন। একটু পর কাজের লোক ফিরে এসে দেখল ডিমটি নিউটনের হাতেই রয়ে গেছে, আর চুলায় সিদ্ধ হচ্ছে নিউটনের হাত ঘড়িটি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৮. নিউটন একটি মেয়েকে ভালবাসতেন। একদিন বিকেলে বাগানে বসে মেয়েটির সাথে আলাপে মশগুল ছিলেন। নিউটনের চুরুট খাবার ইচ্ছে হল। হঠাৎ মেয়েটির চিৎকারে নিউটন লাফিয়ে উঠেন। চুরুট ভেবে তিনি মেয়েটির আঙ্গুলে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সংগ্রহ: আসমার ওসমান সম্পাদিত বিখ্যাতদের সত্যি জোকস।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-5937116292766021484?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/5937116292766021484/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=5937116292766021484' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/5937116292766021484'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/5937116292766021484'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2009/05/blog-post.html' title='আপনি কি বিখ্যাত হতে চান?'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-3619862653715842875</id><published>2009-04-28T10:10:00.001+06:00</published><updated>2009-04-28T10:13:23.833+06:00</updated><title type='text'>বিখ্যাতদের মজার উত্তর</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:130%;"&gt;বিখ্যাতরা প্রায়ই বিভিন্ন প্রশ্নের মজার উত্তর দিয়ে থাকেন। তাই শিরোনাম- বিখ্যাতদের মজার উত্তর। যেহেতু তারা বিখ্যাত।&lt;br /&gt;তবে এ ধরনের বেফাস মন্তব্য আমি করলে শিরোনাম হত- ছাগু ব্লগারের আতলামি। যেহেতু আমি অখ্যাত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১.    সুপারম্যান খ্যাত অভিনেতা ক্রিস্টোফার রীভকে একবার প্রশ্ন করা হয়েছিল -সুপারম্যান আর জেন্টেলম্যান এর মধ্যে পার্থক্য কি?&lt;br /&gt;তিনি গম্ভীর মুখে উত্তর দিলেন- সহজ পার্থক্য। জেন্টেলম্যানরা আন্ডারঅয়্যার পরে প্যান্টের নিচে আর সুপারম্যান পরে ওপরে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২.    কিংবদন্তীমুষ্টিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলীকে প্লেনে উড়বার আগে সিট বেল্ট বাঁধার কথা মনে করিয়ে দিলেন বিমানবালা। আলী অহংকারী গলায় উত্তর দিলেন- সুপারম্যানের সিট বেল্ট বাধার প্রয়োজন হয়না।&lt;br /&gt;কিন্তু সত্যিকার সুপারম্যানের প্লেনে চড়বারও দরকার হয় না-বিমানবালা চটপট উত্তর দেয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩.    স্বামী বিবেকানন্দের বাবা তার বৈঠকখানায় অনেকগুলি হুকো রাখতেন যেন এক জনের পান করা হুকো মুখে দিয়ে অন্যের জাত না যায়। একদিন বিবেকানন্দ সবগুলো হুকোয় একবার করে টান দিলেন।&lt;br /&gt;এ তুমি কি করলে -ক্ষেপে গিয়ে উনার বাবা জানতে চাইলেন।&lt;br /&gt;দেখলাম জাত যায় কিনা-বিবেকানন্দের উত্তর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪. একবার এক মহিলা কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্য কিছু পিঠা বানিয়ে নিয়ে যান। কেমন লাগল পিঠা জানতে চাইলে কবি গুরু উত্তর দেন- লৌহ কঠিন, প্রস্তর কঠিন, আর কঠিন ইষ্টক, তাহার অধিক কঠিন কন্যা তোমার হাতের পিষ্টক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫.    কবি মাইকেল মধুসুদনের অর্থিক অনটনের সময় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর উনাকে টাকা পয়সা দিয়ে সাহায্য করতেন। একদিন এক মাতাল উনার কাছে সাহায্য চাইতে এলে বিদ্যাসাগর বললেন-আমি কোন মাতালকে সাহায্য করি না।&lt;br /&gt;কিন্তু আপনি যে মধুসুদনকে সাহায্য করেন তিনিওতো মদ খান-মাতালের উত্তর।&lt;br /&gt;বিদ্যাসাগর উত্তর দেন -ঠিক আছে আমিও তোমাকে মধুসুদনের মত সাহায্য করতে রাজী আছি তবে তুমি তার আগে একটি মেঘনাথ বধ কাব্য লিখে আন দেখি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৬.    বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন এর মেধার তুলনায় চেহারা ছিল নিতান্তই সাদামাটা। একবার এক সুন্দরী অভিনেত্রী প্রস্তাব দেন-চলুন আমরা বিয়ে করে ফেলি। তাহলে আমাদের সন্তানের চেহারা হবে আমার মত সুন্দর আর মেধা হবে আপনার মত প্রখর।&lt;br /&gt;কিন্তু যদি ঠিক এর উল্টোটা ঘটে তবে কি হবে-আইনস্টাইন নির্বিকার ভাবে উত্তর দেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৭.    স্যার উইন্সটন চার্চিলের তর্ক হচ্ছিল নারী নেত্রী ন্যান্সি অ্যাস্টয়ের সাথে। তর্ক একসময় রীতিমতো ঝগড়ার পর্যায়ে চলে যায়। গলা উচিয়ে ন্যান্সি বলেন-তোমার সাথে বিয়ে হলে কফিতে বিষ মিশিয়ে আমি তোমাকে খুন করতাম।&lt;br /&gt;চার্চিল উত্তর দেন- তোমার মত বউ হলে বিষ খেয়ে মরতে আমার কোনও আপত্তি থাকত না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৮.    একবার এক ছাত্র মার্ক টোয়েনের কাছে এসে বলল-আমি ডাক্তারি পড়া ছেড়ে দিয়েছি। এখন সাহিত্য চর্চার মধ্য দিয়ে মানুষের উপকার করতে চাই।&lt;br /&gt;মার্ক টোয়েন উত্তর দিলেন-তুমি ডাক্তারী পড়া ছেড়ে দিয়ে এমনিতেই মানবজাতির অনেক উপকার করেছ। আর উপকার না করলেও চলবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৯.    মার্ক টোয়েন একবার উনার এক সাংবাদিক বন্ধুকে বললেন বছর দশেক লেখালেখি করার পর বুঝতে পারলাম এ ব্যাপারে আমার কোনও প্রতিভা নেই।&lt;br /&gt;তাহলে এটা বুঝবার পরও তুমি কেন লেখালেখি চালিযে যাচ্ছ-বন্ধু জানতে চায়।&lt;br /&gt;মার্ক টোয়েন উত্তর দেন-কি করব, ততদিনে আমি রীতিমতো বিখ্যাত হয়ে গেছি যে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১০.    সমাধীস্থলের চারদিকেল দেয়ালের জন্য মার্ক টোয়েনের কাছে চাঁদা চাইতে গেলে তিনি উত্তর দেন-সমাধীস্থলের চারদিকে দেয়াল দেয়ার কোন প্রয়োজন দেখি না। কারণ যারা ওখানে থাকে তাদের বাইরে বেরিয়ে আসার ক্ষমতা নেই। আর যারা বাইরে থাকেন তাদের ওখানে যাবার কোন ইচ্ছে আছে বলে আমার মনে হয় না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সংগ্রহ: আসমার ওসমান সম্পাদিত বিখ্যাতদের সত্যি জোকস।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-3619862653715842875?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/3619862653715842875/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=3619862653715842875' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/3619862653715842875'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/3619862653715842875'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2009/04/blog-post_4407.html' title='বিখ্যাতদের মজার উত্তর'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-3655160157466716953</id><published>2009-04-27T10:22:00.001+06:00</published><updated>2009-04-27T10:27:44.655+06:00</updated><title type='text'>রাজনীতির কৌতুক</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:130%;"&gt;১.    আলোচনা হচ্ছিল মালয়েশিয়ার এক মন্ত্রী ও  বাংলাদেশের এক মন্ত্রীর মধ্যে।&lt;br /&gt;মালয়েশিয়ার মন্ত্রী: আমরা আমাদের দেশের লোকদের বিভিন্ন সমস্যার স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করে থাকি। ধরা যাক শীতার্ত একজন লোক। তাকে আমরা আগুন জ্বালানো শিখিয়ে দেই। ফলে তার আর কখনই উষ্ণতার অভাব হয়না।&lt;br /&gt;বাংলাদেশের মন্ত্রী: আমাদের নীতি আরও সহজ। একজন শীতার্তকে আগুন জ্বালানো শিখানো সমসাপেক্ষ কাজ।  আমরা বলি একজন শীতার্তকেই আগুনে পুড়িয়ে দাও, তাহলে বাকী জীবন আর তার&lt;br /&gt;উষ্ণতার দরকারই হবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২.    মারা গেছেন বুশ। ততদিনে আমেরিকা সারা বিশ্বে যুদ্ধ করতে করতে ক্লান্ত বিধ্বস্থ। তাই বুশের মৃত্যুতে আমেরিকানরা উল্লসিত। বুশকে কবর দেয়ার দায়িত্ব নিতে চাইল তার আজীবনের বন্ধু ইহুদীরা। ইহুদীদের প্রধান এ ব্যাপারে আমেরিকানদের কাছে আবেদন জানাল। কিন্তু আমেরিকানরা এই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিল-যা ব্যাটা, তোদের বিম্বাস নেই। তোরা যীশু খৃষ্টকে কবর দিয়েছিলি, তিনি তিনদিন পর বেঁচে উঠেছিলেন। বুশকে পুনর্জন্ম নেবার কোন রিক্স আমরা নিতে পারি না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩.    জর্জ ওয়াশিংটন এক দিনের জন্য পৃথিবীতে আসার ইচ্ছা পোষণ করলে ঈশ্বর তার ইচ্ছা পূরণ করেন। কফিন থেকে পুর্নজন্ম নিয়ে বেরিয়ে এসে সামনে কবরস্থানের কেয়ারটেকারকে দেখতে পান। জর্জ ওয়াশিংটনের খুব ক্ষিদে পেয়েছে। কেয়ারটেকারকে বললেন-তুমি কি আমার জন্য একটু শিক কাবাবের ব্যবস্থা করতে পারবে। সামনে জলজ্যান্ত ওয়াশিংটনকে দেখে কেয়ারটেকারের ভিমরি খাবার অবস্থা। এক্ষুণি ব্যবস্থা করছি স্যার-কেয়ারটেকার পড়িমড়ি করে ছুট লাগাল। প্রথমেই সে গিয়ে ফোন দিল জর্জ বুশের কাছে।  জর্জ বুশ কেয়ারটেকারকে নিয়ে ছুটে চলে আসেন কবরস্থানে। বুশকে দেখে ওয়াশিংটন বিরক্ত গলায় কেয়ারটেকারকে বলেন- তোকে আনতে বললাম শিক কাবাব, আর তুই কিনা আস্ত গরুটাই এখানে নিয়ে এলি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪.    দেশের সেরা দশজন রাজনীতিবিদ নিয়ে দূর গ্রামে বিধ্বস্থ হয়েছে একটি হেলিকপ্টার। খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল রওয়ানা হল। গ্রামে পৌছে দেখল দশটি সারিবদ্ধ কবর। গ্রামবাসীরা ইতিমধ্যেই তাদের কবর দিয়ে ফেলেছ। উদ্ধারকারী দলের নেতা পাশে দাড়ানো গ্রামবাসীর কাছে জানতে চাইলে- সবাই কি এক সাথেই মারা গিয়েছিল।&lt;br /&gt;লোকটি দাঁত কেলিয়ে বলল-দুয়েক জন অবশ্য কবর দেয়ার আগ পর্যন্ত বলছিল যে, তারা মরেনি, বেঁচে আছে। আমরা তাদের কথা মোটেও বিশ্বাস করিনি। কারণ আপনারাতো জানেনই যে, রাজনীতিবিদ নেতারা কত মিথ্যা কথা বলে থাকেন। আমরা সবাইকেই কবর দিয়েছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫.    বাংলাদেশের টি.এন্ড.টি মন্ত্রী গেছেন ব্রিটেনে। ব্রিটেনের টি.এন্ড.টি মন্ত্রী উনাকে জংলা মত একটি জায়গায় নিয়ে গিয়ে বললেন-মাটি খুড়ুন।&lt;br /&gt;বাংলাদেশের মন্ত্রী মাটি খুড়তে শুরু করলেন। দশ ফুট মাটি খুড়ে পাওয়া গেল জীর্ণ টেলিগ্রাফের তার। ব্রিটেনের মন্ত্রী সগর্বে বললেন-দেখলেনতো দুইশ বছর আগেও আমাদের দেশে টেলিগ্রাফের প্রচলন ছিল।&lt;br /&gt;এর কিছুদিন পর ব্রিটেনের টি.এন্ড.টি মন্ত্রী এসেছেন বাংলাদেশে। বাংলাদেশের মন্ত্রীও উনাকে জংগলে গিয়ে মাটি খুড়তে অনুরোধ করলেন। মন্ত্রী খুড়তে আরম্ভ করলেন। দশ-বিশ-ত্রিশ ফিট পর্যন্ত খোড়া হল। কিন্তু কিছুই পাওয়া গেল না। ব্রিটেনের মন্ত্রী বিরক্ত হয়ে বললেন-কই, কোন তারইতো পাচ্ছি না।&lt;br /&gt;এবার গর্বের সাথে উত্তর দিলেন বাংলাদেশের মন্ত্রী-তাহলেই বুঝুন, দুইশ বছর আগেই আমাদের দেশে মোবাইল ফোনের প্রচলন ছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৬.    আমাদের দেশের এক রাজাকার মন্ত্রী যাচ্ছেন গ্রামের রাস্ত দিয়ে। হঠাৎ করে একটি শূকর ছানা উনার গাড়ীর নিচে চাপা পড়ল। মন্ত্রী ড্রাইভারকে বললেন -আহা, কার জানি শূকর ছানা। তুমি গ্রামের ভিতরে গিয়ে এর মালিককে উপযুক্ত দাম দিয়ে এস।&lt;br /&gt;ঘন্টা খানেক পর মন্ত্রীর ড্রাইভার হাসতে হাসতে হাতে একটি ঝুড়িতে করে অনেক ফলমূল-শাকসব্জি নিয়ে আসছে-গ্রামবাসীরা ভালবেসে আমাকে এ সব উপহার দিয়েছে।&lt;br /&gt;মন্ত্রী খুব অবাক হলেন। জানতে চাইলেন-তুমি তাদের গিয়ে আসলে কি বলেছ?&lt;br /&gt;ড্রাইভার উত্তর দিল-আমি গিয়ে বললাম, আমি অমুক মন্ত্রীর ড্রাইভার। তারপর একটু থেমে বললাম, শুওরের বাচ্চাটাকে রাস্তায় আমিই মেরে ফেলেছি। তারপর সবাই খুশি হয়ে আমাকে এই সব দিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৭.    বিরোধী দলীয় নেতা সমুদ্র সৈকতে একটি প্রাচীন বোতল কুড়িয়ে পেলেন। বোতলের ছিপি খুলতেই ভেতর থেকে এক দৈত্য। নেতাকে কুর্নিশ করে দৈত বলল-আপনি আমাকে জাদুর বোতল থেকে মুক্ত করেছেন, তাই আমি আপনার তিনটি ইচ্ছা পূরণ করব। তবে শর্ত হচ্ছে আপনি যা পাবেন আপনার প্রতিপক্ষ নেতা পাবে এর দুই গুণ।&lt;br /&gt;ঠিক আছে-নেতা রাজী হলেন। আমার প্রথম ইচ্ছা একটি বিলাস বহুল বাড়ী, ২য় ইচ্ছা একটি বিলাস বহুল গাড়ী, আর শেষ ইচ্ছা আমি আমার একটি কিডনি জনস্বার্থে দান করে দিতে চাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৮.    নির্বাচন সামনে রেখে এক ডেমোক্রেট আর রিপাবলিকানের মধ্যে কথা হচ্ছিল।&lt;br /&gt;ডেমোক্রেট-আমি যখন কোন টেক্সিতে চড়ি তখন সেই টেক্সি ড্রাইভারের সাথে খুব ভাল ব্যবহার করি। প্রথমে তার ছেলে মেয়ের কোজ খবর নেই, তাকে মোটা বকশিস দেই। এবং নামার সময় বলি ডেমোক্রেটদের ভোট দিও।&lt;br /&gt;রিপাবলিকান-আমি টেক্সিতে উঠেই ড্রাইভারকে গালাগালি দিতে শুরু করে দেই। সিগারেট ধরিয়ে তার মুখে ধোয়া ছেড়ে দেই, এক টাকাও টিপস দেই না। তবে নামার সময় তোমার মতই বলি ডেমোক্রেটদের ভোট দিও।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;সংগ্রহ: আরিফ জেবতিক সম্পাদিত পলিটিক্যাল জোকস।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-3655160157466716953?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/3655160157466716953/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=3655160157466716953' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/3655160157466716953'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/3655160157466716953'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2009/04/blog-post_27.html' title='রাজনীতির কৌতুক'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-8427002829287868512</id><published>2009-04-25T20:15:00.001+06:00</published><updated>2009-04-25T20:16:22.003+06:00</updated><title type='text'>পৃথিবী বিখ্যাত সব ব্যর্থ কাহিনী</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:130%;"&gt;দৈনন্দিন জীবনে আমাদের প্রত্যেকেরই রয়েছে বিভিন্ন ব্যর্থতার কাহিনী। এখানে পৃথিবীর বিখ্যাত সব ব্যর্থতার কাহিনী দেয়া হল। যা পড়ে আমাদের নিজেদের ব্যর্থ জীবনে কিছুটা হলেও স্বস্তি আসতে পারে। অতএব Don’t worry be happy.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১.    ব্যর্থতম লেখক: জার্মানীর এক লেখক তার জীবনে ৬৪ টা বই লেখেন যার মধ্যে মাত্র ৩টি বই এর প্রকাশক ধরতে তিনি সমর্থ হন।  এর মধ্যে একটি বই প্রকাশক তার নিজের নামে ছাপিয়ে ফেলে। দ্বিতীয়টি ভুলক্রমে লেখকের নাম ছাড়াই প্রকাশিত হয়ে পড়ে। আর তৃতীয়টির ক্ষেত্রে এ রকম কোন সমস্যা হয়নি। পুরো বইযের বান্ডিল মার্কেটে যাবার পথে মিসিং হয় আর সে বই এর কোন হদিস পাওয়া যায়নি। পরে অবশ্য এক ঠোঙ্গা বিক্রেতার কাছে হারানো বই এর হদিস পাওয়া যায়। তবে বই হিসেবে নয় ঠোঙ্গা হিসেবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২.    ব্যর্থতম ব্যাংক ডাকাত: ১৯৭১ সালে তিনজন ব্যাংক ডাকাত ডাকাতির উদ্দেশ্যে ইংল্যান্ডের স্থানীয় একটি ব্যাংক এ ঢুকে পড়ে। এটা ছিল তাদের প্রথম ব্যাংক ডাকাতি। তাই উত্তেজনাবশত তারা ভুল করে ব্যাংক এ না ঢুকে পাশের ডির্পামেন্টাল স্টোরে ঢুকে পড়ে। হাতের অস্ত্র উচিয়ে চিৎকার করে বলতে থাকে আমরা ব্যাংক লুট করতে এসেছি। দোকানের কর্মচারীরা এটাকে উচুদরের রসিকতা ভেবে উচ্চস্বরে হেসে উঠে। তাদের হাসি শুনে ডাকাতরা ঘাবড়ে গিয়ে কিছু না বুঝেই এক গাদা কয়েন চকলেট নিয়ে এলোপাথারি গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩.    ব্যর্থতম কম্পিউটার প্রোগ্রামার: জার্মানীর জন মারথুস পেশায় একজন সৌখিন কম্পিউটার প্রোগ্রামার। তার কাজ হচ্ছে এন্টি ভাইরাস প্রোগ্রাম তৈরী করা। একবার বহু ঢাকঢোল পিটিয়ে তিনি একটি এন্টি ভাইরাস তৈরী করে পরীক্ষামূলক ভাবে বন্ধুর পিসিতে এটাকে টেস্ট রান করান। পিসিটি চালাতে গিয়ে দেখা গেল তার এন্টি ভাইরাসটি আসল ভাইরাস হয়ে বন্ধুর পিসির হার্ডডিস্ক ক্রাশ করে ফেলেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪.    ব্যর্থতম বই: পশ্চিমা লেখক রুডলফ স্বাস্থ্যের জন্য পুষ্টি নামে একটি গবেষণামূলক বই লেখেন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বইটি বেস্ট সেলার বই এর তালিকায় চলে যায়। এর মধ্যে আকস্মাৎ লেখকের মৃত্যূ হলে ময়না তদন্ত করে ডাক্তার সার্টিফিকেট দেন। তাতে মৃত্যুর কারণ দেখানো হয় পুষ্টিহীনতা। এ খবর প্রচার হলে পরের সপ্তাহেই বই এর বিক্র বেস্ট সেলার থেকে ওর্স্ট সেলারে নেমে আসে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫.    ব্যর্থতম আর্কিওলজিস্ট: মরক্কোর আবিওয়ালা আল রাজি একজন সৌখিন আর্কিওলজিস্ট। পেশায় তিনি একজন ইন্জিনিয়ার হলেও তার নেশা হচ্ছে প্রাচীণ কালের হাড়-গোড় খুজে বের করা। দীর্ঘ বার বছর পরিশ্রম করে তিনি নিজের এলাকাতেই নিয়ানডারথল যুগের মানুষের চোয়াল খুজে পান। যা নিয়ে  আর্কিওলজিস্টদের মধ্যে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। পরে কার্বন টেস্টে ধরা পড়ে যে ঐ চোয়ালটি কোন নিয়ানডারথল যুগের মানুষের নয় তারই মৃত দাদার চোয়াল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৬.    ব্যর্থতম শিক্ষক: আফ্রিকার এক প্রত্যন্ত গ্রামের এক প্রাইমারী স্কুল। স্কুলের অবস্থা খুবই করুণ। ঐ স্কুলে কোন ঘন্টা ছিল না। ফলে তারা ক্লাশ শেষ হলে বা ছুটির আগে স্কুলের বাইরে অপেক্ষমান এক আইসক্রিমওয়ালার  কাছ থেকে ঘন্টা ধার করে এনে বাজাত। কিন্তু এক পর্যায়ে বিরক্ত হয়ে  আইসক্রিমওয়ালা ঐ স্কুলে ঘন্টার বিনিময়ে শিক্ষকের চাকুরী দাবী করে বসে। স্কুলে শিক্ষকের কিছু স্বল্পতাও ছিল আবার ঘন্টারও দরকার তাই তার চাকরী হয়ে যায়। কিন্তু কিছুদিন পর ঐ ঘন্টা স্কুল থেকে চুরি হয়ে গেলে ঐ আইসক্রিমওয়ালা শিক্ষকের চাকরী চলে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৭.    ব্যর্ততম ধূমপায়ী: কলম্বিয়ার মাইকেল জর্জ কখনই ধূমপান করতেন না। কিন্তু বিয়ের পর তার স্ত্রী তাকে ধূমপান করতে উৎসাহিত করেন। কেননা তার স্ত্রীর ধারণা পুরুষ মানুষ সিগারেট না খেলে ম্যনলি লাগে না। স্ত্রীর অনুরোধে জর্জ একদিন  বিমর্ষ মুখে এক প্যাকেট সিগারেট কিনে এনে একটি ধরালেন। সিগারেটে টান দেয়া মাত্র তিনি কাশতে কাশতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরে আসলে তিনি একটি চিঠি পান। তার স্ত্রীর ডিভোর্স লেটার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৮.    ব্যর্থতম উদ্ধার অভিযান: ১৯৭৮ সালের ১৪ জানুয়ারী সম্ভবত পৃথিবীর সব চাইতে সফল পশু উদ্ধার ঘটনাটি ঘটে বৃটেনে। এক বৃদ্ধার পোষা বিড়াল ছানাটি কি ভাবে যেন এক বিশাল বৃক্ষের মগডালে উঠে আটকে যায়। তখন দমকল বাহিনীর ধর্মঘট চলছিল বলে বৃটিশ সৈন্যরা বিপুল উদ্যমে ঐ বিড়ালটিকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসে। এবং অসাধারণ দক্ষতায় বিড়ালটিতে উদ্ধার করতে সমর্থ হয়। সমস্ত ব্যাপরটিতে বৃদ্দা এতই খুশি হন যে তিনি উদ্ধার কাজে নিয়োজিত সৈন্যদের না খাইয়ে ছাড়েন না। সৈন্যরা বিদায় পর্ব শেষ করে গাড়ীতে উঠে যাওয়ার সময় উদ্ধারকৃত বিড়ালটিকে চাপা দিয়ে চলে যায়। কারণ কোন ফাকে বিড়ালটি বৃদ্ধার কোল থেকে নেমে গাড়ীর চাকার নিচে অবস্থান করছিল তা কেউই লক্ষ্য করেনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৯.    ব্যর্থতম সার্কাস: ফ্রান্সে মিস রিটা থান্ডারবার্ড নামে এক মহিলা কামানের গোলা হিসেবে খেলা দেখাতেন সার্কাসে। খেলার নিয়ম অনুযায়ী তিনি কামানের ভেতর গিয়ে ঢুকতেন, কামান দাগা হলে তিনি ছিটকে গিয়ে দূরবর্তী জালে গিয়ে পড়তেন। একদিন শহরের মেয়র আসলেন খেলা দেখতে। যথারীতি কামান দাগা হল। কিন্তু রহস্যজনক ভাবে মিস রিটার পরিবর্তে তার অর্ন্তবাসটি ছিটকে গিয়ে মেয়রের মাথায় পড়ে।  কামানের ভেতর মিস রিটার কাছে দ্বিতীয় অর্ন্তবাসটি পৌছানো পর্যন্ত সার্কাস বন্ধ রাখতে হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১০.    ব্যর্থতম রাজনৈতিক হত্যা প্রচেষ্টা: ফিদেল কাস্ট্রো ভাগ্যবানদের একজন। ১৯৭৪ সালের ভেতরেই উনাকে অন্তত ২৪ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়। এবং প্রতিবারই তা ব্যর্থ হয়। একবার কোল্ড ক্রিমের ডিব্বায় বিষ ভরা ক্যাপসুল রাখলে তা গলে যায়। আরেকবার কালো চুলের এক মায়াবিনী ঘাতক উল্টো্ উনার প্রেমে পড়ে যায়। আরেকবার ফ্রিজে রাখা চকলেট মিল্ক শেকে বিষ মিশিয়ে রাখা হয়। কিন্তু তা জমে বরফ হয়ে গিয়ে খাবার অযোগ্য হয়ে পড়ে। উনাকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন সময়ে প্রচুর পয়জন পেলেটস ছোড়া হয় যা প্রতিবারই ব্যর্থ হয়। আরেকবার এক আস্ত বাজুকা নিয়ে মারতে আসা দুই ঘাতক ধরা পড়ে যায়। বিস্ফোরিত একগাদা সী শেল মাত্র চল্লিশ মিনিটের জন্য ক্যাস্ট্রোকে মিস করলেও মূল হাভানা শহরের সমস্ত ট্রাফিক লাইট ফিউজ করে দিতে সক্ষম হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১১.    ব্যর্থতমবিদ্যুত প্রতিমন্ত্রী: বাংলাদেশের বিদ্যুত প্রতিমন্ত্রী বর্তমানে দেশের বিদ্যুত সমস্যাকে টর্নেডো, সুনামির মত প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে তুলনা করেছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণ করা যেমন মানুষের সাধ্যের বাইরে তেমনি বর্তমানে দেশের বিদ্যুত পরিস্থিতিও সমাধান করা আমাদের ক্ষমতার বাইরে। খুবই চমৎকার যুক্তি। তাই আসুন আমরা সবাই মিলে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিদ্যুত খাতের সমস্যা সমাধান করার জন্য। তিনি যেন শীঘ্রই একজন দেবদূত পাঠিয়ে আমাদের দেশের বিদ্যুত সমস্যার সমাধান করে দেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;* মাঝে মাঝে দীর্ঘশ্বাস ফেলে ভাবি পৃথিবীর বর্থ্যতম একজন মানুষ হিসেবে এই জীবনে কিছুইতো করা হল না । মাঝে মাঝে মা-বাবাকে বলতে ইচ্ছে করে তোমরা  ভুল মানুষকে নিয়ে কেন স্বপ্ন দেখলে?  ক্রমশ ফুরিয়ে আসছে  আয়ু। হায়! জীবন এত ছোট কেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সংগৃহীত: আহসান হাবীব সম্পাদিত পৃথিবী বিখ্যাত সব ফেলটুস। (১১ নম্বরটি বাদে)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-8427002829287868512?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/8427002829287868512/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=8427002829287868512' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/8427002829287868512'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/8427002829287868512'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2009/04/blog-post_1118.html' title='পৃথিবী বিখ্যাত সব ব্যর্থ কাহিনী'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-6095713211485782583</id><published>2009-04-23T10:58:00.001+06:00</published><updated>2009-04-28T10:18:55.215+06:00</updated><title type='text'>সেলিব্রেটিদের শৈশব স্মৃতি</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:130%;"&gt;১.    বাংলাদেশের জনপ্রিয় লেখক হুমাযূন আহমেদ তার শৈশবের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে লিখেছেন-&lt;br /&gt;আমি অতি সুবোধ বালকের মত ক্লাসে গিয়ে বসলাম। মেঝেতে পাটি পাতা। সেই পাটির উপর বসে পড়াশোনা। ছেলেমেয়ে সবাই পড়ে। মেয়েরা বসে প্রথমদিকে, তাদের পেছনে ছেলেরা। আমি খানিক্ষণ বিচার-বিবেচনা করে সবচেয়ে রূপবতী বালিকার পাশে ঠেলেঠুলে জায়গা করে বসে পড়লাম। রূপবতী বালিকা অত্যন্ত হৃদয়হীন ভঙ্গিতে তুই তুই করে সিলেটি ভাষায় বলল, এই তোর প্যান্টের ভেতরের সবকিছু দেখা যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্লাসের সবকটা ছেলেমেয়ে এক সঙ্গে হেসে উঠল। মেয়েদের আক্রমণ অনুচিত বিবেচনা করে সবচেয়ে উচ্চস্বরে যে ছেলেটি হেসেছে, তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়লাম। হাতের কুনুইয়ের প্রবল আঘাতে রক্তারক্তি ঘটে গেল। দেখা গেল ছেলেটির সামনের একটি দাঁত ভেঙ্গ গেছে। হেডমাস্টার সাহেব আমাকে কান ধরে সারাক্ষণ দাড়িয়েঁ থাকার নির্দেশ দিলেন। ছাত্রছাত্রীদের উপদেশ দিলেন-এ মহাগুন্ডা। তোমরা সাবধানে থাকবে। খুব সাবধান। পুলিশের ছেলে গুন্ডা হওয়াই স্বাভাবিক।&lt;br /&gt;ক্লাস ওয়ান বারটার মধ্যে ছুটি হয়ে যায়। এই দুই ঘন্টা আমি কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্লাস টুতে উঠে আমি আরেকটি অপকর্ম করি। যে রুপবতী বালিকা আমার হৃদয় হরণ করেছিল, তাকে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ফেলি। গম্ভীর গলায় জানতে চাই বড় হয়ে সে আমাকে বিয়ে করতে রাজী আছে কিনা। প্রকৃতির কোন এক অদ্ভূত নিয়মে রুপবতীরা শুধু যে হৃদয়হীন হয় তাই না, খানিকটা হিংস্র স্বভাবের হয়। সে আমার প্রস্তাবে খুশি হবার বদলে বাঘিনীর মতো আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। খামচি দিয়ে হাতের দু-তিন জায়গার চামড়া তুলে ফেলে। স্যারের কাছে নালিশ করে। শাস্তি হিসেবে দুই হাতে দুটি ইট নিয়ে আমাকে নীল ডাউন হয়ে বসে থাকতে হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রেমিক পুরুষদের প্রেমের কারণে কঠিন শাস্তি ভোগকার নতুন কোন ব্যাপার নয়, তবে আমার মত এত কম বয়সে প্রেমের এমন শাস্তির নজির বোধহয় খুব বেশি নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২.    বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, শিক্ষাবিদ আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ তাঁর স্কুল জীবনের এক শিক্ষক সম্পর্কে স্মুতিচারণ করতে গিয়ে লিখেছেন-&lt;br /&gt;স্যারের কানমলা চিরকালই ছিল অত্যন্ত শিল্পসম্মত ও উচ্চস্তরের। কোন ছাত্র কোন ভুল উত্তর দিয়েছে কি অমনি ডান হাতের তর্জনি দিয়ে ফিল্মী রংবাজদের কায়দায় দুবার তাকে নিজের দিকে আহবান করতেন। তারপরেই ডান হাতে খপ করে তার কান চেপে ধরতেন। হ্যাঁ, কাচের গুড়োঁয় মাঞ্জা দেওয়া সেই বিখ্যাত হাতের চেপে ধরা। কানের গোড়াসুদ্ধ মাথাটাকে হ্যাঁচকা টানে তাঁর দিকে টেনে নিতেন। আর তারপরই দ্বিতীয় পর্যায়। এক ধাক্কায় কান-মাথাসুদ্ধ ছাত্রটাকে সোজা পাঠিয়ে দিতেন বেঞ্চের সিটে। সেদিনও ঘটল একই ব্যাপার। উত্তর ভুল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্যারের ব্যতিক্রমহীন আহবান শোনা গেল। আমার কানের ওপর হাত পড়তেই খুশিতে বড় বড় হয়ে উঠল স্যারের দুই চোখ, যেন অভাবিত কোন খাবার দেখেছেন সামনে। গভীর পরিতৃপ্তির সঙ্গে গড়গড় শব্দও হচ্ছে মনে হয় গলা থেকে-বাহ্ তোর কান দুটো বেশ বড় রে।&lt;br /&gt;আলতো ভাবে কানদুটো নেড়েচেড়েও দেখলেন কিছুক্ষণ-বাহ্, বেশ নরমও তোর কান দুটো।&lt;br /&gt;আর তারপরে সেই অতিপরিচিত দৃশ্যকাব্য। কান মাথাসুদ্ধ নিজের সিটে আমার প্রত্যাবর্তন। গোড়াসুদ্ধ সারাটা কান তখন যন্ত্রণায় চিঁ চিঁ করছে।&lt;br /&gt;সেদিন থেকে স্যার আমার কানের একনিষ্ট ভক্ত হয়ে গেলেন। জোড় বেতের বিদ্যুত ঝলক আমার জন্য প্রায় নিষিদ্ধই করে দিলেন। পরিবর্তে আমার বড় বড় আর নরম কান দুটোকে মধ্যাহ্নফলার হিসেবে ব্যবহার শুরু করলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩.    প্রখ্যাত কবি-লেখক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর ছেলেবেলার স্মৃতির কথা স্মরণ করতে গিয়ে বলেছেন-&lt;br /&gt;এ বছরই প্রথম দেখি গ্রামোফোন যন্ত্রটি। বাংলায় যার নাম কলের গান। অমন গ্রামদেশে ওই বস্তুটি খুবই অভিনব। আমাদের মত বাচ্চাদের অবস্থা হিজ মাস্টার্স ভয়েস-এর কুকুরটিরই মতন, আমরা হাঁটু গেড়ে অবাক বিস্ময়ে শুনতে শুনতে ভাবতাম, ওই বাক্সটির মধ্যে গুটিশুটি মেরে একজন লোক গানগুলো গাইছে। এটা নিশ্চিত সিদ্ধান্ত নয়, এর মধ্যে যথেষ্ট সংশয়ও ছিল। একই লোক বিভিন্ন গান, বিভিন্ন রকম গলায়, এমনকি মেয়েদের মতন গলাতেও গায় কী করে? কমিক গুলিতে চার-পাঁচজন লোকের গলা এক সঙ্গে শোনাযায়। এই বাক্সের মধ্যে একজনের বেশি মানুষ থাকা তো কোন ক্রমেই সম্ভব নয়!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সংগৃহীত: আসমার ওসমান সম্পাদিত বিখ্যাতদের সত্যি জোকস্&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-6095713211485782583?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/6095713211485782583/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=6095713211485782583' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/6095713211485782583'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/6095713211485782583'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2009/04/blog-post_23.html' title='সেলিব্রেটিদের শৈশব স্মৃতি'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-4121819782525441313</id><published>2009-04-20T10:00:00.001+06:00</published><updated>2009-04-20T10:07:08.213+06:00</updated><title type='text'>জনপ্রিয় ব্লগার হতে চাইলে কি করবেন?</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:130%;"&gt;স্যার, আমি কিভাবে আপনার মত একজন জাদরেল ব্লগার হতে পারব? অল্প দিনের মধ্যেই আপনার পেইজের হিটের সংখ্যা এক লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে। একটি গাধার আত্ন কাহিনী লিখে ব্লগে ছেড়ে দিলেও হিটের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যায়। শ দুয়েক মন্তব্য চলে আসে। বেশীর ভাগ ব্লগারের প্রিয় পোস্টের লিস্টে আপনার পোস্ট শোভা পায়। এটা কিভাবে সম্ভব হয়েছে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তুমি কি অল্প সময়ের মধ্যে একজন জনপ্রিয় ব্লগার হতে চাও?&lt;br /&gt;জ্বী স্যার, কিন্তু আমি তো ভাল লেখতে  জানি না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তোমাদের নতুন ব্লগারদের এই একটি সমস্যা। চট করে একটি কমেন্টস করে বসবে। তোমাকে কে  বলেছে যে ভাল ব্লগার হতে হলে ভাল লেখালেখি জানতে হবে। এই পদ্ধতিতে আগালে কয়েক বছর লেগে যাবে তোমার কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌছাতে। আমার পলিসি হচ্ছে অল্প সময়ে অধিক মুনাফা অর্জন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যার, আমাকে তাহলে দয়া করে কিছু টিপস দিয়ে দেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১ম টিপস: লগ ইন টা জরুরী। আমি অনেক সময় টানা কয়েক দিন লগ ইন অবস্থায় থাকি। তবে মনে করো না যে লগ ইন করে থাকা মানে তোমাকে সারাক্ষণ কম্পিউটারের সামনে বসে থেকে খাওয়া ,বাথরুম সেখানেই সারতে হবে। লগ ইন করে তুমি হাওয়া হয়ে গেলে কেউতো আর তোমাকে দেখতে পাচ্ছে না। সা.মু তে ঢুকলে কিছু ব্লগারকে তুমি সব সময় লগ ইন অবস্থায় পাবে। তোমার মনে নিশ্চয়ই প্রশ্ন জাগছে এরা তাহলে ঘুমায় কখন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২য় টিপস: তোমার কয়েকটা নিক থাকতে হবে। মানুষের যেমন কয়েকটি নাম থাকে। অফিসে এক নাম, বাড়ীতে এক নাম, গার্লফ্রেন্ড এর কাছে এক নাম। একটি পোস্ট দিবে তারপর নিজের অন্য একটি নিক থেকে সেই পোস্টে মন্তব্য করবে। মন্তব্য আর কিছুই নয়: + পিলাস দিলাম। এখানে আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার করলে হৃদয়ের টান বাড়ে। সবশেষে পোস্ট নিয়ে যাবে প্রিয় পোস্টের  তালিকায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩য় টিপস: আস্তিক নাস্তিক বিষয়ক পোস্ট। আস্তিক বিষয়ক পোস্ট হলে ড. জাকির নায়েকের কিছু বক্তব্য তুলে ধরা যেতে পারে। ইউ টিউব থেকে নিয়ে আসলেই হবে।&lt;br /&gt;আর নাস্তিক বিষয়ক পোস্ট হলে আরজ আলী মাতুব্বর এর নাস্তিকের ধর্ম কথা থেকে কিছু অংশ তুলে ধরতে হবে। জাস্ট, কপি পেস্ট করে দিলেই হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪র্থ টিপস: ধর্ম বিষয়ক পোস্ট। বাজার থেকে অখ্যাত কিছু মৌলানাদের সম্পাদিত হাদিসের সংকলন সংগ্রহ করা যেতে পারে। এর মধ্য থেকে যে সব হাদিস নিয়ে বেশী বিতর্ক রয়েছে সেগুলি দেয়া যেতে পারে। যেমন- ইসলামে পর্দা প্রথা, নারীর অধিকার, মাজার প্রসঙ্গ ইত্যাদি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫ম টিপস: ১৮ + কৌতুক। এ ব্যাপারে তোমার আদর্শ হতে পারেন সাবেক সাপ্তাহিক হায় হায় ম্যাগাজিনের সম্পাদক। তিনি সেক্সকে রীতিমতো শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যেতে সমর্থ হয়ে ছিলেন। আর না হলে নেটে এ্যাডাল্ট জোকস এরতো কোন কমতি নেই সেখান থেকে দুই একটা মেরে দিলে কেউ বুঝতে পারবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যার, আমি এভাবে জনপ্রিয় ব্লগার হতে চাই না। একজন ব্লগার এখানে লেখবে তার আনন্দের জন্য। একজন মমতা নিয়ে একটি পোস্ট দিবে অন্যরা সেখানে মন্তব্য করবে। ভাল লাগলে ভাল বলবে, নতুবা খারাপ লাগার কারণ ব্যাখা করবে। অবশ্যই তা শালীন এবং যৌক্তিক ভাবে।&lt;br /&gt;জঙ্গলে একটি হরিণ সব সময় হিংস্র প্রাণীদের ভয়ে  আতংকগ্রস্থ হয়ে থাকে। এই বুঝি কোন বাঘ তার ঘাড়ে লাফিয়ে পড়ল। অরণ্যের যে একটু নিজস্ব সৌন্দর্য রয়েছে একটি হরিণ কখনই তা উপলব্ধি করতে পারে না।&lt;br /&gt;তেমনি আমাদের মত নতুন ব্লগাররা আপনার মত ব্লগারদের কারণেই এখানে লেখালেখি করতে ভয পায়। এই বুঝি কোন একটা পোস্ট বা মন্তব্যে আমি কোন ভুল করে ফেললাম। আর বিন্দুমাত্র দেরী না করে সবাই আমার উপর ঝাপিয়ে পড়ল। ব্লগের যে একটা নিজস্ব চমৎকার পরিবেশ রয়েছে আপনাদের কারণে আমরা তা উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হই। আমরা ভুলে যাই প্রত্যেকেই আমরা এখানে মায়ার এক অদৃশ্য বন্ধনে আবদ্ধ। আবার এমন ব্লগারও এখানে আছেন যারা খুব সাধারণ একটি পোস্ট নিয়ে যে মন্তব্যটুকু করেন তা অনেক সময় হৃদয় ছুয়ে যায়। তাদের জন্যেই অনেক সময় লেখতে ইচ্ছে করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ব্যাটা ফাজিল তুই তাহলে এতক্ষণ আমার এত সময় নষ্ট করলি কেন। তুমি জান জিন্দা লাশ, মরা গাধা, জানের দুশমন- এগুলি কাদের নিক?&lt;br /&gt;না স্যার, আমি জানি না।&lt;br /&gt;তুমি কি ছাতার ব্লগার হে। কিছুই দেখি জান না। এরা সবাই বড় বড় ব্লগার। এরা আমার পদ্ধতি অনুসরণ করে অল্প সময়ের মধ্যে জনপ্রিয় ব্লগারে পরিণত হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যার, আপনি কি জানেন পরাণ ব্ন্ধু কার নিক?&lt;br /&gt;না, আমি জানি না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনিও দেখি কিছুই জানেন না। এটা হচ্ছে আপনার পাশের ভাড়াটিয়ার নিক।&lt;br /&gt;তো, এটার সাথে আমার কি সম্পর্ক?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনি যখন ব্লগে আপনার রেটিং নিয়ে ব্যস্ত থাকেন, তখন এই ভদ্রলোক আপনার বউ এর সাথে ডেটিং এ ব্যস্ত থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;(এটি কোন উদ্দেশ্যমূলক পোস্ট নয়। জাস্ট একটি ফান পোস্ট।)&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-4121819782525441313?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/4121819782525441313/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=4121819782525441313' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/4121819782525441313'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/4121819782525441313'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2009/04/blog-post_60.html' title='জনপ্রিয় ব্লগার হতে চাইলে কি করবেন?'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-4489557756422610307</id><published>2009-04-20T09:59:00.002+06:00</published><updated>2009-04-28T10:21:24.925+06:00</updated><title type='text'>বিশ্ব অর্থনীতি  মন্দা ও আমাদের করণীয়</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:130%;"&gt;বিশ্ব অর্থণীতির মন্দা প্রবেশ করেছে আমাদের অর্থনীতিতেও। কিন্তু আমাদের অর্থ মন্ত্রীকে তেমন একটা বিচলিত হতে দেখা যাচ্ছে না। তিনি আগাম ভবিষ্যতবাণী করে বসে আছেন। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দাতে আমাদের বাংলাদেশে এর তেমন প্রভাব পড়বে না। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। এরই মধ্যে দেশে প্রবাসীদের পাঠানো বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ কমতে শুরু করেছে। বিদেশে অনেক বাঙ্গালী চাকুরী হারাচ্ছে। অনেক বাঙ্গালীকে বিদেশ থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। বিদেশে আমাদের ঢিলেঢাল পররাষ্ট্রনীতির কারণে বিদেশে কোন কোম্পানী থেকে লোক ছাটাই হলে এর প্রথম শিকার হয় বাংলাদেশের শ্রমিকরা। এমনিতেই বেতন বৈষম্য তার উপর এ ধরণের পক্ষপাতিত্ব মূলক আচরণের জন্য আমাদের পররাষ্ট্র দপ্তর দায়ী। তারা কঠোর অবস্থান নিলে কিছুটা হলেও সমস্যার সমাধান সম্ভব। তাই সরকারের প্রতি অনুরোধ আপনারা সময় থাকতেই এর গুরুত্ব বোঝার চেষ্টা করুন। আপনাদের ধীরে চল নীতিতে চললে অনেক দেরী হয়ে যাবে তখন হয়ত আমাদের করার আর কিছুই থাকবে না। বিদেশে আমাদের অবস্থা হবে অনেকটা পুরনো সেই কৌতুকের মত  -&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নিয়ইয়র্কের ব্যস্ততম রাস্তা। হঠাৎ দেখা গেল কেথা থেকে যেন একটি পাগলা কুকুর ছুটে এসেছে । সামনে যাকে পাচ্ছে তাকেই কামড়াচ্ছে। এ সময় পাশের পার্ক থেকে ছোট একটি শিশু বের হচ্ছিল। কুকুরটি ধেয়ে গেল তার দিকে। আতঙ্কে শিশুটি ততক্ষণে নীল হয়ে গেছে। এমন সময় এক সুঠাম যুবক লাফিয়ে পড়ল কুকুরটির সামনে। জাপটে ধরল কুকুরটিকে। ধস্তাধস্তি চলল কিছুক্ষণ। তারপর যুবকটি কুকুরটির গলা জড়িয়ে ধরল। ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে এক সময় কুকুরটি মারা গেল।&lt;br /&gt;উপস্থিত লোকজন যুবকটির সাহস দেখে মুগ্ধ। ছুটে এসে হাত মিলাচ্ছেন অনেকেই। ঘটনাস্থলে একজন সাংবাদিকও উপস্থিত ছিলেন।  তিনি এসে যুবকটিকে বললেন- আপনার সাহস অনেকের জন্যই অনুপ্রেরনা হয়ে থাকবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কালকের পত্রিকায় আমি শিরোনাম দেব- সাহসী আমেরিকান যুবক কর্তৃক শিশুর প্রাণ রক্ষা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যুবক বিব্রত হয়ে বলে উঠল- আমি কিন্তু আমেরিকান নই। একজন ইমিগ্রান্ট।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাংবাদিক একটু চিন্তা করে বললেন - কোন সমস্যা নেই। শিরোনাম হবে সাহসী ইন্ডিয়ান কর্তৃক শিশুর প্রাণরক্ষা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যুবকটি পুনরায় বলে উঠল-আপনি আবারও ভুল করছেন। আমি ইন্ডিয়ান নই , একজন বাংলাদেশী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাংবাদিকটি যুবকের ছবি উঠিয়ে চলে গেলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পরদিন ঠিকই পত্রিকায় সংবাদ ছাপা হল। শিরোনাম হচ্ছে- বাংলাদেশী টেরোরিস্টদের হাত থেকে অবোধ পশুরাও রেহাই পাচ্ছে না। নিউইয়র্কের ব্যস্ত রাস্তায় এক বাঙ্গালী যুবক কর্তৃক খুন হয়েছে নিরীহ এক কুকুর।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-4489557756422610307?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/4489557756422610307/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=4489557756422610307' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/4489557756422610307'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/4489557756422610307'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2009/04/blog-post_9933.html' title='বিশ্ব অর্থনীতি  মন্দা ও আমাদের করণীয়'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-8403671043529860999</id><published>2009-04-20T09:56:00.002+06:00</published><updated>2009-04-20T10:04:01.371+06:00</updated><title type='text'>একটি কুইজ!</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/Sevy5JoRbsI/AAAAAAAAADI/-Ac9Fn-8niQ/s1600-h/Untitled-2+copy.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 263px; height: 259px;" src="http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/Sevy5JoRbsI/AAAAAAAAADI/-Ac9Fn-8niQ/s320/Untitled-2+copy.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5326618047947042498" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;দেখুনতো ছবির এই ভদ্রলোককে চিনতে পারেন কিনা? মাথায় টুপি, মুখে সাদা দাড়ি, নূরানী চেহারা। ঠিক ধরেছেন তিনি ফেনীর সাবেক গডফাদার, প্লেবয় জয়নাল হাজারী। গত ১৫ এপ্রিল তিনি ছয়টি মামলায় আত্নপক্ষ সমর্থন করে জামিন প্রার্থনা করেন।  পাঁচটি মামলায় তিনি জামিন পেয়েও যান। যেখানে কোর্ট থেকে একটি জামিন পাওয়াই কষ্টকর সেখানে একই দিনে পাঁচটি মামলার জামিন পাওয়া রীতিমতোভাগ্যের ব্যাপার। আমাদের দেশেই হয়ত এটা সম্ভব। কিন্তু তারপরও বাধ সাধেন একটি মামলার বিচারক। তিনি জামিন না মন্জুর করে দেন। হাজারী সাহেবও ছাড়ার পাত্র নন। তিনি একে উনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র আখ্যা দিয়ে আদালত চত্বরেই হ্যান্ড মাইকের সাহায়্যে ১৫ মিনিট বক্তৃতা দেন। এবং এর দাঁত ভাঙা জবাব তিনি দেবেন বলে উনার ভক্তদের আশ্বস্ত করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যে মামলায় উনার জামিন হয়নি সেই মামলার বিচারক অনুপস্থিত ছিলেন বিধায় উনার জামিন পাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে যদি বিচারক উপস্থিত থাকতেন তবে হাজারী সাহেব উনাকে একটি কুইজ দিতে পারতেন। জজ সাহেব যদি এর সমাধান বের করতে পারেন তবে জামিন হবে না, আর না পারলে জামিন দিতে হবে।&lt;br /&gt;হাজারী- আচ্ছা জজ সাহেব, ধরুন আমার বাবর এক ছেলে, মার এক ছেলে অথচ আমার কোন ভাই বোন নেই তাহলে ছেলেটি কে?&lt;br /&gt;জজ সাহেব উত্তর দিতে ব্যর্থ হলেন। হাজারী উত্তর দিলেন আরে এটাতো সহজ। সেই ছেলেটি আমি হাজারী। অতএব হাজারী সাহেব বীরের মত জামিন নিয়ে বের হয়ে আসলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জজ চমৎকৃত হলেন। তিনি ঠিক করলেন তিনি উনার সহকারী জজকে এই প্রশ্নটি করবেন। যথারীতি তিনি তা করলেন- আচ্ছা তুমি বল দেখি, আমার বাবর এক ছেলে, মার এক ছেলে অথচ আমার কোন ভাই বোন নেই, তাহলে ছেলেটি কে?&lt;br /&gt;সহকারী জজ অবাক হয়ে উত্তর দিল আরে এটাতো সহজ। সেই ছেলেটি হচ্ছেন গিয়ে আপনি।&lt;br /&gt;জজ হেসে উত্তর দিলেন আমি জানতাম তুমি পারবে না। সঠিক উত্তর হচ্ছ-সেই ছেলেটি হচ্ছে জয়নাল হাজারী।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-8403671043529860999?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/8403671043529860999/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=8403671043529860999' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/8403671043529860999'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/8403671043529860999'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2009/04/blog-post_20.html' title='একটি কুইজ!'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/Sevy5JoRbsI/AAAAAAAAADI/-Ac9Fn-8niQ/s72-c/Untitled-2+copy.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-5598754675285002212</id><published>2009-04-13T10:58:00.000+06:00</published><updated>2009-04-13T10:59:25.304+06:00</updated><title type='text'>সাদা ঘোড়সওয়ারী</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:130%;"&gt;ছেলে বেলায় আমাদের কাছে তাকে এক রহস্যময় মানুষ বলে মনে হত। মাথায় লম্বা চুল, খোঁচা খোঁচা দাড়ি। চোখ দুটি রাতে না ঘুমানো লোকের মত সব সময় লাল। এমনিতে কথা বার্তা খুব কম বলতেন। প্রতিদিন বিকালে পুরনো কবরস্থান সংলগ্ন শতাব্দী প্রাচীন বট গাছের নিচে বসতেন। হাতে থাকত মাটির ছোট্র একটি নলের মত জিনিস যার ভেতরে আবার আগুন দেখা যায়। এতে মাঝে মাঝে টান দিতেন আর নাক মুখ দিয়ে ধোঁয়া ছাড়তেন। এই সময় তার মুখে কথার খই ফুটত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ছেলে বেলায় বুঝতাম না এটা গাজার নেশার প্রলাপ। তখন শুরু হত সৃষ্টি ছাড়া সব গল্পের আসর। আমরা চোখ কপালে তুলে তা শুনতাম-&lt;br /&gt;বুঝলা আমি কিন্তু তোমাদের এই মানুষের দুনিয়ার কেউ না। আমি হইলাম গিয়া জ্বীনদের দুনিয়ার লোক। তোমাদের মত জ্বীনদেরও দুনিয়া আছে। আমরা হইলাম আগুনের তৈরী। এই দেহ আমার হাতের এইডা থেইক্যা আগুন বাইর হয়। আমরা হা করে দেখতাম তার চোখ মুখ দিয়ে গলগল করে ধোয়া বের হচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তাকে আমরা জ্বীন মানুষ বলে ডাকতাম। তিনি থাকতেন পুরনো কবরস্থান সংলগ্ন একচালা একটি কুড়েঘরে। কর্তৃপক্ষ তাকে এমনি এমনি দয়া করে থাকতে দেয়নি। এর বিনিময়ে তাকে কবরস্থান দেখা শুনা করতে হত। এক কথায় বলতে গেলে কবরস্থানের কেয়ারটেকার।&lt;br /&gt;সাথে তার বউ আর এক ছেলে থাকত। সেই দুজনকে আবার সাধারণ মানুষ বলেই আমাদের মনে হত। আমরা বুঝতাম না তারা এই জ্বীন মানবের সাথে কিভাবে থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হেইদিন হইল কি শুন- রাত তখন তৃতীয় প্রহর হইব। বাইরে চাদনী পসর রাইত। আমি বাইর হইলাম কবরস্থানের দিকে। তখন দেখি কি....&lt;br /&gt;এই টুকু বলে তিনি ঝিম মেরে যান। আমরা অস্থির হয়ে পড়ি তারপর কি হল জানার জন্যে। কিন্তু এখন যদি উনাকে তাগাদা দেয়া হয় তবে তিনি আজ আর মুখ খুলবেন না। তাই আমাদের ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করতে হয় । তিনি প্রায়ই গল্পের মাঝে এ ধরনের কান্ড করে আমাদের দেখে মজা পান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঐ দিন এক ছোট বাচ্চার নতুন এক কবর হইছে।  আমি দেখি কে যেন উপুর হইয়া সেই কবর থেইকা কি বাইর করতাছে। আমার ত বুক ধক কইরা উঠল। আমি আওয়াজ দিলাম কে কে। কোন উত্তর নাই। তখন আমি সাহস কইরা আগাইয়া গেলাম। যা দেখলাম তোমরা পুলাপান মানুষ তোমাদের কাছে না কইলেই ভাল হইব। তারপর তিনি আবার চোখ বন্ধ করে ঝিম মেরে যান। উনার এই পদ্ধতির সাথে আমরা অভ্যস্থ হয়ে গেছি। জানি এর একটু পরই তিনি আবার মুখ খুলবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দেহি এক লোক কবর থাইকা বাচ্চার লাশ টাইননা বাইর করতাছে। রক্ত ছাড়া ধবধইববা ফরসা মুখ। চোখ দিয়া যেন আগুন বাইর হইতাছে। আমারে দেইখা এক লাফ দিয়া উইঠা দাড়ায়। আমিত চোখ বন্ধ কইরা মনে মনে দুয়া দুরুদ পড়তে শুরু কইরা দিছি। একটু পরে চোখ খুইলা দেহি সাদা এক ঘোড়ার পিঠে চইড়া ঐ লোক হাওয়া। সকাল বেলা আবার লাশ কবরে ঢুকাইয়া কবর ঠিক ঠাক কইরা দিছি।&lt;br /&gt;কে এই লোক-আমরা সমস্বরে জানতে চাই। লাশ নিয়ে সে কি করবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সে এই জগতের কেউ না। বাচ্চারাতো ফেরেশতা। সে বাচ্চাদের লাশ তার জগতে নিয়া যাইব তারপরে তারমাঝে জান দিব। যদি ভাল মা বাবা হয় তবে একদিন হেই বাচ্চা তার বাবা মার কাছে ফিরা আসব। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখন পর্যন্ত কি কোন বাচ্চা ঐ জগত থেকে ফিরত এসেছে? আমরা জানতে চাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;না। এখনকার মানুষ পাপী হইয়া গেছে। তবে সাচ্চা মানুষ হইলে তার বাচ্চা ঠিকই ফিরা আসব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তখন আমরা বুঝতে পারলাম কেন মাঝে মাঝে বাচ্চাদের নতুন  কবর থেকে লাশ গায়েব হয়ে যায়। এ তাহলে সেই সাদা ঘোড়সওয়ারের কান্ড। তখন বুঝতাম না নতুন কবরের মাটি নরম থাকার কারণে অনেক সময় শিয়াল লাশ বের করে ফেলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এর পর থেকে সাদা ঘোড়সওয়ার আমাদের কাছে মূর্তিমান এক আতংকে পরিণত হয়। সব সময় মনে হত এই বুঝি আসছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একদিন এই জ্বীন মানবের ছেলে হঠাৎ করে মারা গেল। আমরা তাকে পেলাম কবর খুড়তে থাকা অবস্থায়। এই কবরেই তার ছেলেকে শোয়ানো হবে। তাহলে আজ রাতে আবার সেই ঘোড়সওয়ার আসবে জ্বীন মানবের বাচ্চার লাশ নিতে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পরদিন বিকালে জ্বীন মানবকে দেখলাম হতে আগুন ছাড়া। এই প্রথম আমরা একটি অদ্ভূত জিনিস দেখলাম। জ্বীন মানবের চোখ বেয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে। আরে জ্বীনেরা কি আবার কাঁদে নাকি। তাদের আবার দুঃখ কষ্ট আছে নাকি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এরমধ্যে আমরা উশখুশ করতে শুরু করেছি গল্প শুনার জন্য। কাল রাতে সেই সাদা ঘোড়ার সওয়ারী এসে ছিল কিনা জানতে। কিন্তু আজ আর জ্বীন মানব কোন গল্প বলল না। তারপর থেকে আমরা প্রতিদিন তাকে ঐ জায়গায় একই রকম বসা অবস্থায় দেখতে পেতাম।  তার চোখ দুটি এক দৃষ্টিতে তার ছেলের কবরের দিকে নিবদ্ধ থাকত। কি যেন খুঁজে ফিরত তার দুই চোখ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সবাই বলত ছেলের মৃত্যুতে জ্বীন মানবের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। কিন্তু আমরা জানতাম আসল কারণটা।  জ্বীন মানব আসলে সেই সাদা ঘোড় সওয়ারকে খোঁজে ফিরত। যে এসে তার ছেলেকে সাথে করে নিয়ে যাবে। কিন্তু সেই ঘোড় সওয়ারী আর আসে না।&lt;br /&gt;হচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তাকে আমরা জ্বীন মানুষ বলে ডাকতাম। তিনি থাকতেন পুরনো কবরস্থান সংলগ্ন একচালা একটি কুড়েঘরে। কর্তৃপক্ষ তাকে এমনি এমনি দয়া করে থাকতে দেয়নি। এর বিনিময়ে তাকে কবরস্থান দেখা শুনা করতে হত। এক কথায় বলতে গেলে কবরস্থানের কেয়ারটেকার।&lt;br /&gt;সাথে তার বউ আর এক ছেলে থাকত। সেই দুজনকে আবার সাধারণ মানুষ বলেই আমাদের মনে হত। আমরা বুঝতাম না তারা এই জ্বীন মানবের সাথে কিভাবে থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হেইদিন হইল কি শুন- রাত তখন তৃতীয় প্রহর হইব। বাইরে চাদনী পসর রাইত। আমি বাইর হইলাম কবরস্থানের দিকে। তখন দেখি কি....&lt;br /&gt;এই টুকু বলে তিনি ঝিম মেরে যান। আমরা অস্থির হয়ে পড়ি তারপর কি হল জানার জন্যে। কিন্তু এখন যদি উনাকে তাগাদা দেয়া হয় তবে তিনি আজ আর মুখ খুলবেন না। তাই আমাদের ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করতে হয় । তিনি প্রায়ই গল্পের মাঝে এ ধরনের কান্ড করে আমাদের দেখে মজা পান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঐ দিন এক ছোট বাচ্চার নতুন এক কবর হইছে।  আমি দেখি কে যেন উপুর হইয়া সেই কবর থেইকা কি বাইর করতাছে। আমার ত বুক ধক কইরা উঠল। আমি আওয়াজ দিলাম কে কে। কোন উত্তর নাই। তখন আমি সাহস কইরা আগাইয়া গেলাম। যা দেখলাম তোমরা পুলাপান মানুষ তোমাদের কাছে না কইলেই ভাল হইব। তারপর তিনি আবার চোখ বন্ধ করে ঝিম মেরে যান। উনার এই পদ্ধতির সাথে আমরা অভ্যস্থ হয়ে গেছি। জানি এর একটু পরই তিনি আবার মুখ খুলবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দেহি এক লোক কবর থাইকা বাচ্চার লাশ টাইননা বাইর করতাছে। রক্ত ছাড়া ধবধইববা ফরসা মুখ। চোখ দিয়া যেন আগুন বাইর হইতাছে। আমারে দেইখা এক লাফ দিয়া উইঠা দাড়ায়। আমিত চোখ বন্ধ কইরা মনে মনে দুয়া দুরুদ পড়তে শুরু কইরা দিছি। একটু পরে চোখ খুইলা দেহি সাদা এক ঘোড়ার পিঠে চইড়া ঐ লোক হাওয়া। সকাল বেলা আবার লাশ কবরে ঢুকাইয়া কবর ঠিক ঠাক কইরা দিছি।&lt;br /&gt;কে এই লোক-আমরা সমস্বরে জানতে চাই। লাশ নিয়ে সে কি করবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সে এই জগতের কেউ না। বাচ্চারাতো ফেরেশতা। সে বাচ্চাদের লাশ তার জগতে নিয়া যাইব তারপরে তারমাঝে জান দিব। যদি ভাল মা বাবা হয় তবে একদিন হেই বাচ্চা তার বাবা মার কাছে ফিরা আসব। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখন পর্যন্ত কি কোন বাচ্চা ঐ জগত থেকে ফিরত এসেছে? আমরা জানতে চাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;না। এখনকার মানুষ পাপী হইয়া গেছে। তবে সাচ্চা মানুষ হইলে তার বাচ্চা ঠিকই ফিরা আসব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তখন আমরা বুঝতে পারলাম কেন মাঝে মাঝে বাচ্চাদের নতুন  কবর থেকে লাশ গায়েব হয়ে যায়। এ তাহলে সেই সাদা ঘোড়সওয়ারের কান্ড। তখন বুঝতাম না নতুন কবরের মাটি নরম থাকার কারণে অনেক সময় শিয়াল লাশ বের করে ফেলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এর পর থেকে সাদা ঘোড়সওয়ার আমাদের কাছে মূর্তিমান এক আতংকে পরিণত হয়। সব সময় মনে হত এই বুঝি আসছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একদিন এই জ্বীন মানবের ছেলে হঠাৎ করে মারা গেল। আমরা তাকে পেলাম কবর খুড়তে থাকা অবস্থায়। এই কবরেই তার ছেলেকে শোয়ানো হবে। তাহলে আজ রাতে আবার সেই ঘোড়সওয়ার আসবে জ্বীন মানবের বাচ্চার লাশ নিতে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পরদিন বিকালে জ্বীন মানবকে দেখলাম হতে আগুন ছাড়া। এই প্রথম আমরা একটি অদ্ভূত জিনিস দেখলাম। জ্বীন মানবের চোখ বেয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে। আরে জ্বীনেরা কি আবার কাঁদে নাকি। তাদের আবার দুঃখ কষ্ট আছে নাকি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এরমধ্যে আমরা উশখুশ করতে শুরু করেছি গল্প শুনার জন্য। কাল রাতে সেই সাদা ঘোড়ার সওয়ারী এসে ছিল কিনা জানতে। কিন্তু আজ আর জ্বীন মানব কোন গল্প বলল না। তারপর থেকে আমরা প্রতিদিন তাকে ঐ জায়গায় একই রকম বসা অবস্থায় দেখতে পেতাম।  তার চোখ দুটি এক দৃষ্টিতে তার ছেলের কবরের দিকে নিবদ্ধ থাকত। কি যেন খুঁজে ফিরত তার দুই চোখ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সবাই বলত ছেলের মৃত্যুতে জ্বীন মানবের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। কিন্তু আমরা জানতাম আসল কারণটা।  জ্বীন মানব আসলে সেই সাদা ঘোড় সওয়ারকে খোঁজে ফিরত। যে এসে তার ছেলেকে সাথে করে নিয়ে যাবে। কিন্তু সেই ঘোড় সওয়ারী আর আসে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-5598754675285002212?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/5598754675285002212/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=5598754675285002212' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/5598754675285002212'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/5598754675285002212'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2009/04/blog-post_5148.html' title='সাদা ঘোড়সওয়ারী'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-2836264748724398605</id><published>2009-04-13T10:50:00.002+06:00</published><updated>2009-05-17T18:06:59.893+06:00</updated><title type='text'>টিপস: কিভাবে অল্প সময়ের মধ্য একজন জনপ্রিয় লেখক হবেন।</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SeLNrrKFhuI/AAAAAAAAADA/zD00QfVVYgA/s1600-h/Untitled-1+copy.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5324043859708446434" style="FLOAT: left; MARGIN: 0pt 10px 10px 0pt; WIDTH: 320px; CURSOR: pointer; HEIGHT: 250px" alt="" src="http://4.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SeLNrrKFhuI/AAAAAAAAADA/zD00QfVVYgA/s320/Untitled-1+copy.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;স্যার, আমায় চিনতে পেরেছেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফাস্ট ইয়ার, সায়েন্স ডিপার্টমেন্ট। আমি আপনার সবগুলি ক্লাস নিয়মিত এটেন্ড করতাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হ্যা, এই বার চিনতে পেরেছি। আমার সবগুলি পরীক্ষায় তুমি নিয়মিত ফেল মারতে। তা এখন কি করছ?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই স্যার, লেখালেখি করে পেট চালাই আরকি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আচ্ছা। তাহলে কেউ যদি তোমার পেটের দায়িত্ব নিয়ে নেয় তবে তুমি আর লেখালেখি করবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঠিক তা নয় স্যার। আমার স্বপ্ন আপনার মত একজন জনপ্রিয় সাই-ফাই লেখক হওয়া।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাই বাবার নাম শুনে ছিলাম। সাই-ফাই আবার কি জিনিস, ঠিক বুঝলাম না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ও আল্লা! এটা আধুনিক সায়েন্স ফিকশন। সংক্ষেপে সাই-ফাই। আমার ধারণা সায়েন্সের ছাত্র হওয়াতে আমি এই লাইনে ভাল করব। তাই আপনার কাছে এসেছি একটি ভাল সায়েন্স ফিকশন নামাতে হলে কি কি লাগে তার টিপস জানতে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তোমার ধারণা বাজারের ফর্দ লেখার মত যে কেউ চাইলেই লেখালেখি শুরু করে দিতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যার আমার এই স্ক্রিপ্টটা পড়লেই আপনি বুঝতে পারবেন আমি কত জাদরেল লেখক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঠিক আছে তুমি রেখে যাও আমি সময় করে দেখব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যার আমি আপনাকে একটু পড়ে শুনাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এতো ভালই মুসিবতে পড়া গেল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;-এক দল অভিযাত্রী উত্তর মেরু অভিযানে বের হয়েছে। জুল ভার্নের-ক্যাপটেন হ্যাটেরাস’ নামে এ রকম একটি কাহিনী আছে। আমারটা আরও ভয়াবহ। টেম্পেরেচার-২৯৯ ডিগ্রী সেঃ। যেখানে শূন্য ডিগ্রীতে পানি বরফ হয়ে যায়। তাহলে বুঝেন অবস্থা। কঠিন অবস্থা। সবার অবস্থা কেরাসিন। সব চেয়ে বেশী সমস্যা হচ্ছে পেশাব করা নিয়ে। কেউ পেশাব করতে পারছে না। পেশাব জমে বরফ হয়ে গেছে। তারপর……..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;থামো, আমরা ধারণা জুলভার্ন বেঁচে থাকলে তোমার এই কাহিনী শুনে নির্ঘাত সুইসাইড করার চেষ্টা করতেন। পদার্থ বিদ্যার সূত্র অনুযায়ী -২৭৩ ডিগ্রীর নীচে টেম্পেরেচার পৌছতে পারে না। সেখানে টেম্পেরেচার-২৯৯ ডিগ্রী সেঃ তুমি কোথায় পেলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যার, এবার তাহলে আরেকটা শুনাই। এবার একদল অভিযাত্রী মহাকাশ পর্যবেক্ষণে বের হয়েছে। নভোযান পৃথিবীর সীমা ছাড়িয়ে পৌছে গেল মহাকাশে। আমি জুলভার্নের- এ জার্নি টু দ্যা মুন’ গল্পটিকে কাট ছাট করে চালিয়ে দেব। কেউ ধরতে পারবে না। অভিযাত্রীদের মধ্যে রয়েছে এক পাড় মাতাল। এক মুহূর্ত এ্যালকোহল না হলে তার চলে না। পকেট থেকে একটু পর পর বোতল বের করে চুমুক দিচ্ছে। তারপর তারা নামল চন্দ্র পৃষ্টে। চাঁদে হাঁটা খুব কষ্টকর। একেক জনের পা যেন দশ মণ ভারী হয়ে রয়েছে। উঠতেই চায় না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্টপ। লেখক চিৎকার দিয়ে উঠেন। আরে আগেতো সায়েন্স, তারপর না ফিকশন। মহাশূন্যে গিয়ে কেউ চুমুক দিয়ে তরল পান করছে এটাতো আমি বাপের জন্মে শুনিনি। কোন নভোযান যখন পৃথিবীর অভিকর্ষ বলকে অতিক্রম করে যাবে তখন মহাশূন্যে থাকা অবস্থায় ইচ্ছা করলেও বোতল থেকে উপুড় করে পানি ঢালা যাবে না। আর চন্দ্র পৃষ্টেও একই জিনিস ঘটবে। অভিকর্ষ বলের কারণে মানুষ তার ওজন হারাবে। অভিযাত্রীরা এমনিতেই নিজেদের ওজনশূন্য অনুভব করবেন। সেই জায়গায় পা দশ মণ ভারী হয়ে আছে-যত্তসব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যার তাহলে আরেকটা শুনাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমাকে এবার মুক্তি দাও। আর তুমি অন্য লাইনে চেষ্টা কর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যার প্লীজ, এই লাস্ট। এবারের কাহিনী অতি আধুনিক । মেট্রিক্স ছবিতো আপনি নিশ্য়ই দেখে থাকবেন। অনেকটা তার ছায়া অবলম্বনে লেখা। আমার গল্পের নায়ক পুলিশ অফিসার ক্রিমিনল ধরতে ছুটে বেরাচ্ছে। পরনে তার বিশেষ পোশাক। নীল প্যান্ট, নীচে লাল আন্ডারওয়্যার দেখা যাচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এক মিনিট। প্যান্টের নীচে তুমি কিভাবে আন্ডারওয়্যার দেখতে পেলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এটা আধুনিক স্বচ্ছ পলিমারের প্যান্ট। আর আগের সুপারম্যান প্যান্টের উপরে আন্ডারওয়্যার পরত। কিন্তু আমার আধুনিক সুপার হিরো এত আবুল নয়। পাঠক যখন ভাবতে শুরু করে দিয়েছে পুলিশ ক্রিমিনাল ধাওয়া করছে এ আর এমন নতুন কি। তখনই আমি আসল চমক দেখাব। কারণ আমার হিরো কোন মানুষ নয়। মানুষের মত দেখতে একটি নবম স্কেলের রোবট।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;থামো। তুমি এই মুহূর্তে তোমার স্ক্রিপ্ট নিয়ে এখান থেকে বিদায় হবে। তুমি আর কিছুক্ষণ থাকলে আমাকেও জুলভার্নের মত অকালে বিদায় নিতে হবে। নীল প্যান্টের নীচে, লাল আন্ডারওয়্যার। রঙ্গীন কাপড়ের নীচে অন্য কোন রঙ্গীন কাপড় কাল দেখাবে। আর তুমি দেখছ লাল।&lt;br /&gt;তুমি এই কঠিন লাইনে চেষ্টা বাদ দিয়ে প্রথমে হালকা মানের লেখা দিয়ে শুরু কর। যেমন- বাচ্চাদের ছড়া। প্রেমের কবিতা ইত্যাদি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঠিক আছে স্যার, আমি পরবর্তীতে আরও ভাল স্ক্রীপ্ট নিয়ে আপনার কাছে আসব। আমাকে একজন ভাল সাই-ফাই লেখক হতেই হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এক বছর পর। এই লেখক এখনও পুরো দমে তার লেখালেখি চালিয়ে যাচ্ছেন। এখন তিনি বাংলা সিনেমার কাহিনী লেখেন। এখানে যুক্তি-অযৌক্তিক এর কোন বালাই নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নায়িকা রোড এ্যাকসিডেন্টে আহত। হাসপাতালে নেবার সময় নেই। রক্ত দরকার। নায়ক পকেট থেকে নেশা করার সিরিঞ্জ বের করে নিজের শরীরের রক্ত টেনে বের করে নায়িকার শরীরে ঢুকাতে শুরু করল। ব্লাড মেচিং এর কোন দরকার নেই। ভালোবাসার মাঝে রক্তের গ্রুপ কোন সমস্যা নয়। একটু পর নায়িকা চোখ মেলল। চৈত্রের ভর দুপুরে শুরু হল বৃষ্টি। আর তারসাথে বৃষ্টি ভেজা হেভী জোসীলা নাচ-গান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নায়ক গেয়ে উঠল- নেশা আছে হেরোইনে, নেশা আছে প্যাথেডিনে&lt;br /&gt;তারচাইতেও অধিক নেশা কইন্যা তোমার যৌবন সুধাতে…এ…এ…এ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নায়িকা গেয়ে উঠল- আমার আঁচল উড়াইয়া নিল মরার বাতাসে&lt;br /&gt;আমার যৌবন ভাসিয়া গেল বৃষ্টির জলে….এ….এ….এ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখানে একটি তিন ঘন্টা ছবি চলার মত কাহিনী হলেই চলে। আর কাহিনীরও তেমন কিছু নেই। কয়েকটি হিন্দী-ইংরেজী ছবির কাহিনী কাট-পেস্ট করে দিলেই চলে। বর্তমানে তিনি এখন জনপ্রিয় একজন কাহিনী লেখক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;(সমস্ত ঘটনা কাল্পনিক। বাস্তবতার সাথে এর মিল খুঁজতে চাইলে যে কেউ নিজ দায়িত্বে তা করতে পারেন।)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-2836264748724398605?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/2836264748724398605/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=2836264748724398605' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/2836264748724398605'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/2836264748724398605'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2009/04/blog-post_13.html' title='টিপস: কিভাবে অল্প সময়ের মধ্য একজন জনপ্রিয় লেখক হবেন।'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SeLNrrKFhuI/AAAAAAAAADA/zD00QfVVYgA/s72-c/Untitled-1+copy.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-6150802544185320575</id><published>2009-04-07T13:13:00.002+06:00</published><updated>2009-04-07T13:17:50.181+06:00</updated><title type='text'>ঈশ্বরের ঠিকানা</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:130%;"&gt;মাঝে মাঝে এই হাসপাতালের চার দেয়ালের ভিতরে কেমন দম বন্ধ হয়ে আসতে চায়। শাহেদ খুবই যুক্তিবাদী একটি ছেলে। সে কখনও প্রকৃতির মাঝে রহস্য খোঁজার চেষ্টা করেনি। প্রকৃতিতে রহস্য বলে কোন কিছু নেই। তার বিশ্বাস প্রকৃতিতে কোন কিছু এমনিতেই ঘটে না। সব কিছুর পেছনে একটি কারণ রয়েছে। যুক্তির বাইরে কোন কিছুতে সে কখনই বিশ্বাস করে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিশ্বব্রম্মান্ডের কোথাও কি এমন কোন শক্তি লুকিয়ে আছে যা এই মহাবিশ্বের সব কিছুকে নিয়ন্ত্রণ করছে। তার মতে এটা একদমই বাজে কথা। বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করে দেখিয়ে দিয়েছেন একটি বিন্দু থেকে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি। তারপর তা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে সৃষ্টি হয়েছে গ্রহ, নক্ষত্র আর সব কিছুর। যদিও এই থিওরি তার মনে জন্ম দিয়েছে অনেক অজানা সব প্রশ্নের। বিগব্যাং এর পূর্বে কি ছিল? প্রাণের সৃস্টি কিভাবে হল? নিজে নিজে যদি প্রাণের সৃষ্টি হয়ে থাকে তবে ল্যাবরেটরিতে কেন আমরা প্রাণ সৃষ্টি করতে পারছি না? তবে তার বিশ্বাস একদিন মানুষ এই সব প্রশ্নেরও উত্তর খোঁজে বের করে ফেলবে। তখন আর সৃষ্টির রহস্য বলে কোন কিছু থাকবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তার মতে ভাল মন্দের শিক্ষা দেয়ার জন্য ও সৎ জীবন যাপনের জন্য ধর্মগ্রন্থগুলি মানুষই বিভিন্ন সময়ে তৈরী করে গেছে। এখানে যে সৃষ্টিকর্তার কথা বলা হয়েছে তা শুধুই মানুষকে ভয় দেখাবার জন্য। যাতে করে তারা অন্যায় কাজ করতে ভয় পায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধীরে ধীরে শাহেদের জীবন রেখা সংক্ষিপ্ত হয়ে আসছে। সে ক্যান্সারে আক্রান্ত। ডাক্তার সময় বেঁধে দিয়েছেন। এগিয়ে আসছে মৃত্যু। এখন শুধু অপেক্ষার পালা। বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখিয়ে দিয়েছেন মানুষ অমর নয়, মরণশীল। শাহেদেরও তা ভাল করে জানা আছে। মরতেতো হবেই, একদিন আগে আর একদিন পরে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তারপরও মাঝে মাঝে মন বিদ্রোহী হয়ে উঠে। মনে হয় যদি এই বিশ্বব্রম্মান্ডের কোথাও কোন এক সুপার পাওয়ার থাকত, যে সব কিছুই করতে পারত তবে শাহেদ তার কাছে আরও কয়েকটা দিন সময় চাইতে পারত। ধুর, কি সব বোকা আস্তিকবাদীদের মতো সে চিন্তা ভাবনা করতে শুরু করেছে। সৃষ্টিকর্তা বলতে কোন কিছু নেই। মানুষ তার কল্পনার মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তাকে তৈরী করে নিয়েছে। সে নিজে একজন ঘোর নাস্তিকবাদী। তাহলে কেন সে এই সব যুক্তি ছাড়া জিনিস কল্পনা করবে। প্রকৃতির সব কিছু তার নিজস্ব নিয়মে চলবে। এখানে কারও ইচ্ছা অনিচ্ছায় কিছু যায় আসে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আজ বাইরে বর্ষার প্রথম বৃষ্টি হচ্ছে। শাহেদ হাসপাতালের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকে। নিঃশ্বাসে ভেসে আসছে ভেজা মাটির ঘ্রাণ। গাছের পাতাগুলি সব বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে যাচ্ছে। আহা কত সাধারণ, কিন্তু আজ মনে হচ্ছে কি অপূর্ব একটি দৃশ্য। ইচ্ছা করলেও সে আজ বৃষ্টির পানি ছুতে পারবে না। ক্যান্সার তার সারা শরীরে বাসা বেধে ফেলেছে। এখন সে বিছানা থেকেই উঠতে পারে না। অনেক চেষ্টা করে তার হাতটুকু সামনে বাড়িয়ে দেয়। সে জানে এতদূর থেকে সে বৃষ্টি স্পর্শ করতে পারবে না। ধপ করে তার হাতটা বিছানার উপর এলিয়ে পড়ে । &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একসময় শাহেদের সব চিন্তা ভাবনা কেমন এলোমেলো হয়ে আসে। মাথায় আবার ভোতা যন্ত্রনা শুরু হয়। নিজের অজান্তেই মনে মনে বলতে থাকে-হে মহাশক্তি, আমাকে একবার শুধু ঐ জানালা পর্যন্ত পৌছার শক্তিটুকু দান কর। প্রাণপন চেষ্টা করে সে উঠে বসে। ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে থাকে জানালার দিকে। অনেক দিন পর আজ সে উঠে দাঁড়াতে পারছে। আরেকটু, তাহলেই সে পৌছে যেতে পারবে। অবশেষে সে পৌছতে পারে। শাহেদ চমকে উঠে। তাহলে কি কোন অদৃশ্য শক্তি তার মনের ইচ্ছা পূরণ করে চলেছে। শাহেদ হাত বাড়িয়ে দেয় জানালার বাইরে। কত দিন পর আজ বৃষ্টির স্পর্শ অনুভব করছে। আহ্ কি শান্তি। শাহেদের দুই চোখ ভিজে আসে। হায়! বেঁচে থাকা এত আনন্দের কেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইস্ এখন যদি কোন মিরাকল ঘটত। ঐশ্বরিক কোন শক্তির কল্যাণে সে যদি হঠাৎ করে ভাল হয়ে যেত। তবে কি তার এত দিনের বিশ্বাসে চিড় ধরতে আরম্ভ করেছে। শাহেদ মাথা থেকে এ ধরণের চিন্তা সরিয়ে দিতে চেষ্টা করে। ঈশ্বর বলে কোন কিছুর অস্তিত্ব নেই। এ সব শুধুই মানুষের অবচেতন মনের কল্পনা। কিন্তু শাহেদের চোখ প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য অবলোকন করতে করতে কি যেন খোঁজে ফিরে। আকাশের সীমানা ছাড়িয়ে তার দৃষ্টি চলে যায় দূরে, আরো দূরে। এই বিশ্বব্রম্মান্ডের কোথাও কি তাহলে লুকিয়ে রয়েছে এমন কোন ঐশ্বরিক শক্তি বা ঈশ্বর যিনি সব কিছুকে নিয়ন্ত্রণ করছেন। যার জাদুর স্পর্শে সব কিছু বদলে যেতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শাহেদ চোখ বন্ধ করে ফেলে। ফিস ফিস করে বলতে থাকে-হে অজানা ঐশ্বরিক শক্তি, আমাকে আর কয়েকটা দিনের আয়ু দান কর। আমি এই প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য আর কয়েকটি দিন দেখে যেতে চাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শাহেদ মারা যায় এর কিছুক্ষণ পরই । একজন ক্যান্সার আক্রান্ত লোকের স্বাভাবিক মৃত্যু। কোন মিরাকল ঘটেনি । প্রকৃতিতে সব কিছু তার মত করে ঘটে। প্রকৃতি তার সব রহস্য মানুষের কাছে প্রকাশ করে না। স্রষ্টা সব সময় তার সৃষ্টি নিজের মত করে পরিচালনা করেন। স্রষ্টা তার সব ক্ষমতা মানুষকে দেখাতে পছন্দ করেন না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;(আমি সব সময় দুইটা বিষয় সযত্নে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি। একটি হচ্ছে রাজনৈতিক বির্তক, অপরটি ধর্মীয় বির্তক। দুটি ক্ষেত্রেই লোকজন খুব আক্রমণাত্নক হয়ে উঠে। মুহুর্তেই পক্ষে বিপক্ষে দুটি দল তৈরী হয়ে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি কোন বির্তক করার জন্য এই পোস্ট দিচ্ছি না। আমার কথা হচ্ছে মতভেদ থাকতেই পারে। সেই পুরনো কৌতুকের কথা মনে পড়ছে।&lt;br /&gt;জজ আসামীকে বলছেন- তোমাকে অন্তত ৫ জন লোক চুরি করতে দেখেছে।&lt;br /&gt;আসামী উত্তর দিচ্ছে-স্যার, আমি অন্তত ৫০ জনকে এই কোর্টে হাজির করতে পারব যারা আমাতে চুরি করতে দেখেনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পক্ষে বিপক্ষে যুক্তি পাল্টা যুক্তি থাকবেই। মত প্রকাশের স্বাধীনতা সবারই রয়েছে। প্রত্যেক মানুষেরই রয়েছে নিজস্ব দর্শন । আমি আমার দর্শন অন্যের উপর জোর করে চাপিয়ে দিতে পারি না। যতক্ষণ পর্যন্ত না সে আমার দর্শন সাদরে গ্রহণ করছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমরা বিজ্ঞানের মতবাদ বিশ্বাস করি না। আবার পরক্ষণেই জানতে চাই- আকাশ কেন নীল।&lt;br /&gt;আমরা সৃষ্টি কর্তায় বিশ্বাস করি না। কিন্তু যখন বিপদে পড়ছি, তখন আবার সেই সৃষ্টিকর্তার কাছেই প্রার্থনা করছি আমাদের বিপদ থেকে উদ্ধারের জন্য।&lt;br /&gt;এখানে দুইটাকেই পাশাপাশি চলতে দেয়া যায়। একটিকে অপরটির প্রতিপক্ষ ভাবার কোন কারণ নেই। বিজ্ঞান হোক আর ধর্মই হোক প্রত্যেকেরই নিজস্ব মতবাদ রয়েছে। রয়েছে নিজস্ব যুক্তি। আমার মতবাদই ঠিক, তোমারটা ভুল এমন ভাবার কোন কারণ নেই। প্রতিনিয়তই আমরা নতুন কিছু শিখছি। তারপরও কি কেউ দাবী করতে পারবেন যে তিনি সৃষ্টির সমস্ত রহস্য জেনে বসে আছেন। এখন পর্যন্ত এই বিশ্বব্রম্মান্ডের সব কিছুর ব্যখা কি মানুষ আদৌ করতে পেরেছে। যদি না পারে তবে সেই দিন পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। যেদিন আমরা বলতে পারব সৃষ্টির রহস্য বলতে আসলে কোন কিছু নেই। তার আগে তোমার ধর্ম অযৌক্তিক আর আমার বিজ্ঞান যুক্তি সম্পন্ন এমন বলার কোন অধিকার আমার নেই।)&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-6150802544185320575?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/6150802544185320575/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=6150802544185320575' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/6150802544185320575'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/6150802544185320575'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2009/04/blog-post.html' title='ঈশ্বরের ঠিকানা'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-3770647189990987713</id><published>2009-03-02T12:36:00.000+06:00</published><updated>2009-03-02T12:39:58.585+06:00</updated><title type='text'>না ভুলতে পারা কষ্টগুলি</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:130%;"&gt;আমরা বাঙালীদের খুব বড় গুণ হচ্ছে আমরা যে কোন ধাক্কা খুব সহজে কাটিয়ে উঠতে পারি। সিডরে আমদের সব কিছু ধ্বংস হয়ে যায়। তারপরও আমরা বেঁচে থাকি, আবার আশায় বুক বাঁধি। প্রকৃতি হয়ত এভাবেই মানুষকে সৃষ্টি করেছে। যে কোন শোক মানুষ বেশী দিন মনে রাখতে পারে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বর্তমান সময়ে গোটা জাতি গভীর শোকে নিমজ্জিত। সাইক্লোনে হাজার হাজার মানুষ মারা পড়ে। আমরা মনকে সান্ত্বনা দিতে পারি। কিন্তু এবার যা ঘটেছে তা ঠান্ডা মাথায় খুন ছাড়া আর কিছুই নয়। মিডিয়াগুলি সব খবর প্রচারে ব্যস্ত। ধীরে ধীরে এক সময় সব স্তিমিত হয়ে আসবে। পত্রিকার প্রথম পাতা থেকে দ্বিতীয় পাতায়, তারপর শেষ পাতায়, এক সময় সবাই ভুলে যাবে এদের কথা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু যে পরিবারগুলি তাদের আপন জনদের হারিয়েছে, যাদের আপন জনরা এখনও নিখোঁজ রয়েছে, তারা বেঁচে আছে না মারা গেছে এটাও তাদের জানা নাই। তাদের কি হবে। তারা কি এই অপ্রত্যাশিত শোককে কোন দিন ভুলতে পারবে।&lt;br /&gt;যে স্ত্রী তার স্বামীকে, যে মা তার সন্তানকে, যে বোন তার ভাইকে, যে সন্তান তার বাবকে হারিয়েছে সে কি এই শোক কোনদিন কাটিয়ে উঠতে পারবে। সব কিছু ভুলে কি আবার সব আগের মত হয়ে যাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যারা মারা গেছে তারা কি আর্মি না বিডিআর সেই বিতর্কে গিয়ে কোন লাভ নেই। এদের এক মাত্র পরিচয় এরা সবাই বাঙালী। আমাদের দেশের সন্তান। যারা বেঁচে গেছে তার মধ্য থেকে অনেককে বিচারের সম্মুখীন হতে হবে। এদের মধ্য থেকে অনেকে চিরতরে হারিয়ে যাবে। অপরাধীদের সাথে মারা পড়বে অনেক নিরীহ বিডিআর। আবার পার পেয়ে যাবে এমন অনেক লোক যারা এদের কে এই অবস্থার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। সবাই এই বিদ্রোহের সাথে জড়িত নয়। কারণ বিদ্রোহীদের সাথে যারা যোগ দিতে রাজী হয়নি এমন অনেক বিডিআরকে বিদ্রোহীরা মেরে ফেলেছে। তার মানে সবাই এখানে অপরাধী নয়। তাদের পরিবার এক অনিম্চিত অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। কি হবে তাদের প্রিয় জনের। প্রতিটি পরিবারে একই চিত্র সেটা আর্মি হোক আর বিডিআর হোক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সন্তান মার কাছে জানতে চাচ্ছে -মা, বাবা কখন আসবে। এই প্রশ্নের কোন উত্তর মার কাছে নেই।&lt;br /&gt;এই মা কিভাবে তার বাচ্চাকে বলবেন-তোমার বাবা আর কখনও ফিরে আসবে না।&lt;br /&gt;যে মা উদ্বিগ্ন-বিচারে তার ছেলের কি শাস্তি হবে। সেই মাকে কে আশার বাণি শুনাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখন দরকার ঐ সব অসহায় পরিবারের পাঁশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করা। তাদের আপন জনদের আমরা ফিরিয়ে দিতে পারব না। কিন্তু এখন তাদের দরকার মমতার স্পর্শ। পারিবারিক, অর্থনৈতিক নিশ্চয়তা। এটা আর্মি হোক আর বিডিআর পরিবার হোক তাতে কি যায় আসে। কেউ যদি অন্যায় করে থাকে তার পরিবার কেন তা ভোগ করবে। তারাতো কোন পাপ করেনি। মা তার ছেলেকে, স্ত্রী তার স্বামীকে, ছেলে তার বাবাকে, বোন তার ভাইকে যে ভালোবাসা দিয়েছে তাতেতো কোন খাদ ছিল না। তাহলে তাদের কথা কেন আমরা ভুলে যাব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সবাই ব্যস্ত কতজন আর্মি আর কতজন বিডিআর মারা গেল সেই খবর সংগ্রহে। পত্রিকার পাতায়, মিডিয়াতে বিভৎস সব লাশের ছবি আর তার বর্ণনা। কে কার আগে কয়টা বেশী লাশের ছবি দেখাতে পারছে তার যেন প্রতিযোগিতা চলছে। রিপোর্টাররা প্রাণের ঝুকি নিয়ে খবর সংগ্রহ করে থাকেন। এর জন্য তাদের সাধুবাদ জানাই। কিন্তু এধরণের ছবি ছাপানোর আগে আমি মনে করি সম্পাদককে আরেকটু দায়িত্বশীল ও সচেতন হবার দরকার। তা যেন শুধুই পত্রিকার কাটতি বাড়ানোর জন্য না হয়। কারণ সব কিছুর উপর হচ্ছে মানবতা। কারণ একটি মৃতদেহের ছবি আমাদের কাছে শুধুই একটি লাশের ছবি। কিন্তু ঐ পরিবারের কাছে তা কখনও না ভুলতে পারা তীব্র যন্ত্রণার ছবি। ঐ ছবি দেখে তাদের প্রিয়জনের কেমন কষ্ট হচ্ছে তা আমাদের একটু বোঝা উচিত।  &lt;br /&gt; &lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-3770647189990987713?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/3770647189990987713/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=3770647189990987713' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/3770647189990987713'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/3770647189990987713'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2009/03/blog-post.html' title='না ভুলতে পারা কষ্টগুলি'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-9123821751665103130</id><published>2009-02-22T10:04:00.001+06:00</published><updated>2009-02-22T10:05:31.702+06:00</updated><title type='text'>ভাষা সৈনিক ও আমাদের এই প্রজন্ম</title><content type='html'>&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SaDO-s_n2xI/AAAAAAAAACo/RpkMHEfUUpM/s1600-h/FLAG039n.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5305467937667668754" style="FLOAT: left; MARGIN: 0px 10px 10px 0px; WIDTH: 320px; CURSOR: hand; HEIGHT: 206px" alt="" src="http://4.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SaDO-s_n2xI/AAAAAAAAACo/RpkMHEfUUpM/s320/FLAG039n.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;আলম সাহেব উনার কর্মজীবন থেকে রিটায়ার্ড করেছেন। প্রতিদিন সকাল বেলা তিনি পার্কে হাঁটতে বের হন। সারাজীবন কাজের মধ্যে থেকেছেন। কর্মহীন জীবন তিনি মোটেও উপভোগ করতে পারছেন না। খালি মনে হয় এই বুঝি বিদায়ের ঘন্টা বেজে গেছে। ছোট ছোট কিছু বাচ্চা ছেলে প্রতিদিন পার্কে কাগজ কুড়াতে আসে। পার্কের বেঞ্চে বসে তিনি তাদের কাজ দেখে অনেকটা সময় কাটান। এক সময় নিজের অজান্তেই এদের সাথে উনার সখ্য গড়ে উঠে। ঠিক করেন এদের তিনি পড়তে শেখাবেন। প্রথম প্রথম এরা এটাকে নতুন একটি খেলা ভেবে মজা পায়। তারপর খেলাচ্ছলেই একসময় তারা শিখতে শুরু করে। আলম সাহেব জানেন তিনি এদের বেশী দূর নিয়ে যেতে পারবেন না। সেই সার্মথ্য উনার নেই। তারপরও তিনি চান অন্তত বাংলা ভাষায় এদের হাতেখড়ি টুকু হোক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শহীদ মিনার চত্বরটা যেন বহু দিন পর আবার প্রাণ ফিরে পেল। চারদিক ধুয়ে মুছে ঝকঝকে তকতকে করা হয়েছে। আর করা হবে না কেন। আজ ২১ শে ফেব্রুয়ারী। অনেক গণ্য মান্য লোকজন, নেতা, নেত্রীরা আসবেন এখানে পুস্প অর্পণ করতে। সারা বছর এখানে জমে থাকে ফেরীওয়ালা, ছিনতাইকারী আর মাদক সেবীদের আড্ডা। তবে আজকের কথা ভিন্ন। কাল থেকে আবার শহীদ চত্বর তার পূর্বের রূপে ফিরে যাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আলম সাহেব উনার শিষ্যদের নিয়ে শহীদ মিনারে আসেন। কিন্তু ভিতরে যাওয়া সম্ভব হয় না। সিকিউরিটি গার্ড পথেই উনাকে আটকে দেয়। একটু পর প্রেসিডেন্ট আর প্রধানমন্ত্রী আসবেন এখানে ফুল দিতে। অতএব এখন সাধারণ জনগণের প্রবেশ নিষেধ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভোর হতেই শুরু হয় হুড়াহুড়ি, ধাক্কাধাক্কি। কে কার আগে খালি পায়ে ফুল দেবে তারই যেন প্রতিযোগীতা শুরু হয়েছে। যে রাজনৈতিক দল সবার আগে এখানে এসে ফুল দিতে পারবে বুঝতে হবে এরাই হচ্ছে আসল ভাষা প্রেমিক। বাংলা ভাষা নিয়ে আজ এরা যে বক্তৃতা দেবেন তা শুনলে যে কারো চোখ ভিজে আসবে। এদের ছেলে মেয়েদের অবশ্য এরা পড়াবেন ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে। কারণ প্রতিযোগীতার বাজারে টিকতে হলে জানতে হবে ইংরেজী। বাংলা শিখে কি লাভ! এখনকার ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলির নিয়ম আবার বেশ কড়া। স্কুলে ভুলেও ইংরেজী ছাড়া বাংলায় কথা বলা যাবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আলম সাহেব ফুল না দিয়ে ফিরে চলে আসেন। উনার মনে হয় শুধু বছরের একটি দিনে আমরা শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা সৈনিকদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব সম্পন্ন করার চেষ্টা করছি। যারা এ ভাষার জন্য প্রাণ দিয়ে এ দিনটিকে আর্ন্তজাতিক মাতৃ ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে গেছে আমরা তাদের প্রতি খুব দায় সারা ভাবে আমাদের শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। অথচ আমরা কত সৌভাগ্যবান জাতি যাদের রাষ্ট্রে এমন একটি বড় ঘটনা ঘটেছে। বিশ্বের আর কোন দেশে কেউ তাদের মায়ের ভাষার জন্য প্রান দিয়েছে বলে উনার জানা নাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভাষা আন্দোলনের এত বছর পরও আমাদের দেশে শিক্ষার হারের খুব একটা অগ্রগতি নেই। শুদ্ধ করে এখনও অনেকে বাংলা বলতে লিখতে জানে না। সাইনবোর্ডগুলিতে ভুল বাংলার ছড়াছড়ি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে বাংলা বাদ দিয়ে ইংরেজী শিক্ষার চর্চা চলছে। আজকের সমাজে অনেকে শুদ্ধ ইংরেজী বলতে না পারলে লজ্জিত হন। অথচ শুদ্ধ বাংলা না বলতে পারার জন্য কাউকে তিনি লজ্জিত হতে দেখেননি। এখনকার প্রজন্ম হচ্ছে ডি অর্থাৎ জিজুস নামক নতুন এক প্রজন্ম। এরা বাংলা ইংরেজী মিশিয়ে নতুন এক ভাষায় কথা বলে। এখনকার বাচ্চারা ঠাকুরমার ঝুলি শুনতে পচ্ছন্দ করে না। তাদের প্রিয় চরিত্র হ্যারি পটার। এক সময় ছাত্ররা তাদের ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছে। আজও ছাত্ররা প্রাণ দিচ্ছে তবে ভাষার জন্য নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের হল দখলের লড়াইয়ে। একুশে বই মেলায় বিদেশী ভাষার লেখকের বইয়ের ছড়াছড়ি। বাড়ীতে আমরা হিন্দি সিরিয়াল দেখি আর নাটকের চরিত্রগুলির দুঃখ দেখে চোখের জল ফেলি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিদেশী ভাষা শিখা নিয়ে উনার কোন আপত্তি নেই। কিন্তু আমরা যখন নিজের ভাষা সংস্কৃতিকে বাদ দিয়ে বিদেশী সংস্কৃতিকে অনুসরণ করতে শুরু করি তখন তা বাড়াবাড়ির পর্যায়ে চলে যায়। এ যেন নিজের মাকে বাদ দিয়ে বিমাতার প্রতি ভালোবাসা দেখানো হচ্ছে। এ প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা আগে নিজের ভাষা সংস্কৃতিকে জানুক বুঝুক। তারপর বিদেশী ভাষা সংস্কুতির শিক্ষা লাভ করুক। ভাষা সৈনিকরা আমাদের কাছে ফুল চান না। তারা চান যে ভাষার জন্য তারা প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন দেশের প্রতিটি মানুষ সেই ভাষায় মিক্ষা লাভ করুক। আমরা যদি দেশের একটি নিরক্ষর লোককেও অক্ষর শিক্ষা দিতে পারি তবে ভাষা সৈনিকদের প্রতি কিছুটা হলেও আমরা আমাদের ঋণ শোধ করতে পারব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যেদিন দেশে একটিও নিরক্ষর লোক থাকবে না, সবাই শুদ্ধ ভাবে বাংলা ভাষা লিখতে, পড়তে, বলতে জানব সেদিন অন্তত আমরা বলতে পারব- হে, ভাষা সৈনিক আমাদের এ প্রজন্ম কিছুটা হলেও তোমাদের ঋণ শোধ করতে পেরেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6290937908286564804-9123821751665103130?l=sawkat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://sawkat.blogspot.com/feeds/9123821751665103130/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=6290937908286564804&amp;postID=9123821751665103130' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/9123821751665103130'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6290937908286564804/posts/default/9123821751665103130'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://sawkat.blogspot.com/2009/02/blog-post_22.html' title='ভাষা সৈনিক ও আমাদের এই প্রজন্ম'/><author><name>sawkat ali</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18152900976050148830</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SW13cmS56wI/AAAAAAAAABw/XsjO-CO1T1U/S220/sali75blog-SALI_ulter.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SaDO-s_n2xI/AAAAAAAAACo/RpkMHEfUUpM/s72-c/FLAG039n.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6290937908286564804.post-2271904406558656280</id><published>2009-02-21T10:36:00.002+06:00</published><updated>2009-02-21T10:39:34.265+06:00</updated><title type='text'>ঈশপের গল্প ও একটি মোবাইলের বিজ্ঞাপনের গল্প</title><content type='html'>&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SZ-FW5Fy3SI/AAAAAAAAACg/5Bvxo2CLlOM/s1600-h/dancingphone.gif"&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5305105514394475810" style="FLOAT: left; MARGIN: 0px 10px 10px 0px; WIDTH: 101px; CURSOR: hand; HEIGHT: 80px" alt="" src="http://3.bp.blogspot.com/_d8bXcvc3fOI/SZ-FW5Fy3SI/AAAAAAAAACg/5Bvxo2CLlOM/s320
